দুই বাংলার রকমারি মাছের থলিতে জমজমাট ভাইফোঁটা, উদ্যোগ মৎস্য দফতরের

এসবিবি:  দিদি বা বোনের কাছে ভাইফোঁটা। এরপরই ফুলকো লুচি আর নানান মিষ্টি সহযোগে শুরু হয় ভাইদের দিন। দুপুরের মেনুতে থাকে চমক। যতই চাইনিজ মোগলাই থাক না কেন এদিনের অর্থাৎ ভাইফোঁটার দুপুরের মেনু বেশিরভাগই থাকে বাঙালিয়ানায় ভরপুর। বিভেদ ভুলে ভাইয়ের পাতে একই সঙ্গে থাকে ইলিশ চিংড়ি। কিন্তু যাদের বাড়ি কলকাতার বাইরে! কাজের চাপে এই বিশেষ দিনে যেতে পারছেন না! বা দূরত্বের কারণে আপনার কাছেও আসতে পারছেন না দিদি বা বোন। তাদের মন ভাল করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য মৎস্য দফতর। ভাইফোঁটার দিন মৎস্য দফতরের নলবন ফুড কোড এর আউটলেটে জিভে জল আনা সুস্বাদু পদ রান্না করে পরিবেশন করা হবে। সঙ্গে থাকবে বিশেষ চমক। মৎস্য দফতরের এই আউটলেট বেশিরভাগই মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত। ফলে ভাইফোঁটার দিন ভাইদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাও থাকছে। চন্দনের ফোঁটা দেওয়া হবে ভাইদের কপালে। তারপর অর্ডার অনুযায়ী পাতে ইলিশ, চিংড়ি, বাগদা, পাবদা, কই সহ নানান মাছের পদ। দুই ধরনের থালি থাকছে। গঙ্গা পাড়ের থালি ও পদ্মা পাড়ের থালি। থাকছে গলদা চিংড়ির মালাইকারি, ফুলকপি দিয়ে চিংড়ি, চালতার চাটনি -সহ আরও নানা পদ। নলবনে গেলে তো এই সব পদ চেখে দেখার সুযোগ আপনি অবশ্যই পাবেন, কিন্তু যদি ব্যস্ততার কারণে যেতে না পারেন তবুও কুছ পরোয়া নেহি। অনলাইনে অর্ডার করলেই আপনার বাড়িতে পৌঁছে যাবে এই সমস্ত পদ। তবে দিদিদের হাতে ভাই ফোঁটা পাবেন না অনলাইনে।