রবিবারের বাবুইবাসা : 29.07.2018

।। ধারাবাহিক উপন্যাস – আড়াই কিস্তির চাল ।।

পার্থপ্রিয় বসু

….. পরবর্তী অংশ

রে ফেলা দ্বিতীয় লোকটাকে দুটো রুলার গুঁতো দিতেই বলল, মধুবাবুর কথা অনুযায়ী ও ল্যান্ডিং এর বাইরের কার্নিসে বসে শুনতে এসেছিল পুলিশের কথাবার্তা। রঞ্জিত দেখে ফেলায় ও লাফিয়ে পালাতে যাচ্ছিল… আর ঠিক তখনই রঞ্জিত গুলি করে দেবার হুমকি দেয়…

– মধুবাবু কে?

– জানি না স্যার।

– আবার মিথ্যে কথা! রঞ্জিত রুল টা উঁচু করতেই বলে,

– মধু বাবু পালিত বাবুর ডান হাত স্যার…

– মধু বাবু এখন কোথায়?

-জানি না স্যার, পরশু আমাকে বলেছিল, পালিতবাবুর বাড়ির উপর নজর রাখতে আর পুলিশ এলে যেন কী কথাবার্তা হচ্ছে জেনে নিই আড়াল থেকে।

– তার পর ওরা তোমার থেকে জানবে!

– জানি না স্যার, মধু বাবু ছায়ার মত নিঃশব্দে চলা চল করেন। কখন যে স্যার এসে আমাকে আড়ালে নিয়ে সব কথা জেনে ফেলতে পারেন ভাবতেই পারবেন না স্যার।

-মধু বাবুর বাড়ি কোথায়?

– জানি না স্যার, আমরা দেখেছি পালিত বাবুর নিচের তলায় মধুবাবু থাকেন আর বাড়ির তদারকিও উনিই করেন।

– কেমন দেখতে মধুবাবু কে?

– মেঘের মত দারোগা বাবু, একে বারে মেঘের মত, ওই রকমই গর্জন। ওই রকমই ছাই কালো। ওই রকমই উঁচু, ঢাউস।

– হুঁ, মধু বাবু বেশ গুণ সম্পন্ন লোক মনে হচ্ছে। কী জামা কাপড় পড়েন মধু বাবু?

– ধুতি আর খদ্দরের পাঞ্জাবি।

– মধুবাবু কোথাকার লোক?

– দারোগা বাবু, আমরা মুখ্য লোক, অত কী বুঝি? কিন্তু কথার টান শুনে মনে হয় মেদিনীপুর।

– এখানে কোনও বাড়ি ঘর নেই মধুবাবুর?

– বললাম তো স্যার, পালিত বাবুর বাড়িতেই খান, পালিতবাবুর বাড়িতেই শোন। আর পালিতবাবুর বাঘা কুকুরটা পর্যন্ত মধুবাবু কে ভয় পায়, মধু বাবু ডাকলে ছোট হয়ে গুটিয়ে আসে। মুখে কেমন আওয়াজ করে

– তা মধু ভক্ত যুধিষ্ঠির, তোমার নিজের নামটি কী?

– রাখাল, দারোগা বাবু। রাখাল মাঝি। বাপ – ঠাকুরদা মোর নদী তে লইকো পারাপার করতো। এখন তো মোর নদী নেই, বাঁধ দে শুকিয়ে দেছে, এখন অল্প কিছু জমি আর টুকটাক কাজকম্ম পালিতবাবুর – মধুবাবুর, কিংবা প্ল্যান্টেশনের পাহারাদারি।

– তোমার বাড়ি কোথায় রাখাল?

– নানুরে দারোগাবাবু

– বাড়িতে কে কে আছে?

– বউটা বাঁজা, বুড়ো মা, আর দুই ভাই চাষ বাস নিয়ে আছে। ওদের বউ ছেলে আছে।

– তুমি চাষ বাস কর না কেন?

– ভাল লাগেনা দারোগা বাবু, কার জন্যে করব?

