শতাব্দীর দীর্ঘতম গ্রহণে এবার দেখা যাবে মাইক্রো মুন

এসবিবি : শেষ কয়েক বছরে অনেকরকম ভাবে দেখা গিয়েছে চাঁদকে। কখনও ব্লাড মুন, কখনও বা সুপার মুন। আগামীকাল শুক্রবার পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এই চাঁদকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হচ্ছে মাইক্রো মুন। এবার গ্রহণের সময় চাঁদ তুলনামূলক অনেকটাই ছোট দেখাবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এটি শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। প্রায় 1 ঘণ্টা 43 মিনিট চাঁদের উপর পৃথিবীর ছায়া পড়বে। চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখাবে ফায়ার রিংয়ের মতো। মধ্য প্রাচ্য, দক্ষিণ চিন, পূর্ব আফ্রিকা থেকে দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। দেখা যাবে ভারতেও। এছাড়া বিশ্বের বাকি অঞ্চলগুলো থেকে লাইভ টেলিকাস্টে দেখা যাবে শতাব্দীর দীর্ঘতম গ্রহণ।

27 জুলাই, 2018। ভারতীয় সময় রাত 11টা 44 মিনিট থেকে শুরু হবে চন্দ্রগ্রহণ। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে রাত 1টা থেকে। 1টা 15 থেকে 2টো 43 মিনিট পর্যন্ত পৃথিবী ও চাঁদ সহাবস্থানে থাকবে। এই সময় চাঁদের রং টকটকে লাল থাকবে। ভোর 4টে 58 মিনিট পর্যন্ত চলবে গ্রহণ।
অতিমাত্রায় দূষণের কারণে অনেক মেট্রোসিটি থেকে চন্দ্রগ্রহণ নাও দেখা যেতে পারে। তবে গ্রামগঞ্জের দিকে, যেখানে আকাশ পরিষ্কার সেখানে স্পষ্ট দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ। আকাশ মেঘলা থাকলে বা বৃষ্টি হলে দেখা সম্ভব নয়। এবারের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের বিশেষত্ব কী? 2018 সালে এবার এটি শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এরপর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ হবে 2123 সালের 9 জুন। এবারএকই অক্ষরেখায়  পৃথিবী থেকে সর্বাধিক দূরত্বে থাকবে চাঁদ। তাই অন্যদিনের তুলনায় চাঁদকে এবার অনেকটাই ছোটো দেখাবে। সুপারমুনের ভাবনাটা ছিল ঠিক উল্টো। একই অক্ষরেখায় পৃথিবীর সবথেকে কাছে ছিল চাঁদ। এবার চাঁদের এই দূরত্বকে মাথায় রেখে বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন মাইক্রো মুন। পৃথিবীর একই অক্ষরেখায় হওয়ায় চাঁদের উপর পৃথিবীর ছায়া পড়বে। অধিকাংশ সময় চাঁদকে তাই অন্ধকারই দেখাবে।