রবিবারের বাবুই বাসা: 08.07.2018

বর্ষায় সেজে উঠুন গাঢ় রঙের পোশাকে

মরা সবসময় গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই পোশাক পড়ি। ফর্সারা মনে করেন তাদের গাঢ় রঙের পোশাকে মানায়। আর যাদের গায়ের রঙ শ্যামলা তারা মনে করেন হাল্কা পোশাকই তাদের জন্য বরাদ্দ। কিন্তু জানেন কী ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা পোশাক পড়তে পারি।

এখন সময় বর্ষার। চারিদিকে কাদা প্যাঁচপ্যাঁচে অবস্থা। বেশি হাল্কা পোশাক পড়লেই তা কাদায় নোংড়া হবে। তাই বর্ষার উপযোগী হল গাঢ় রঙের পোশাক। তাই বর্ষা কালে সেজে উঠুন গাঢ় রঙের পোশাকে।

বর্ষায় মানানসই রঙ

র্ষাকালে যে রঙগুলি আপনার ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখবে তা হল – বাদামি চকলেট,প্রুশিয়ান বা ডেনিম কালচে নীল, সবুজের সেড,পিচ, ম্যাজেন্টা ।

বাদামি রঙের কোট আর জুতোর প্রচলনই বেশি। তবে, ফ্যাশন এক্সপার্টরা এখন বাদামি রঙের নানান পোশাক বানিয়েছেন। যা সকলের গায়ে গায়ে ঘুরছে।

ডেনিম কালচে নীল রঙ বলতে বোঝায় খেলার পোশাক কিংবা স্কুলের পোশাকে। বর্ষার অনুষ্ঠানে এই রঙ টিকে বেছে নিতে পারেন। ম্যাক্সির মতো পোশাক, থ্রিডি-প্রিন্ট করা ‘স্ক্যাটার ড্রেস’ এবং রকমারি কাঁধের কাটিংয়ের পোশাকের সঙ্গে রঙটি মানানসই।

বুজ মানেই শান্ত, স্নিগ্ধ। দেহের রঙ শ্যামলা হলে বাছাই করুন মাস্টার্ড বা হলদে, খাকি ও গাঢ় সবুজ রঙ। আর গায়ের রঙ পরিষ্কার হলে টিয়া সবুজ বেশ মানানসই হবে।

 

পি এমন একটি রঙ যা যেকোন কমপ্লেকশনেই মানাবে। তাই নির্দ্বিধায় বেছে নিন এই রঙের পোশাক।

কমপ্লেকশনের কথা না ভেবে ম্যাজেন্টা রঙের পোশাক অনায়াসেই ট্রাই করতে পারেন। এর সঙ্গে যদি মিক্স ম্যাচ করে পড়া হয় কমলা, সাদা ও গাঢ় নীল তা নিঃসন্দেহে আপনাকে আকর্ষণীয় করে তুলবে সকলের কাছে।

                     **********************************************

ধারাবাহিক – আড়াই চালের কিস্তি

পার্থপ্রিয় বসু

…..পরবর্তী অংশ

সকালের চায়ে চুমুক দিতে দিতে রঞ্জিত ভাবছিল, তবে কি সে কেসটার কিনারা করে এনেছে। এই গেছো লোকটা কিংবা তার সঙ্গীসাথীরাই কী খুনী ? কিন্তু খুনটা কেন ? সমীরের ক্রেডেনসিয়ালস, তার 31 শে মের ‘সাপ্তাহিক অধিকার’ নিয়ে বোলপুরে আসা, মূর্তি চুরির ব্যাপারে চিন্তাভাবনা সবই পরোক্ষভাবে মূর্তিচুরি সংক্রান্ত কোন কারণের সঙ্গেই তার হত্যাকে জড়িয়ে ফেলেছে। কিন্তু রঞ্জিত জানে নিশ্চিত প্রমাণ না পেয়ে কোন কিছুই নির্ভুলভাবে ধরে নেওয়া যায় না। নিজেকেও সে তাই সবসময়ে বিশ্বায় করে না। বার বার যাচাই করে দেখে, যা ভাবছে যা বলছে তা কতটা সত্যি আর কতটা মিথ্যে হওয়া সম্ভব।

