রবিবারের বাবুইবাসা : 30.09.2018

।। ফৌজি জীবন ।।

হুমায়ুন রাণা

মার পোষ্টিং খালেশ্বরে হয়ে গেল। মেজর বৃন্দাসাহেব আমাকে ছাড়তে চাননি। আমার জেদাজেদিতেই, ছাড়তে বাধ‍্য হয়েছিলেন। হ‍্যাঁ, ওনার ক্ষমতা ছিল বিস্তর।বৃন্দাসাহেব ইচ্ছে করলে, আমাকে না ছাড়তেই পারতেন। কিন্তু, আমি অনুরোধ করায়, তিনি আর আমাকে আঁটকাননি। সুতরাং, সরাসরি আমি ট্রান্সিটক‍্যাম্পে রিপোর্ট করলাম। এই ক‍্যাম্পটি চন্ডিগড়েই অবস্হিত। এদের কাজ হল, যেসব সৈন‍্যকর্মী পাহাড়ি এলাকায় পোষ্টিং, তাদের প্লেনে করে নিজেদের ইউনিটে পৌঁছে দেবার সুব‍্যবস্হা করা। সৈন‍্যদের থাকা-খাওয়া এবং সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রণ করাই একমাত্র কাজ। কেননা হাজার  হাজার সৈন্য কর্মী ঐসব পাহাড়ি এলাকায় প্রতিদিন যাতায়াত করে। গ্লেশিয়ারের পোষ্টগুলিতে এই ট্র‍্যান্সিটক‍্যাম্প থেকেই যাতায়াত করতে হয়। প্লেন ছাড়া গতি নেই। লে-লাদাখ গরমের সময় ফৌজিগাড়ি চেপেও যাওয়া যায়। অন‍্যসময়টায় বিশেষ করে শীতের সময়, পাহাড়ের স্লাইডিং হয়ে রাস্তা বরফাচ্ছাদিত হয়ে পড়ে।যাতায়াত করা দুরুহ এবং বিপদজনক।

সুতরাং, আমি ট্র‍্যান্সিটক‍্যাম্প থেকে ডকোটায় চড়ে, প্রতাপপুর হেলিপ‍্যাডে গিয়ে নামলাম। প্রতাপপুরেও একটি ট্র‍্যান্সিটক‍্যাম্প রয়েছে।বন্ধুদের ডকোটা সম্পর্কে বলি, এটি একটি খুব বড় প্লেন‌। একশোর অধিক সৈন‍্য যাতায়াত করতে পারে। সেই ডকোটায় চড়ে,পাক্কা 55 মিনিটে প্রতাপপুরে অবতরন করলাম।

