বুড়িমার চকোলেট বোম, আজও নামে কাটে

অনন্ত রায়

অনন্ত রায়

বুড়িমার চকোলেট বোম। পুজোর আগে এই  নামেই অর্ধেক বাজি বিক্রি হয়ে যেত। কিন্তু শব্দ দূষণের গেরোয় বুড়িমার সেই চকোলেট বোম এখন গল্প হয়ে গিয়েছে ঠিকই। তবে বাজির বাজার ছাড়েনি তিনি। শব্দহীন আতসবাজি নিয়ে বাজার মাতাচ্ছেন।  এবারের মূল আকর্ষণ ম্যাজিক টেন ফুলঝুড়ি, বিগবস রং মশাল, সবুজ চরকি, 75 সেন্টিমিটার রং মশাল, পাঁচ রঙের ফুলঝুড়ি। দেদারে বিকোচ্ছে বুড়িমার বাজি। শব্দ না থাকলেও যা রঙের বাহারে আজও অমলিন।

বুড়িমা–র বাজির ইতিহাসটা শোনালেন তাঁরই নাতি সুমন দাস। বাংলাদেশ থেকে এসে তাঁরই ঠাকুমা অন্নপূর্ণা দাস বাজি তৈরির ব্যবসা শুরু করেছিলেন। সেটা পসার পেতে সময় লাগেনি। জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন অচিরেই। বুড়িমার পরে তাঁর ছেলেরা হাল ধরেন। এখন নাতি সুমন দাস এবং তাঁর ছেলে সুমিত দাস ব্যবসা দেখেন। বেলুড়ে বুড়িমার বাড়িতেই এখনও বিক্রি হয় বাজি। সেখান থেকেই বাজি কিনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি করেন বিক্রেতারা।

দীপাবলির উৎসব মুখর রাজ্যে বাজি বিক্রি নিয়ে যখন একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ হয়েছষ তখন বাজি বিক্রেতারা বলছেন, উৎসব শুরুর এক সপ্তাহ আগে শব্দ পরীক্ষা না করে যদি ছ’‌মাস আগে সেটা করা হয় তাহলে তাঁদের লোকসান অনেকটাই কমে। কারণ সেই মেপে দেওয়া শব্দসীমার মধ্যেই বাজি তৈরি করতে পারেন তাঁরা। তাহলে আর পুজোর আগে শব্দ জব্দে পড়তে হয় না তাঁদের।

‌‌