কুকুরকে খাবার দেওয়ার সূত্রে যে লম্বা লোকটিকে পাকড়াও করা গেল, তার সঙ্গে খুনীর দলের যোগোযোগ আছে সে নিয়ে সন্দেহ নেই, এবং খুনটাও মনে হয় ওই বাড়িতেই হয়েছে, কিন্তু মোটিভটা যতক্ষণ না পরিষ্কার হচ্ছে, আর যতক্ষণ না বোঝা যাচ্ছে সমীরের সঙ্গে সেই মোটিভের কী সম্পর্ক, ততক্ষণ স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছেনা। আজ একবার বাড়িটার তালা ভেঙে ভেতরটা দেখতে হবে আর বাড়ির মালিকেরো পাত্তা লাগাতে হবে।

একটু বেলায় থানায় এসে রঞ্জিত ওদের ইন্টারোগেশন রুমে লম্বা লোকটিকে আনতে বলল। সুব্রতকেও ডাকল। ঘরের দরজাটা বন্ধ করে রমেশকে বাইরে দাঁড়াতে বলল।

সুব্রত টেবিলের উল্টো দিকে বসলেও একটু ঘুরে নিল যাতে লোকটির মুখ দেখতে পারে। রঞ্জিত খুব শান্তভাবেই শুরু করল –

– তোমার নাম কী ?

– গোবিন্দ মুর্মু

– বাড়ি ?

– রামপুরহাট।

– বেলপুরে কেন ?

– চাকরি করি।

– কোথায় ?

– গ্রামসেবক।

– ও, তা এই কাজ করে চলে ? বাড়িতে কে কে আছে ?

– কেউ নেই।

– বিয়ে কর নি !

– না।

– সমীর দিন্দাকে কুন করলে কেন ?

– আমি কোনও খুন করিনি।

– তবে কে করেছে ? – জানি না।

– সমীর দিন্দাকে চেন ?

– না।

রঞ্জিত সুব্রতর দিকে তাকাল – আ হার্ড নাট। সুব্রতও বুঝল লোকটি খুব সহজে কিছু স্বীকার করবে না। রঞ্জিত পায়ে পায়ে উঠে এল লোকটির কাছে, বেশ কাছে। আচমকা ঠাস করে বিরাট ওজনের একটা চড় এসে পড়ল লোকটির বাঁ গালে। লেকটির পায়ের গোড়ালি নড়ে গেল। ভাল করে সোজা হওয়ার আগেই অন্য গালে আরও একটা। সুব্রত কোনদিনই রঞ্জিতের এই চেহারা দেখেনি। একটু অবাকও হচ্ছিল।

রঞ্জিত ভারি আওয়াজে গর গর করে উঠল। সুব্রতর মনে হল শানের মেঝেতে লোহার রোলার গড়িয়ে গেল।

রঞ্জিতের দ্বিতীয় বাক্যটা ওর কানে গেল। কীরে,এবার চিনতে পারছিস ?

পর পর রঞ্জিতের বিরাট হাতের ভারি চর খেয়ে লোকটি হাঁপাচ্ছিল। বাঁ দিকেপর কষ বেয়ে ঠোঁট ফেটে একটু রক্ত বেরোচ্ছিল। ও বুঝতে পারছিল রঞ্জিত এখানে থামবেনা। কিন্তু গোবিন্দ কী সত্যিই জানে সমীর দিন্দা কে ? কেন তাকে কেউ বা কারা খুন করেছে ? তার কাজ তো আলাদা, এখানে ওখানে জিনিস পৌঁছনো লুকিয়ে লুকিয়ে। পালিতবাবু যেদিন বলবেন, গোবিন্দ হাজির হয়ে যাবে, তারপর একটা মোড়াসোড়া প্যাক কোথাও পৌঁছিয়ে দিতে হবে। আর সেখান থেকে দু-একবার আরও দু-একটা মোড়কও এনে দিয়েছে পালিতবাবুকে। সমীর দিন্দা তো দূরের কথা, পালিতবাবুর পুর নাম পর্যন্ত জানেনা ও। যাতায়াতের সুবাদে যেটুকু মার্লোর সঙ্গে আলাপ হয়েছে শুধু। মার্লোও একে খুব ভালবাসে, খুব নেওটা গোবিন্দর। হাত থেকে খায়, গায়ে উঠে গাল চেটে দেয়। আর সেই জন্যই না পালিতবাবুরা কোথায় যেন গেলেন 2-3 দিন আগে আর বলে গেলেন, গোবিন্দ, দিনকয়েক মার্লোকে খেতে দিতে হবে ছাদের দরজা দিয়ে। তা গোবিন্দর মত গেছো লোকের পক্ষে শিরীষ গাছে চড়ে ছাদের দরজা দিয়ে ঢোকা তো সিঁড়ি বেয়ে চেনা দোতলায় ওঠার মতই সোজা। পালিতবাবুর কাজ করলে মোটা টাকা দেন, অভাবী গোবিন্দর একটা বিয়ের শখ রয়েছে, তা টাকাপয়সা না লে তো বিয়ে হবে না।গ্রামসেবকের পাহারাদারি থেকে ক-টাকাই বা পায়।