চারিদিকে সুউচ্চ পর্বত পরিবেষ্টিত প্রতাপপুর যেন যমদূতের মত সৈন‍্যদের প্রতিক্ষা করে। এখানে জওয়ানেরা লড়াই করতে আসে। কেউ হেরে যায় জীবন থেকে নয়তো বীরবিক্রমে জীবনের সমস্ত বাধাবিপত্তি কে জয় করে। এখানে পাহাড়ের গায়ে গায়ে শত্রু পক্ষের শিবির।পাঁচটি বর্ডার। তাদের মধ‍্যে চিরশত্রু পাকিস্তান অন‍্যতম। এ এক অদ্ভূত মৃত‍্যুপুরী!! হু হু করে ঠান্ডা হাওয়া বইছিল। কোটটি বাইরে ছিল পরে নিলাম। ক‍্যাম্পে গিয়ে, সবার সঙ্গে আমিও চা-ডিম খেলাম। একজন বললো : “মেজর যিতনা মর্জি আন্ডা খাইয়ে, কৈ মনা নেহি।”আমি সবার দেখাদেখি চারটে ডিমসেদ্ধ খেয়ে, চক্ষুলজ্জার খাতিরে তখনকার মত মুখকে আরাম দিলাম। তারপর এগিয়ে গেলাম, গাড়ি খুঁজতে। সামনের একটা ফাঁকা স্হানে লাইন দিয়ে শক্তিমান গাড়িগুলো দাঁড়িয়ে ছিল।আমি 510 2ASCBn, বলতেই একজন নায়েক আমাকে জিজ্ঞেস করলো :  আপহি রাণা স‍্যার হ‍্যায়? “আমি বললাম : হাঁ, ম‍্যায় হুঁ ক্রাফ্ট ম্যান এসডি, হুমায়ুন রাণা লোকটি বললো :  আইয়ে স‍্যার,  মেরে সাথ আইয়ে।”আমি নায়েক খুশবাহ-র সঙ্গে একটি গাড়িতে চড়ে বসলাম।আমাদের গাড়িটি পাহাড়ের গা বেয়ে দূর্গম রাস্তায় এগিয়ে চললো। রাস্তার ডানদিকে সুবিশাল পাহাড়, বামদিকে গভীর খাদ। ড্রাইভার একটু অন‍্যমনস্ক‍্য হলে, হাজার ফুট নিচে গিয়ে পড়ব।বেঘোরে, অকালে প্রাণ হারাব। আমি তখন মনে মনে মেজর বৃন্দাসাহেবকে স্মরণ করছিলাম। উনি আমাকে স্নেহবশতঃ পোষ্টিং রুখে দিতে চেয়েছিলেন, আমি তাঁর ভালবাসা,  স্নেহ বুঝতে পারিনি। আমি একটি বোকা, অধম ছেলে!আমি নিজেকেই দোষারোপ করছিলাম। আর কি হবে ভেবে? যো হোগা হোগা, খোদাকি মন্জুর!! বহুকষ্টে ঘন্টা দুয়েক পরে, ইউনিটে পৌঁছুলাম। সুউচ্চ পর্বতের নিচে আমার ইউনিটটি।আমাকে হেডকোয়ার্টার প্লাটুনে নিয়ে গেল ড্রাইভার।আমার আগমনের সংবাদ চাউর হতে বন্ধুরা সব এগিয়ে এল। আমার জিনিস পত্র ধরে ব‍্যারাকে নিয়ে এল। ব‍্যারাক বলতে কাঠের ছোট্ট ঘর। শোবার খাটগুলো সব লোহার, ডবল ডেকার। নিচে একজন শোবে, উপরে একজন শোবে। ঘরের মধ‍্যে সিকড়ি জ্বলছে। শিকড়ি হল একরকম চুল্লি।ডিজেলে আগুন জ্বলে।ধূমো বাইরে বেরুনোর জন‍্য লম্বা পাইপ আছে।ব্বাঃ সিস্টেম তো বেশ! সিকড়ি জ্বালানোর ফলে, ঘরটা গরম থাকে। আমাদের সিনিয়র একজন অফিসার এসে আমার সঙ্গে পরিচয় করে গেলেন।সুবিধা অসুবিধার কথা জানলেন। আমাকে বললেন : “আপনি সাতদিন চুপচাপ ঘরে বসে থাকুন,টুকটাক ঘুরে ইউনিটটা দেখুন। সাতদিন ক্লাইমেট সেট হলে, সেকশানে নিয়ে যাব। উনি আমার সিনিয়র,  সুবেদার শার্দূল সিং। পরে ওঁর সঙ্গে মেলামেশা করে, বুঝতে পারি ভদ্রলোক অতি মানবিক।আমরা অন‍্যায় কিছু করলেও, ক্ষমা করে দিতেন। শার্দূলসাবকে এখনও খুব মনে পড়ে।

আমি টেকনিক্যাল গ্রুপের লোক(EME, Electronic Al mechanical, engineering)।আমরা চারজন লোক এই ইউনিটে পোস্টেড। আমাদের সিনিয়র ছিলেন, শার্দূল সাব।আমরা ASC(Army Supply corps)গ্রুপে এসেছি পোষ্টিং।একে বলে,ইয়ারি পোষ্টিং।আমরা আমাদের মত ই থাকতাম। আমাদের মূল কাজ ছিল, ওদের গাড়ি,আর্মস,ইলেক্টিক‍্যাল কাজগুলো দেখার। এখানে মেজর রিপিয়ার হতো না। ছোটোখাটো রিপিয়ার।বড় কিছু রিপিয়ার দরকার হলে,পাশেই আমাদের গ্রুপের ইউনিট ছিল, ফর ওয়ার্ড করে দিতাম।……তো সাতদিন আরাম করে, কাজে জয়েন করলাম।কর্নেল ঝুম্মনসিং-এর ইন্টারভিউয়ে গেলাম। লোকটিকে আমার ভালো লাগেনি।দেখতে কুৎসিত একটি লোক।ওঁর গোঁফ-দাড়ি পেকে লাল হয়ে গেছিল ঠিক যেমন মেহেন্দি করা চুলের মত। ভদ্রলোকের কথাবার্তা ও ছিল নিরস।তাঁর প্রথম প্রশ্ন ছিল”আপকে আনেমে ইতনা দের কিঁউ হুয়া?”আমি প্রত‍্যুত্তরে বললাম : “আমাকে মেজর বৃন্দাসাহেব ছাড়েননি। নিজের ইচ্ছেমতো কি করে আসি বলুন।

-“কিঁউ কোই ভি আই পি থা আপ?”

-“হাঁ,ভি আইপি থা।”

-“ক‍্যাইসা ভি আই পি!!”

