21 জুলাই : চোখ খুলে দিলেন কুণাল ঘোষ, কলম ধরলেন প্রধান সম্পাদক মনোজ ঘোষ

মনোজ ঘোষ

একুশে জুলাই 1993 সালের ঘটনা নিয়ে যে ভুল ব্যাখ্যা বাসা বেঁধেছিল রাজ্যবাসীর মস্তিষ্কে, তা হয়ত  বুধবার ‘বিশ্ব বাংলা সংবাদ’ এবং ‘সংবাদ বিশ্ব বাংলা’য় কুণাল ঘোষের বক্তব্যের মাধ্যমে অনেকটাই ভেঙে গেল। তৎকালীন বামফ্রন্ট পরিচালিত রাজ্য সরকারের অপব্যাখ্যা মানুষের মনে গেঁথে ছিল, তার হয়তো কিছুটা হলেও অবসান হল। বুধবার সন্ধ্যায় সরাসরি সম্প্রচার হল কুণাল ঘোষের ” 21 জুলাই, untold story”।  তৃণমূল কর্মী সমর্থক বা অতি বড় বামফ্রন্ট সমর্থকরাও বুঝতে পারলেন, সেদিন আসলে কি ঘটেছিল। বিশিষ্ট সাংবাদিক তথা প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষকে অসংখ্য ধন্যবাদ  ‘বিশ্ব বাংলা সংবাদ’ এবং ‘সংবাদ বিশ্ববাংলা’র দর্শক এবং পাঠক-পাঠিকাদের একুশে জুলাইয়ের প্রকৃত তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করার জন্য।

আমরা অনেকেই অনেক কিছু জানি না, যার পরিণাম একে অপরকে দোষারোপ। আমার আবেদন সবসময়ই সত্যের কাছাকাছি পৌঁছে তারপরই একে অপরকে দোষারোপ করা ভাল। না হলে একটা সময় আসবে, যখন নিজের প্রতি একটা ঘৃণাবোধ জন্মাবে।

অনেকে কুণাল ঘোষ সম্বন্ধে প্রকৃত খবর বা তথ্য না নিয়েই তাঁকে আগাপাশতলা দোষারোপ করে থাকেন। অবশ্যই আমরা সমালোচনা করব, কিন্তু না জেনে অবুঝের মতো কাউকে শুধু অপমান করব না। কুণাল ঘোষ সম্পর্কে আমাদের বহু মানুষের খুব একটা স্বচ্ছ ধারণা বোধহয় নেই। তাঁকে নানা রকম অপবাদ দেওয়া হয় নানা জায়গায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে অপদস্থ বা অপমান করার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হয়, সে বিষয়ে বোধহয় একটু ভেবে দেখার অবকাশ আছে।

তাই আমাদের দর্শক, পাঠক-পাঠিকাদের বলব, নিজেদের মতো করে যে কোনও সমালোচনার আগে একটু হলেও সত্যের কাছাকাছি পৌঁছনোর চেষ্টা করবেন। যাঁরা এখনও “একুশে জুলাই এর আনটোল্ড স্টোরি”র সম্প্রচারটি ‘বিশ্ব বাংলা সংবাদ’ এবং ‘সংবাদ বিশ্ব বাংলা’র পর্দায় দেখেননি, তাঁদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, অবশ্যই সময় করে ওই সম্প্রচারটি দেখবেন।

সবাই ভাল থাকবেন, ভাল রাখবেন। 21 জুলাইয়ের শহিদ দিবস সকলে মিলে সার্থক করুন। আমাদের দুটি নিউজ পোর্টালকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাঠক এবং দর্শকদের অসংখ্য ধন্যবাদ।