তাই রঞ্জিত আবার মারার জন্য হাত তিলতেই গোবিন্দ বলল, দারোগাবাবু বিশ্বাস করুন, যা বলছি একবর্ণ মিথ্যে নয়। আমি সমীর দিন্দাকে সত্যিই জানি না, কে খুন হয়েছে তাও দানিনা। আমি শুধু পরশু থেকে মার্লোকে খাবার দিতে আসি রাতের আঁধারে। মার্লো আমাকে ভালবাসে বলে পালিতবাবু আমাকে ওর খাবার দিয়ে যেতে বলেছেন রোজ রাতে।

গোবিন্দর এক নিঃশ্বাসে বলা দেখে রঞ্জিত বুধতে পারছিল যে লোকটি মিথ্যে বলছে না। রঞ্জিত বলল, এইভাবে গাছ বেয়ে খাবার দেবার ব্যাপারে তুমি আপত্তি করনি ?

– না স্যার। আমি গরীব লোক, টাকা পেলেই খুশি, গাছে তো ছোটবেলা থেকেই চড়েছি।

– পালিতবাবু কোথায় ?

– জানিনা, দারোগাবাবু, মায়ের কিরে, সত্যি জানিনা, পালিতবাবু মাঝে মধ্যেই পরিবারকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে উধাও হয়ে যান, তখন মার্লোকে খাবার দেওয়া, দেখাশোনা করা, সবই আমি করি।

– পালিতবাবু কী করে ?

– কী যেন একটা সরকারি কাজ। বলতে পারবনি ঠিক।

                          *****************************************************

।। দেখব বলে ।।

জয়তী মুখোপাধ্যায়

দীর্ঘ বড় দীর্ঘ এই পথ

রুক্ষ বড়, জীর্ণ আর মলিন

আষাঢ় খোঁজে মেঘের কোলের আড়াল

কন্টকময় সকল রাত্রি দিন।

অনেকগুলি কোলভর্তি নাম

তবুও ডাকতে কাঁপায় গলায় স্বর

বিদীর্ণ হোক আকাশ বক্ষ মাটি

আনুক মুক্তি নিয়ে তোমার কর।

চাইছি যেতে আলোকবর্ত দেশে

সাদা আলোর চাদর বিছান পথ

নির্দিষ্ট গন্তব্য নিষেধ

আসবে সেজে ফুলের সাজান রথ।

আকাশজুড়ে ধুমকেতুদের খেলা

মেঘেরা ঠেলছে একে ওকে

তারাগুলি,জ্বলছে দ্বিগুণ হয়ে

ছেঁড়া মেঘ ছড়িয়ে দিকে দিকে।

চাইছি দেখতে সেই জন্মটাকে

ভালোর ভাল আছে কী এক রত্তি ?

জীবন দিয়েছে কালের কালো খাতা

এটাই অমোঘ, এটাই খুব সত্যি।

সেই জন্ম ফুলের সুবাস ভরা

গন্ধে মদির মাতাল শ্রীমুখ জন

থাক না কিছু আলোয় আলোয় ভরা

থাক না বেঁচে সেই আকস্মিক মন।

…………………………………………………………….

।। ব্রতাচার ।।

সুব্রতা ঘোষ রায়

নীলচে দিন চলতে থাকে লালচে দিনের মতো ..

আমিই গান্ধারী – আর পুত্র  শত শত ।

বরখাস্ত-বালক তবে কোন দিকে চায় –

কে আর তাহার জন্য আঁচল বিছায় ..

‘দুধেভাতে’ অবশেষে আদিবাসী-ঘরে ..

যাঁরা অরণ্যকে নিত‍্য পুজো করে ..

হে অরণ‍্য, হে দেবতা..একি উপহাস –

শয়তান মাথায় উঠলে ধর্মে সর্বনাশ !!