– তা বলে টুকরোটাকরা উঞ্ছবৃত্তিকে করে জীবন কাটাবে! পেশা স্থির না হলে মানুষকে মানুষ ব্যবহার করে। যাক তোমাকে এ কথা বলে কোন ফল হবে কিনা জানিনা। তুমি বাড়ি ফিরে যাও। আর খবরদার পুলিশের ব্যাপারে আড়িপাতার চেষ্টা কর না।

রাখালকে ছেড়ে দেওয়ার পেছনে রঞ্জিতের উদ্দেশ্য ছিল মধুকে ধরা। কারণ দু-একদিনের মধ্যে মধু যে রাখালের সঙ্গে যোগাযোগ করবে তাতে সন্দেহ নেই। সুব্রতকে বলে দিল পুলককে সাধারণ পোশাকে রাখালের ওপর নজর রাখার ব্যবস্থা করতে। মধুর চেহারার একটা বর্ণনাও দিল রাখালের কথামত। আর বলল ফোর্স নিয়ে কাছাকাছি থাকতে যাতে মধু এলেই ধরা সম্ভব হয়

*****************************

।। ধারাবাহিক উপন্যাস – ডায়েরির পাতা থেকে ।।

সৈয়দ হুমায়ুন রাণা

মরেড কৃষাণজীর আদেশে, আমরা সূর্য্যপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। আমার সঙ্গে আছে নলিনী, সফিউর আর মলিনা। আমরা 4 জন।

বিকেল গড়িয়ে, আমরা সূর্য্যপুরে পৌঁছুলাম। কানু মাঝি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিল। ওর বাড়িতে গিয়ে উঠলাম। আমাদের জন্য একটি ঘর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ছোট্ট মাটির ঘর। খড়ের ছাউনি। ঘরের মধ্যে 2 টি কাঠের চৌকি পাতা। ইলেক্ট্রিক বাতি বা ফ্যানের কোনও বালাই নেই। তবুও অসুবিধে ছিল না। সালানপুর ট্রেনিং ক্যাম্পে থাকাকালীন সবকিছু কষ্টকে জয় করতে শিখেছিলাম। সুতরাং, রাত্রে দেশী মুরগীর ঝোল-ভাত খেয়ে পরম সুখে নিদ্রা গিয়েছিলাম। জানলা দিয়ে প্রকৃতির বাতাসে দেহ-মন শীতল হয়েছিল।

আমার অভ্যেস মত খুব সকালেই নিদ্রা ভঙ্গ হয়েছিল। সবাই তখনও গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন। আমি ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়লাম। তারপর হাঁটতে, হাঁটতে নদীর ধারে গেলাম। নদীটির নাম দ্বারকা। ছোট নাগপুরের মালভূমি থেকে যার জন্ম। সেই নিরিবিলি প্রাকৃতিক মনমুগ্ধকর পরিবেশ আমাকে অকৃত্রিম আনন্দে উদ্বেল, বিমুগ্ধ করে তুলেছিল। নদীর দুই পাড়ে উর্বর ভূমিতে চাষারা নানারকমের শাক-সব্জি চাষ করছে। শশা, টমেটো, উচ্ছে, বেগুন প্রভৃতি সব সব্জির গাছগুলির এক অদ্ভূদ আকর্ষণ। আমি হাঁ করে চেয়েছিলাম। আমাদের মত শহুরে লোকেদের চোখ টাটায়। মনে হচ্ছিল ছুটে গিয়ে সব্জিগুলি পটাপট তুলে পকেটে পুরি। এখানে দেখার তো কেউ নেই।

তারপর ধীর পদক্ষেপ সামনের দিকে এগিয়ে গেলাম। কিছুটা এগিয়ে যেতেই বাঁধের উপর একটি কুঁড়ে ঘর নজরে পড়ল। একটা শ্যামলা রং এর মোটামতন গ্রাম্য বধূ, সেই কুঁড়ে ঘরের দরজা আগলে বসেছিল। আমার সঙ্গে চোখাচোখি হতেই, সে সোজা হয়ে বসল, ‘কুথায় যাবেন ইদিকে ?’ ওর চোখে মুখে কৌতূহল প্রকাশ পাচ্ছে।

