91-তে লৌহপুরুষ, ভুলেই গেল পদ্মফুলের সমর্থকরা!

এসবিবি, নয়াদিল্লি : বৃহস্পতবার সকালে একটি গোলাপ ফুল কী পৌঁছেছে লোধি এস্টেটের 30 নম্বর পৃথ্বীরাজ রোডের বাংলোয়! কিংবা কোনও ক্যামেরা কী পৌঁছেছিল 91তে পা দেওয়া দেশের সবচেয়ে প্রবীণ রাজনীতিকের কাছে! রামমন্দির, নাম পরিবর্তন, আর ভোটের দামামার ভারে হয়তো প্রধানমন্ত্রীর সময় হয়নি। মনে পড়েনি অনেকেরই।

বৃহস্পতিবার ছিল বিজেপির লৌহপুরুষ লালকৃষ্ণ আদবাণীর 91তম জন্মদিন (1927, 8 নভেম্বর)। নিশ্চুপে-নীরবে কেটে গেল বিজেপির রামমন্দির কিংবা রথযাত্রার প্রাণপুরুষের। কিন্তু যে বিজেপি উঠতে বসতে পাকিস্তানকে শূলে চড়ায় তাঁরা কী জানেন, পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশারফ আর আদবাণী একই স্কুলে পড়েছিলেন? আসুন আদবাণীর জন্মদিনে আর একবার ফিরে দেখি তাঁর জীবনের 10টি দিকে —

1. লালকৃষ্ণ আদবাণী আর প্রাক্তন পাকিস্তান প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশারফ পড়তেন একই স্কুলে। করাচির সেন্ট প্যাট্রিক স্কুল

2. ভারত স্বাধীন হওয়ার বছরেই আদবাণী রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের সচিব হন।

3. 1970 সালে প্রথমবার রাজ্যসভার সাংসদ হন।

4. প্রথম জীবনে ছিলেন সাংবাদিক। আরও নির্দিষ্ট করে বললে বলতে হয় ফিল্ম সমালোচক। সেই শুরু ফিল্মের প্রতি অনুরাগ। এই বয়সেও ভালবাসেন চকলেট, আর ক্রিকেট।

5. মাত্র 17 বছরে আদবাণী করাচির মডেল স্কুলে শিক্ষকতার কাজ শুরু করেন।

6. আদবাণী লিখেছিলেন একটি বই — “মাই কান্ট্রি, মাই লাইফ হ্যায়”। শোনা যায় এই বইটি নাকি এক লক্ষ কপি বিক্রি হয়েছিল।

7. সকলকে চমকে দিয়ে লৌহপুরুষ 2013 সালে সব পদ থেকে ইস্তফা দেন।

8. 1980 সালে ভারতীয় জনতা পার্টি তৈরি হওয়ার পর, দলের সময়ের জন্য সভাপতি ছিলেন আদবাণী।

9. রাজনৈতিক জীবনে প্রায় আধ ডজনের বেশি রথযাত্রা করেন আদবাণী। যেগুলি হল – রাম রথযাত্রা, জনাদেশ যাত্রা, স্বর্ণজয়ন্তী রথযাত্রা, ভারত উদয়যাত্রা, ভারত সুরক্ষাযাত্রা ও জনচেতনা যাত্রা।

10. আদবাণী সেই কয়েকজন নেতার মধ্যে একজন, যিনি নরেন্দ্র মোদিকে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদে চাননি। আবার গুজরাত দাঙ্গার পর মুখ্যমন্ত্রী মোদির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।