পণের দাবিতে গৃহবধূ খুন, দানা বাঁধছে রহস্য

এসবিবি: ফের পণের বলি এক গৃহবধু। নৃশংস অত্যাচার চালিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে তাঁর শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। যদিও শ্বশুরবাড়ির দাবি আত্মহত্যা করেছেন ওই গৃহবধূ। তবে এ কথা মানতে রাজি নয় তাঁর পরিবার। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে ইতিমধ্যেই আইনি পরামর্শ নেওয়া শুরু করেছেন তাঁরা। কিন্তু বাঁকুড়ার এই গৃহবধূ  রিমি আঠার রহস্যমৃত্যুতে আসছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য।

বছর দশেক আগে বাঁকুড়ার যুবক পিন্টু আঠার সঙ্গে পরিচয় হয় অর্পিতার। প্রেম করে বিয়ে করেন তাঁরা। তাঁদের একটি সাত বছরের সন্তানও হয়। কিন্তু অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে মাঝেমধ্যেই মারধর করা হত অর্পিতাকে। পণ চেয়ে মারধর করা হত বলে পরিবারের অভিযোগ। অভিযুক্ত পিন্টু সে ভাবে কিছু করত না। তবে তাদের পারিবারিক ব্যবসা আছে। অর্পিতার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়মমাফিক মেয়ের খোঁজ নেওয়ার জন্য মঙ্গলবার সকাল 10টায় ফোন করেন। তখন পিন্টু বলে আত্মহত্যা করেছেন অর্পিতা।

কিন্তু মেয়ের শরীরের একাধিক জায়গায় সিগারেটের ছ্যাঁকা ও কালসিটে দাগ দেখতে পান রিমির বাবা-মা। হাত সহ শীরের বেশ কয়েকটি জায়গায় কাটাও ছিল।  প্রথমে সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করতে যান রিমির বাবা। কিন্তু বাঁকুড়ায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে, সেখানেই অভিযোগ দায়ের করতে হয়।  পরিবারের অভিযোগ, পণের দাবিতেই খুন করা হয়েছে রিমিকে। যদিও এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেফতার হননি।