          ************************************

।। শিকল ।।

সোমনাথ বেনিয়া

ই পৃথিবীতে এক্কা মহম্মদের সঙ্গী বলতে তার সেই মালটানা ভ্যান।ওকে সঙ্গে করে প্রতিদিন কাজে বেরোয় আর দিনের শেষে ফুটপাথের অস্থায়ী ঠিকানায় তাকে দাঁড় করিয়ে তার ওপর শুয়ে রাত্রিযাপন করে। যদিও সে ভ্যানের ওপর ঘুমোত, তবুও ওই ভ্যানটিকে একটি শিকলের সাহায্যে তার নিজের পায়ের সঙ্গে বেঁধে রাখতো সম্ভবত এই ভাবনায় যে ভ্যানটি তার সঙ্গেই আছে। এইভাবে এক্কা মহম্মদ, শিকল আর ওই ভ্যান, একে অপরের সঙ্গে একটি আত্মবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিল।

এরপর বেশ কিছুটা সময় পেরিয়ে একরাত প্রচন্ড জ্বরে ভুগে এক্কা ওই ভ্যানেই মরে পড়ে থাকে। পরের দিন দেরিতেও ঘুম না ভাঙায় আসে পাশের লোক জন তাকে ডাকতে গেলে ব্যাপারটি পরিষ্কার হয়ে যায়. যাই হোক ভ্যানের থেকে এক্কাকে আলাদা করে তাকে কবরস্থ করা হয়. ভ্যানটি আসেপাশেরই একটি লোক সর্ব সম্মতি ক্রমে নিয়ে তার জীবন নির্বাহের কাজে লাগিয়ে দেয়। শিকলটিকে কাছের একটি আস্তাকুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়।

এক্কা নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারতো কারণ সে জানতো তার পায়ে, ভ্যানটি শিকল দিয়ে বাঁধা আছে। সে এখন পরম নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে। কিন্তু সে কী জানতে পারছে যে সমস্ত ধরণের প্রাণী যারা চলছে ফিরছে তারা যখনই হোঁচট কিংবা ধাক্কা খাচ্ছে, তা তার ওই শিকলের জন্য। কারণ এক্কার সেই প্রিয় ভ্যানটিকে, তার কাছে আর সেই ভ্যানের কাছে, তার প্রিয় মানুষ এক্কাকে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য, ওই শিকলটি সেই আস্তাকুঁডের মধ্যে অবস্থান করে তার দু – প্রান্ত থেকে, মাটির উপরে সমস্ত দিকে, অজস্র – অসংখ্য – অগনিত শাখা – প্রশাখার বিস্তার ঘটিয়ে, এই পুরো পৃথিবীকে আষ্টেপৃষ্টে ঘিরে চলেছে।