-“মোটরসাইকেল সেকশান কা ইন্চার্জ থা ম‍্যায়।”আমিও মনে,মনে ক্ষিপ্ত ছিলাম লোকটির প্রতি।আমার প্রতি উনি বিশেষ খুশি হলেন না।আমিও ঝুম্মনসিংকে পছন্দ করিনি। বেরিয়ে এলাম অফিস থেকে।প্রথমদিনটা এইভাবেই কাটলো। তবে আমার সহকর্মীগুলো খুব ভালো। নায়েক সিন্ধে,ক্র‍্যাপ্টস্ ম‍্যান মোহনলাল,নারায়নান যথেষ্ট ভালো ছেলেছিল।আমি তাদের প্রতি আজও কৃতজ্ঞ।ওরা আমাকে সবদিক থেকে সাহায্য করতো।মেস থেকে খাবার বয়ে নিয়ে এসেও খাওয়াতো।একটি সুসম্পর্ক ছিল।

***********************

।। পরকীয়া বৈধ নাকি অবৈধ ।।

মৌসান

রকীয়া নিয়ে মহামান্য আদালতের রায়ের ভুল ইন্টারপ্রিটেশান করে চলেছি আমরা। আমরা অনেকেই সেকসান 497 এর ধারাটা ভাল করে জানি না। স্বাধীনতার আগে তৈরি হয়েছিল আইনটা।100 বছর আগে। এখন সামাজিক পরিস্থিতি ভিন্ন,  তাই ঐ একই আইন লাগু হতে পারে না। আইনটাতে দুটি বড় ফাঁক ছিল।

  1. স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোনও পুরুষ যদি সেই স্বামীর স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সঙ্গম করে তাহলে ফৌজদারি আইনে তার পাঁচ বছর জেল হবে। প্রথমত কোনও নারীর যৌন ইচ্ছার উপর কোন পুরুষের অধিকার থাকতে পারে না। নারী পুরুষের সম্পত্তি নয়। দ্বিতীয়ত একই আইনের আওতায় পুরুষটি শাস্তি পাবেন, অথচ নারীর কোনও শাস্তির বিধান ছিল না। এটা তো হতে পারে না। পরকীয়া যদি অপরাধ হয়, তাহলে দুজনেই দোষী। তা না হলে সংবিধানের 14 নম্বর ধারাকে কন্ট্রাডিক্ট করা হয়।
  2. এই আইন সংবিধানের 21 ধারাকে লংঘিত করছে। রাষ্ট্র বা আদালত কোন মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না। যৌন সঙ্গম কিন্তু ব্যক্তি স্বাধীনতার মধ্যে পড়ে। তথাপি, স্বাধীনতা ও স্বেচ্ছাচারিতার মধ্যে একটা থিন লাইন আছে। আমরা যদি সেই লক্ষন রেখাকে মেনটথেইন করতে না পরি, তবে আইন আদালত কি করবে?

সেকারণে সুপ্রিম কোর্ট সেকশান 497 কে অবৈধ ঘোষনা করেছে। আদালত এও জানিয়েছে যে যৌন সঙ্গম কোন ক্রিমিনাল অফেন্স হতে পারে না। আমার মতে এটা জাস্টিফায়েড। কারণ তাহলে দেহ ব্যবসাও ক্রিমিনাল অফেন্স। যারা প্রস কোয়ার্টারে নিয়মিত যাতায়াত করেন ঘরে বৌ রেখে,  তাহলে তাদেরকেও দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি বিধান করতে হয়। মহামান্য আদলত উভয়ের সম্মতিক্রমে যৌন সঙ্গমকে অপরাধ বলে মান্যতা দেন নি। এটা ভীষন ভাল একটা পজিটিভ স্টেপ। কেন?

আমাদের মত উপমহাদেশে পরকীয়া উত্তোরত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার বড়ো একটা কারণ সেক্স এডুকেশানের অভাব। প্রপার সেক্স এডুকেশান নেই বলেই পরকীয়ার বাড়বাড়ন্ত! সেক্সটা শরীর ও মনের জন্যে খুব প্রয়োজন। স্ত্রী ও স্বামী দুজনেরই দুজনকে পরিতৃপ্তি দেওয়ার ক্ষমতা কম বেশী থাকা উচিৎ। সমস্যা থাকলে একে অন্যের সঙ্গে আলোচনা করে, প্রয়োজনে কাউনসিলিং করিয়ে সমস্যার সমাধান করা উচিৎ। প্রসঙ্গত, সকল মানুষের সেক্সুয়াল আর্জ সমান নয়। পারভাসান অপরাধ হলেও হতে পারে, আর্জ কখনও অন্যায় হতে পারে না। আর আমি যেহেতু ক্রিয়েটিভ মানুষ, তাই ভাল করে জানি যে শারীরিক ও মানসিক উভয় প্রেমই ক্রিয়েটিভ কাজে কতখানি ইন্সপিরেসান দেয়।

