বিসর্জনের শহরে মেরিনার্সদের সনি বরণ

এসবিবি : ঘড়ির কাঁটা জানান দিচ্ছে – রাত 2.10 মিনিট।

কলকাতার মাটি ছুঁয়ে ফেলল সনি নর্ডির বিমান। দীর্ঘ 10 মাস বাদে রাজপুত্র যেন তাঁর নিজের রাজ্যেই ফিরছে। বাইরে তখন কয়েক হাজার মেরিনার্স দীর্ঘ প্রতীক্ষায়। রাত গভীর থেকে ভোরের পথে, তো কী ? সবুজ-মেরুন হৃৎপিণ্ড বলে কথা! সোমবার ভোররাতে বিমানবন্দরে এ ছবি দেখে হতবাক সকলেই। পুজোর ‘হ্যাং ওভার’ কাটেনি এখনও শহর কলকাতার। তারই মধ্যে কোন এক হাইতিয়ান আসছেন বলে বাঙালির এমন প্রেম! বললে হবে, মোহন জনতার নয়নের মণি যে তিনি।

‘ইমিগ্রেশন’ শেষ করে যখন বাইরে এলেন মিস্টার নর্ডি, বিমানবন্দরে তখন কান পাতা দায়। সমর্থকদের ‘এনার্জি লেভেল’ ঠিক কোন উচ্চতায় পৌঁছতে পারে, নিমেষে বুঝে গেলেন সনি। আরও একটা মরশুম প্রিয় মোহনবাগানে। সবুজ-মেরুন জার্সিতে জ্বলে ওঠা। গোল করে সেলিব্রেশন – এ সবকিছু যেন নতুন করে হাতছানি দিয়ে গেল সানিকে। ওই রাতেও কয়েক হাজার অনুগামী প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন হাতে হাজির। কারোর টি-শার্ট থেকে উঁকি দিচ্ছে সনির মুখ। হাজারো আব্দার। সেলফির। অটোগ্রাফের। সনি নিশ্চয়ই বুঝলেন, না। ভুল করেননি তাঁর বাগানে ফিরে।

বিমানবন্দরে নিশুতি রাতেও হাজির ছিলেন সৃঞ্জয় বোস, স্বপন (বাবুন) বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবাশিস দত্তরা। সনিকে দেখেই জড়িয়ে ধরেন বাগান কর্তারা। স্বাভাবিক। অনেক অনেক প্রত্যাশা যে ওঁকে ঘিরে। আর সনি ? অবলীলায় বলে ফেলছেন, “এই অনুভূতি প্রকাশ করতে পারব না। খুব ভাল লাগছে যে, সমর্থকরা এভাবে আমাকে এখনও মনে রেখেছে।”