                             *******************************

।। হাড় ।।

অভিষেক দত্ত রায়

সারি সারি কাটা হাড় খোঁজে পরিচয়

যুদ্ধেরও ধর্ম হয় জানত না অশরীরী প্রেম।

ছিন্ন হাড় এখন শুধু নিথর শরীর খোঁজে-

উদভ্রান্ত সত্ত্বাকে উড়িয়ে দিয়ে মেঘ পানে চায়।

বিলাসিতায় দহিত সভ্যতা অসভ্যতার মোড়ক ছেঁড়ে-

হত্যা ভালোবাসা গুলিকে উপরে দিয়ে সুখ পায়।

ধর্ম ধর্ম বলে উচ্চস্বরে চিৎকার করে ওঠে বর্তমান

তা দেখে-

পরিহাস করে কবরে শুয়ে থাকা কঙ্কাল।

রাস্তার ইঁট গুলিও নাম জানে

ঘাম ঝরানো মানুষদের

স্বার্থপর ইতিহাসে কিছু সত্য ধর্মে চাপা জঞ্জাল।

পরিণত হওয়ার আগেই জড়িয়ে পরে সামাজিক ভ্রষ্টাচারে,

হৃদয়ের সূক্ষ্ম হাড় চেতনা হারায় কোলাহলে।

মাথার খুলিও ধর্মের পতাকা তোলে আকাশময়,

ধর্ম কেবল জব্দ যেন বন্দুকের নলে।

এরপরেই-

সারি সারি কাটা হাড় খোঁজে পরিচয়।

****************************************

।। মোহভঙ্গ ।।

আক্রাম সেখ

রাতের অন্ধকার কাটিয়াছে

দিনের আলো নামিয়া আসিয়াছে,

সূর্য উঠিয়াছে, হইয়াছে প্রভাত।

আচমকা তোমায় ঘরের দ্বারে দেখিয়া বন্ধু,

হইলাম আমি হতবাক।

অবাক হইয়া একদৃষ্টে কিছুক্ষণ

চাহিয়া রইলাম তোমার তরে,

দুলিতেছে খেয়ালগুলো সব

যেন কল্পনার ঝড়ে।

ভাবিলাম, হয়ত আসিয়াছ তুমি

সমস্ত অতীতের কথা ভুলে,

অনুধাবন করিলাম আমি

এবার হয়ত বসিয়াছে মৌমাছি,

আমার জীবনের ফুলে।

ঘুম ভাঙ্গিল আমার

সময় হইয়াছে বিছানা ছাড়িবার,

বিছানা ছাড়িয়া, বাহিরে বাহির হইয়া

দেখিলাম আকাশ,

দেখিলাম, আকাশের অবস্থা মেঘলা

তাই সূর্য ওঠেনি….

আর বহিছে এ জীবনে যেন,

উত্তরের শুস্ক বাতাস।

 *********************************

।। ভাল নেই ।।

সৈয়দ হুমায়ুন রাণা

মরা ভাল নেই আজ
চারিদিকে বিষবার্তা সংগোপনে

ছন্দে ছন্দে বাতাসে ছড়ায়,

অসুন্দরের সুর দৈত্যের বাণী হয়ে

বসন্তের স্নিগ্ধতাকে হার মানায়।

একই আকাশের নিচে বাস করি

স্নিগ্ধ মধুর হাওয়া মাখি গায়ে

গঙ্গা পবিত্রতা রেখে ছুটে যায়

সাগরের পানে।

শীতল স্পর্শে গাত্র জুড়াই ভায়ে ভায়ে

তবুও এত কীসের গল্প!

আদিমতার হবে না কী শেষ ?

গল্পের ধারাবাহিকতা চলতেই থাকবে

প্রজন্ম হতে প্রজন্ম ?

মানবিকতার পূজারিরা মুখ লুকোয়

গুহা কন্দরে,

বিষাক্ত লু বইছে – যেও নাকো বাইরে

নিশ্চুপে পড় সভ্যতার ইতিহাস…..

        ***************************

।। শরীর চর্চার আগে খাবার খান নিয়ম মেনে ।।

 

রীর স্বাস্থ্য ভাল রাখতে নিয়মিত শরীর চর্চা করা জরুরী। শরীর চর্চার সময় অনেকেই ফলের রস খান। যা অ্যাসিডের কারণ। ভরা পেটে কখনও শরীর চর্চা করা যায় না। আবার খালি পেটেও শরীর চর্চা করা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। জেনে নিন, শরীরচর্চার আগে কোন ধরণের খাবার খাবেন।

হাঁটা : ব্যস্ত জীবনে যারা নিয়ম মেনে শরীর চর্চা করে উঠতে পারেন না তারা সকালে মর্ণিং ওয়াক করুন। সকালে সময় না পেলে সন্ধ্যাবেলাতেও হাঁটাহাঁটি করতে পারেন। এমন ভাবে হাঁটবেন যাতে ঘাম ঝড়ে। হাঁটার 3-4 ঘন্টা আগে যদি পুষ্টিকর খাবার খান তাহলে হাঁটতে যাওয়ার সময় কিছু খাওয়ার প্রয়োজন নেই। মর্ণিং ওয়াকে যাওয়ার সময় খিদে পেলে খেতে পারেন একটি ন্যাশপাতি/ আপেল / অর্ধেক কলা।

দৌড়ানো : দৌড়াতে গেলে অনেকটা শক্তির প্রয়োজন। তাই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে দুধজাত খাবার এড়িয়ে চলুন। এক কিলোমিটারের বেশি দৌড়লে কমপক্ষে 1 ঘন্টা আগে খাবার খেতে হবে।

শক্তি বাড়ানোর প্রশিক্ষণ : এটি এমন এক ধরণের শরীর চর্চা যাতে পেশীর সংকোচন ও প্রসারণ ঘটে। এই ধরণের শরীর চর্চা দেহে শক্তির সঞ্চার করে, কাঠামোকে সুগঠিত করে, ধৈর্য্য বাড়ায়। শরীর চর্চার সময় ক্যালোরি ক্ষয় হয়। তাই প্রোটিন জাতীয় খাবার খান।

যোগ ব্যায়াম : যোগাসনের আগে ভারি খাবার খাবেন না। এইসময় আঁশ যুক্ত ফল, কলা, বাদাম, বেরি, ওটমিল বেশ কার্যকরী।

সাইকেল চালানো বা দড়ি লাফ : সুস্থ থাকতে সাইকেল চালান অভ্যেস করুন নয়তো লাফান দড়ি খেলুন। এর 1 ঘন্টা আগে যব / কলা / ডিম / সেদ্ধ ব্রোকলি খাওয়া যেতে পারে।

সাঁতার : সাঁতারের আগে হজমে সমস্যা সৃষ্টিকারী খাবারগুলিকে এড়িয়ে চলুন। সাঁতারের আগে ফলের রস সঙ্গে একটা টোস্ট, কলা ইত্যাদি শক্তি বর্ধক খাবার খেতে পারেন।

     ******************************

।। চিকেনের ভিন্ন ধারার রেসিপি, লেমন পেপার চিকেন ।।

বেশি রিচ খাবার খাবনা। অথচ চাই নতুন ধরণের রেসিপি। এমনই একটি ভিন্ন ধারার রেসিপি হল লেমন পেপার চিকেন। চিকেন রেজালা, চিকেন কষার বাইরে বেরিয়ে এবার টেস্ট করুন একটি অন্য ধরণের রেসিপি। দেখে নিন কীভাবে বানাবেন রেসিপি লেমন পেপার চিকেন।

উপকরণ : বোনলেস চিকেন 300 গ্রাম, অলিভ অয়েল হাফ কাপ, গোলমরিচ গুঁড়ো 1 চা চামচ, ধনে পাতা কুচি 1 চা চামচ, পাতিলেবু 2 টি, আদা ও রসুন বাটা 1 টেবিল চামচ, নুন পরিমাণমত।

প্রণালী : প্রথমে চিকেনগুলিকে ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। রান্না করার আগে ওভেনটিকে 180 ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় রাখতে হবে। এবার একটি পাত্রে ধনে পাতা কুঁচি, গোল মরিচের গুঁড়ো, সামান্য তেল, আদা রসুন বাটা , পরিমাণ মত নুন দিয়ে ভাল করে ম্যারিনেট করতে হবে। এবার এই মিশ্রণে যোগ করতে হবে চিকেন। 10 মিনিট পরে ওভেন প্লেটটি তে একটু তেল মাখিয়ে দিয়ে দিতে হবে ম্যারিনেট করা চিকেন। এই সময় ওভেনের তাপমাত্রা থাকবে 180 ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। এরপর অপেক্ষা করতে হবে 10 থেকে 12 মিনিট। তারপর উপরে ধনে পাতা, লেবুর খোসার গুঁড়ো, পারনিস দিয়ে গার্ণিশিং করে গরম গরম পরিবেশন করুন লেমন পেপার চিকেন।

**************************************