…………………………………………………………………………………

।। নারী কথা ।।

পিঙ্কু সাহা

যেদিন থেকে কন্যা হয়ে দিলে দেখা মাতৃজঠরে,
সেদিন থেকে জীবন তোমার উঠল সেজে কঠিনে কঠোরে।

হয়তো বা দেখতেই পেলে না এই পৃথিবীর আলো,
তার আগেই চোখের সামনে ঘনিয়ে এলো কালো।

যদি বা পেলে ছাড়পত্র, বছর তিনেক পার না হতেই,
পড়তে হলো শেয়াল-শকুনদের হাতেই।

দয়া,মায়া,স্নেহ,মমতা কিছুই রইল না তোমার জন্য,
চারপাশটা তোমার হয়ে উঠলো বন্য।

অন্দরে,বাহিরে কোথাও তোমার নেইকো নিস্তার ,
শত শত লোলুপ দৃষ্টি করেছে জাল বিস্তার ।

কালক্রমে বয়স যখন করলো অষ্টাদশ পার ,
শুরু হলো প্রস্তুতি করতে তোমায় পিতৃগৃহ হতে বার।

পিতা-মাতাকে করতে নির্দায়, নিতে হলো তোমাকে বিদায় ,
কন্যা থেকে স্ত্রী—এই হলো তোমার নব পরিচয়।

স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায় করলে দান শরীর -মন,
তোমাকেই যে করতে হলো বংশরক্ষার ভার গ্রহণ।

নিজ শখ-আহ্লাদ বিসর্জন দিয়ে,
স্ত্রী থেকে জননী হলে শত যন্ত্রণা সয়ে।

পড়লে তুমি বাঁধা সংসারের যাঁতাকলে,
ভরলো তোমার জীবন হাসি-চোখের জলে।

তোমার চিন্তা, তোমার ভাবনা, তোমার সরলতা,
অপরের কাছে উঠলো হয়ে চরম জটিলতা ।

হাসিমুখে সব দুঃখ , সব অভিমান ভুলে,
ভরলে তুমি সবার জীবন নানান ফলে-ফুলে।

নারী তোমার জীবন — যন্ত্রণারই গাঁথা,
আজ তুমি করেছ অতিক্রম বহু বহু বাধা।

নারী:  সৃষ্টি , নারী: পালন, নারী: শক্তি,
যুগে যুগে চিরসত্য— নারীতেই পাপমুক্তি। ।

*********************************************

।।আকাশ প্রদীপ আকাঙ্ক্ষা ।।

 রাম ভৌমিক

নিতে নিতে শত ছড়াচ্ছ

পাথর কতখানি দেবে মূল্য

জানো ? কী কষ্টে শোক

 পরিতাপ হৃদয়ের বাঁধা ভুলল।

তুমি তো আগুন নিত্য জ্বেলেছ

   কোনখানে দেবে শান্তি

জান কী আত্মহননের নেশা

  হাতে এনে দেয় শ্রান্তি।

তুমি তো বিষের ভান্ড দিয়েছ

          আমি তো দুঃখ বইব।

ভাগ্যের কাঁটাতারের বাধন ভেঙে

     দিতে পারে দৈব।

না হয় মিথ্যে অস্ত্রের খেলা

 তোমাকে এনেছে যুদ্ধে

তাই বলে বাঁচার জন্য যা ঋণ

  পারবে না আজ শুধতে।

ভাব সংশয় তাড়া করে ফেরে

  দিন গিলে খায় রাত্রি

ভাঙা তরঙ্গে নদী উদ্বেল

  মৃত্যুর পথে যাত্রী।

শত ভাবনার পরেও ভেবেছ

   সত্যিই কী তুমি দুঃখী?

জীবনের দিকে পারনা ফেরাতে

  প্রত্যয়ে দৃঢ় মুখ কী।

আকাঙ্ক্ষা যার আকাশ প্রদীপ

 তার হৃদয়ে কেউ নাই

পঞ্চশরে দগ্ধ করছ

   নিঃশেষ হয়ে যাই।

…………………………………………………………………….

