দীপাবলির শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন!

এসবিবি:

‘অসতো মা সৎ গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়,
মৃত্যোর্মা অমৃতং গময়, ওঁ শান্তিঃ।।
ওঁ শান্তিঃ।।
ওঁ শান্তিঃ।।
… অসৎ হইতে সত্যে লইয়া যাও,
অন্ধকার হইতে আলোয় লইয়া যাও, মৃত্যু হইতে অমরত্বে লইয়া যাও,
সর্বত্র শান্তি বিরাজ করুক।

দীপাবলি শব্দের অর্থ প্রদীপের সমষ্টি।
কথিত আছে, 14 বছরের বনবাস সম্পূর্ণ করে শ্রীরামচন্দ্র অযোধ্যায় ফেরেন দীপাবলির দিন । শ্রীরামচন্দ্রের ফিরে আসার খুশিতে সেদিন অযোধ্যাবাসী ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে গোটা অযোধ্যা আলোয় আলোয় ভাসিয়ে দেন। সেই থেকেই আলোর উৎসব হিসাবে পালিত হচ্ছে ‘দীপাবলি’।

দীপাবলি আসলে 5 দিনের উৎসব। কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী এই উৎসবের সূচনা হয়। আর শেষ হয় শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়ায়। অর্থাৎ ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটার দিন। এ রাজ্যে,অসমে ও ওড়িশায় দীপাবলির দিনই হয় দীপান্বিতা কালী‌পুজো। কিন্তু দেশের বাকি অংশে দিনটি পালিত হয় লক্ষ্মী-গণেশের পুজোর মধ্য দিয়ে। ধর্মপ্রাণদের বিশ্বাস, এদিন সন্ধ্যায় ঘরে প্রদীপ জ্বালালে অমঙ্গল দূরে থাকে, ঘরে আসেন লক্ষ্মী। উত্তর ভারতেও ঘরে রঙ্গোলি দেওয়া, প্রদীপ জ্বালানো ও আতসবাজি পোড়ানোকে মাঙ্গলিক হিসাবে ধরা হয়।

 

উপনিষদেও দীপাবলির উল্লেখ আছে। সেখানে বলা হয়েছে, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের কথা। উপনিষদেই বলা আছে, ‘অসতো মা সৎ গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়, মৃত্যোর্মা অমৃতং গময়, ওঁ শান্তিঃ।। ওঁ শান্তিঃ।। ওঁ শান্তিঃ।।’ অর্থাৎ অসৎ হইতে সত্যে লইয়া যাও, অন্ধকার হইতে আলোয় লইয়া যাও, মৃত্যু হইতে অমরত্বে লইয়া যাও, সর্বত্র শান্তি বিরাজ করুক।
শুধু হিন্দুদেরই নয়,

এদিনটি জৈনদের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনেই জৈনধর্মের শেষ তীর্থঙ্কর মহাবীর মোক্ষ লাভ করেন।

“সংবাদ বিশ্ব বাংলা”-র তরফে পাঠক-পাঠিকা, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভাকাঙ্খীদের জন্য রইল দীপাবলির অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন!