অনুভাকে দেখে রবীন্দ্র সঙ্গীত শুনতে চাইলেন শত্রুঘ্ন

এসবিবি :  রবিবাসরীয় সন্ধ্যা। হলভর্তি মন্ত্রমুগ্ধ দর্শক। মঞ্চে তখন অনুভা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাগ্নিক সেন। পাটনা শহরের রবীন্দ্রভবন ভাসছে সুরের জাদুতে। সঙ্গীতজগতের লেজেন্ড হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের স্মরণে আয়োজিত সঙ্গীত সন্ধ্যা “ইয়ে নয়ন ডরে ডরে।‘’ হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের কালজয়ী গান গাইছেন সাগ্নিক সেন। ডুয়েট গানে সঙ্গত দিচ্ছেন অনুভা। গান শেষ হতেই দর্শকের প্রথম সারির আসন থেকে অনুরোধ, “অনুভা জি অ্যান্ড সাগ্নিক জি আপ লোক মেরে ফেভারিট রবীন্দ্র সঙ্গীত আমি চিনি গো চিনি তোমারে .. শুনাইয়ে।” অবাক দুই শিল্পী, অবাক হল ভর্তি দর্শক। কারণ রবীন্দ্রগানের এই অনুরোধ করছেন বলিউডের সুপারস্টার এবং বিদ্রোহী বিজেপি সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। গান শুরুর আগেই তাঁর অনুরোধকে করতালিতে স্বাগত জানালেন সকলে। দুই শিল্পীর রবীন্দ্র গানে ঋদ্ধ হলেন শ্রোতারা। করতালি দিয়ে শিল্পীদের সাধুবাদ জানালেন শত্রুঘ্ন সিনহা। শিল্পীদের নিজের হাতে সম্বর্ধনা দিলেন তিনি ।
রীন্দ্রগানের সুরে বারবার ভাসতে চান বলে  শিল্পীদের জানালেন শত্রুঘ্ন সিনহা।  কথায় কথায় রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ে কিছু সুরের তুলনা করলেন তিনি। জানালেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক যোগের কথা। ব্যস্ততার কারণে এই অনুষ্ঠানে 20 মিনিট থাকার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু সুর তাকে বেঁধে রাখল 2 ঘণ্টা। হল ছেড়ে যাওয়ার আগে দুই শিল্পীকে জানিয়ে গেলেন ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা।

এমন এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে অভিভূত শিল্পীরাও। কলকাতা ফিরে দুই শিল্পী সাগ্নিক সেন ও অনুভা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, “জীবনের সেরা পাওনা হল শত্রুঘ্ন জি-র রবীন্দ্র গানের অনুরোধ।” পাশাপাশি তাঁরা ধন্যবাদ জানালেন অনুষ্ঠানের  অন্যতম আয়োজক ডাঃ অজিত প্রধানকে। যিনি একজন বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। এবং উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে নিয়মিত চর্চা তাঁর। নভরস স্কুল অফ পার্ফমিং আর্ট-র সঙ্গে যুক্ত হয়ে এইধরণের সঙ্গীত অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। ভবিষ্যতে এমন অনুষ্ঠানের আগাম আমন্ত্রণ পেলেন দুই শিল্পী।