জাতি বৈষম্য! হিন্দু বন্ধুর কিডনি বসল না মুসলিম বন্ধুর শরীরে…

নজরুল ইসলাম লিখেছিলেন “মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান।” কবির লেখার কোনও প্রতিফলনই কি পড়েছে আজকের সমাজে! এখনও সেই কুসংস্কার, জাতিভেদ প্রথার অন্ধকারে আচ্ছন্ন সমাজ। নিজের কিডনি দিয়ে বন্ধুকে বাঁচাতে চেয়েছিলেন এক তরুণী। শরীরের কথা না ভেবে তাই এগিয়ে এসেছিলেন বন্ধুর পাশে দাঁড়াতে। কিন্তু বাধ সাধলো জাতিভেদ প্রথা। হিন্দু মেয়ের শরীরের কিডনি ছেলের শরীরে বসুক চায়নি মুসলিম পরিবার। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। কাশ্মীরের উধমপুর এর বাসিন্দা 23 বছরের  মনজ্যোত সিং কোহলি তার বন্ধু আখতার (22)কে বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সমরিন। নিজের কিডনি বন্ধুকে দিতে চেয়ে হাসপাতালে আবেদন জানিয়েছিল। কিন্তু হাসপাতালে টালবাহানা দেখে শেষে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। অভিযোগ, করেছিলেন তার বন্ধু চিকিৎসায় গাফিলতি করছে হাসপাতাল। সেখান মামলা চলাকালীন প্রকাশ্যে উঠে এলো সত্যি। জানা যায়, হাসপাতাল নয় কিডনি দানে বাধা সৃষ্টি করছে বন্ধুর পরিবার। কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সাইন্স এর পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছে যে, কিডনি নিতে চায় না রোগীর পরিবার. লিখিতভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তা জানানো হয়েছে।