পাঠ্যক্রম বিপ্লব! চারুলতা, সপ্তপদী, শোলে থেকে ডিলান বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্সে

এসবিবি : একে কী বলবেন? শিক্ষা বিপ্লব? না পরিবর্তনের বিপ্লব? না আধুনিকতার দাবি!শতাব্দী প্রাচীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে ঢুকছে এবার উত্তম-সুচিত্রার ” সপ্তপদী”, অমিতাভ- আমজাদ খানের “শোলে”, বব ডিলান, এমনকী বিটলসও।

লক্ষ্য সাহিত্য, ভাষা, সিনেমার মধ্যে সীমারেখা সরিয়ে দেওয়া। তাই ইংরেজি পাঠ্যক্রমে ঢুকছে সিনেমা, গান। ইংরেজি পাঠ্যক্রম আট বছর পর বদল হল। স্নাতকোত্তরে প্রবেশ করছে ‘সপ্তপদী’, ‘শোলে’, সত্যজিৎ রায়ের ‘চারুলতা’, বিজয় আনন্দের ‘গাইড’, বিশাল ভরদ্বাজের ‘মকবুল’, পাসোলিনির ‘ইডিপো রে’, কপোলার ‘গড ফাদার’, লুকাসের ‘স্টারওয়ার্স’, মাস্কার আর ক্লেমেন্টের ‘আলাদিন’, রাওলিংয়ের ‘হ্যারি পটার’, তালিকা বেশ বড়। নাম দেওয়া হয়েছে ভিস্যুয়াল লিটারেচার। আর সেই কোর্সেই থাকবে সিনেমা। ইংরেজি পাঠ্যক্রমে সিনেমা নিয়ে আসার কারণ হিসাবে বিভাগীয় প্রধান তন্ময় ঘোষ বলছেন, নতুনত্ব আনা, গতানুগতিকতা থেকে বেরনো আর সিনেমা নিয়ে উত্তরোত্তর আগ্রহ বাড়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত। পরিচালক থেকে এডিটিং, লাইট, স্কেচ, সিনেমাটোগ্রাফি নানা দিকে চাকরির ক্ষেত্রটাও বাড়বে।

তৃতীয় সেমেস্টারে থাকছে ফিল্ম অ্যান্ড লিটারেচার। প্রথম ইউনিটে থাকছে বিদেশী সিনেমার বিবর্তন। দ্বিতীয় ইউনিটে ভারতীয় সিনেমা। আবার চতুর্থ সেমেস্টারে বিশেষ পত্রের মধ্যে থাকছে সিনেমা, গান, কমিকস, পোস্টার, মলাট, ইত্যাদি। আর একটি বিষয় ঢুকেছে ইংরেজি সাহিত্যে, তা হল ভাষাতত্ত্ব, ইংরেজি শেখার পদ্ধতি, ধ্বনিতত্ত্ব, ধ্বনিবিজ্ঞান।

অধ্যাপকরা বলছেন, শুধু সাহিত্য নিয়ে পড়ার কারণে চাকরির বাজার সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। সেটাকে প্রসারিত করতেই এই উদ্যোগ।