বর্ষার গানে চমকে দিলেন চিকিৎসক

সীমন্ত রায়

রবীন্দ্র ওকাকুরা ভবন । সল্টলেক। রবিবার।

পেশায় ডাক্তার কিন্তু গানের নেশা পিছু ছাড়েনি তাঁকে, তাঁর ডাক্তারির কঠিন সময়ের ফাঁকে গুণগুণ করে গেয়ে যাওয়া গানগুলিকে আমাদের কাছে তুলে ধরতে ডাঃ অশোক রায় আজ গায়কের ভুমিকায় আমাদের সবার সামনে।

সল্টলেকের রবীন্দ্র ওকাকুরা ভবনে অনুষ্ঠিত আশিস বসাকের পরিচালনায় Hello Kolkata আয়োজিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাংলা গানের সম্ভার নিয়ে দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করলেন ডাঃ অশোক রায়।

টাকী স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ডাঃ অশোক রায়, গায়নোকোলজিস্ট হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও তিনি টাকী স্কুলের প্রাক্তনী সংগঠনের সদস্য। ডাক্তারির পাশাপাশি তাঁর গানের এই নেশা ও কঠোর পরিশ্রম আজ তাঁকে সম্মানের শিখরে এনে পৌঁছে দিয়েছে। আজ এই অনুষ্ঠানে ডাঃ অশোক রায়ের বিষয় ছিল ‘সুরের গগনে বৃষ্টি’, তাই পুরোনো বাংলা গানের সম্ভার থেকে একের পর এক গান উপহার দিলেন তিনি। “এই ঝরো ঝরো মুখরো বাদল দিনে”, “এলো বরষা যে সহসা বলে তাই”, “এই রিম্ ঝিম্ বরষা”, “এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন”, “ওই উজ্জ্বল দিন ডাকে স্বপ্ন রঙিন” ও বাংলাদেশের খুব সুন্দর একটি গান “বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান, বানের জলে ভাসলো পুকুর ভাসলো আমার গান”। ভাষ‍্যপাঠে শর্মিষ্ঠা দত্ত ও ভাষ‍্য রচনায় অশোক রায়ের স্ত্রী ডাঃ রোমী রায়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য শিল্পীরা হলেন, আধুনিক গানে পল্লবী সেনগুপ্ত, আবৃত্তিতে লোপামুদ্রা সরকার, শর্মিষ্ঠা চন্দ্র ও তথাগত খাঁ। শ্রুতি নাটকে অনিতা চন্দ্র ও তার গ্রুপ। কবিতা-কোলাজে প্রসূন সামন্ত, মোনালিসা শীল, তাপসী দাস এবং violin প্রদর্শনে শোনু পাল ও তবলায় স্বপন পাল।

এই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জেন ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সহ-সম্পাদক শান্তিরঞ্জন দাসগুপ্ত, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও প্রাক্তণ সাংসদ কুণাল ঘোষ, টাকী স্কুল শিয়ালদহের সহ-প্রধান শিক্ষক অমিত কুমার গাঙ্গুলী, বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি শান্তি পারভিন সাহনেওয়াজ। বিশিষ্ট সম্মানীয় অতিথি দিপা দাস, সম্পাদক ডাঃ সেফালী চৌধুরী ও সভাপতি অর্পণ চৌধুরী।

সব কিছুকে ছাপিয়ে এদিন শিরোনামে ডাঃ অশোক রায়ের গান।