 

বাসি ভাতের নিউ রেসিপি মাসালা রাইস বল

 

রান্না খাওয়ার পরে ভাত অনেক সময় বেশি থেকে যায়। বাসি ভাত খেতে পছন্দ করে না অনেকেই। আবার বাসি ভাতে জল ঢেলে তা পান্তা করেও খাওয়া যায়। এবার বাসি ভাতে আনুন নতুন স্বাদ। চটপট বানিয়ে ফেলুন একটি নতুন রেসিপি, মাসালা রাইস বল।

উপকরণ – গোটা ধনে 1 টেবিল চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো 2 চা চামচ, লঙ্কা কুঁচি 5 চা চামচ, টুকরো করে কাটা পনির 1 কাপ, সিদ্ধ আলু ছোট ছোট করে কাটা 1 কাপ, মটর শুঁটি 5 কাপ, আদা ও রসুনের পেস্ট 1 চামচ, 1 টি কুঁচনো পেঁয়াজ, নুন ও তেল পরিমাণ মত, ডিম 1 টি, ময়দা 2 কাপ, ভাত 3 কাপ, বিস্কুটের গুঁড়ো 2 কাপ, সামান্য জাফরান ও গোল মরিচের গুঁড়ো।

প্রণালি – প্রথমে ফ্রাইং প্যানে তেল গরম করে নিতে হবে। এরপর তাতে দিতে হবে ধনে, পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচা লঙ্কা কুঁচি, মটরশুঁটি,সেদ্ধ আলুর টুকরো, লঙ্কা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, গরম মশলা, ধনেপাতা কুঁচি, পনিরের টুকরো(সমস্ত উপকরণের খানিকটা দিতে হবে। বাকিটা রাইস বল তারি করতে লাগবে)।

পরবর্তী পর্যায়ে ভাতের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে পনির কুঁচি, ডিমের কুসুম, ধনেপাতা কুঁচি, সামান্য জাফরান। এরপর তৈরি করুন রাইস বল।

বল তৈরি করার পর তার মাঝখানে দিন রান্না করা মশলা। তারপর তা চ্যাপ্টা কাবাবের আদলে গড়ে নিন। এবার ময়দার সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে নুন ও গোলমরিচের গুঁড়ো।

রাইস বল গুলিকে প্রথমে ময়দায় মাখিয়ে নিয়ে ডোবাতে হবে ডিমের সাদা অংশে। তারপর বিস্কুটের গুঁড়োয় মাখিয়ে ভাজতে হবে ডুবো তেলে। বিকেলের স্ন্যাক্সে পরিবেশন করুন গরম গরম রাইস মাসালা বল।

 *********************************************

মাথা থেকে ব্যাথা দূর করতে যা করবেন

মাথা ব্যথা অনেকেরই নিত্য দিনের সঙ্গী। নানা কারণে মাথা ব্যাথা হতে পারে। মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার , টিভির দিকে এক নাগাড়ে তাকিয়ে থাকলে স্ট্রেস পরে চোখের উপর। যার কারণে মাথা ব্যাথা হতে পারে। এছাড়াও অতিরিক্ত কাজের চাপ, অপর্যাপ্ত ঘুম, গ্যাসের সমস্যা থেকে মাথা ধরতে পারে। মাথা ব্যাথা হলেই আমরা সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ খেয়ে নিই। কিন্তু জানেন কী ওষুধ ছাড়াই কমতে পারে মাথা ব্যাথা। জেনে নিন উপায়।

প্রচণ্ড মাথা ব্যাথা করলে ভরসা করুন আদার ওপর। আদা আপনি সবসময়েই হাতের কাছে পাবেন। ওষুধ না খেয়ে এক টুকরো আদা খান । উপকার পাবেন চটজলদি। শুধু আদা খেতে না পারলে চায়ে দিয়ে খান। পারলে তার সঙ্গে মিশিয়ে নিন কয়েক ফোঁটা লেবুর রস।

হেঁসেলে থাকা আরেকটি জিনিস হল লবঙ্গ। কয়েকটি লবঙ্গের গুঁড়ো রুমালের মধ্যে নিয়ে তার ঝাঁঝটা নিন। দেখেবেন অল্প সময়ের মধ্যেই ছেড়ে যাবে আপনার মাথা ধরা।

মাথা ব্যাথা কমাতে বেশ উপকারি হল বরফ। পরিষ্কার কাপড়ের টুকরে বা রুমালের মধ্যে বরফের টুকরো নিয়ে মাথায় চেপে রাখুন 5 মিনিট। হাতের কাছে বরফ না পেলে ঠান্ডা জল ব্যবহার করতে পারেন।