তাই আদালত শুধুমাত্র এনজয়মেন্ট করার জন্যে পরকীয়া আর দাম্পত্য অসুখের কারণে পরকীয়াকে আলাদা করে দেখতে চেয়েছেন।

পরকীয়া প্রেমের দ্বারা সাফার করছেন এমন স্ত্রী ও পুরুষকে ডিভোর্স ফাইল করার অধিকার দিয়েছেন। এর চাইতে ভাল আর কিছু হতেই পারে না। ভাঙা সম্পর্ককে টেনে নিয়ে যাওয়ার কোন মানে নেই। অন্য কারোর সঙ্গে থাকতে চাও তো ডিভোর্স কর। তবে এক্ষেত্রে ডিভোর্স ও বিবাহ আইন অনেক বেশি ফ্লেক্সিবল হওয়ার প্রয়োজন আছে। আদালত রাষ্ট্র সবসময় মেয়েদের প্রোটেকশান দিতে চাইছেন। ভাল কথা। কিন্তু আইনের ফাঁক গলে শিক্ষিত ও চাকরী করা মেয়েদের দ্বারা নির্যাতিত পুরুষের সংখ্যা নেহাৎ কম নয়। আমি পুরুষদের নিয়ে লিখি, তাই খুব ভাল করে জানি যে এমন অনেক মেয়ে আছে, যারা তাদের স্বামীর সঙ্গে থাকতেও চায় না আবার ডিভোর্সও দিতে চায় না। স্বামী যদি ডিভোর্স চান তখন উদ্ভট একটা অ্যামাউন্ট ক্লেইম করে বসেন, যাতে পুরুষটি পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয়। এছাড়াও সামাজিক প্রেশারটাও বড় বাধা ডিভোর্সের ক্ষেত্রে। বেশীর ভাগ মানুষ এখনো মনে করেন যে বিবাহ বিচ্ছেদ অপরাধ। মেনে নিতেই পারেন না। বিশেষ করে পুরুষরা, তাদের মেল ইগোতে ঘা লাগে যে! তাই জীবন্ত লাশ হয়ে বেঁচে থাকা একজন পুরুষ একটুখানি খোলা হাওয়া পাওয়ার জন্যে পরকীয়ায় লিপ্ত হবে এটাই স্বাভাবিক।

অন্য ভাবে বলা যায় যে আইনটা সহজ হয়ে যাবার জন্যে গাছের খাব,  তলারও কুড়াবো পুরুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে নিঃসন্দেহে। আমি পুরুষের কথা তুললাম কারণ আমাদের দেশে 90 শতাংশ মেয়েই বিয়ে করে সেটেল্ড হতে চায়,  তা সে মুখে স্বীকার না করুক। তা সে মহিলাটি সিঙ্গল,  ডিভোর্সী বা উইডো যাই হোক না কেন? কিন্তু প্রেম করে বিয়ে করবে এমন পুরুষের সংখ্যা বেশ কম। বিশেষ করে রবিবারের পাত্রী চাইয়ের পাতার অ্যাডগুলো দেখলে মানুষ হিসাবে নিজের লজ্জা লাগে। একজন ডিভোর্সী পুরুষ যার সন্তান আছে, তিনি নিঃসন্তান ডিভোর্সী, উইডোর সঙ্গে বিয়েতে আগ্রহী। মানেটা হল এই যে বাছুরের সঙ্গে গাই তারা কিনবে না? কেউ কেউ তো আবার সিঙ্গল পাত্র খোঁজে। ম্যারেজ ব্যুরো গুলোতেও দেখেছি ব্যাচেলার’স লাইফ লীড করতে বেশি উৎসাহী পুরুষরা।

সুতরাং যারা বিয়ে প্রতিষ্ঠানকে বাঁচিয়ে রাখার কথা ভাবছেন, তারা বুঝতেও পারছেন না যে বিবাহ নামক বিষয়টি পুরুষের কাছেই আর প্রাধান্য নয়। এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন আছে বলেই আমি মনে করি। আলটিমেটলি পরকীয়া প্রেমে মেয়েরাই বেশি কষ্ট পায় অনেক ক্ষেত্রে। তবে সেইসব মেয়েরা যারা ইমোশানাল লাভকে শরীরের আগে রাখে। কিন্তু এমন মেয়ের সংখ্যাও কিছু কম নয় যারা স্বামীকে ছাড়বে না আবার অন্য পুরুষের সঙ্গ এনজয় করতে ভালবাসে। এরকম তো চলতে পারে না। তবে এখন কিন্তু পুরুষরাও প্রমান দাখিল করে এই গ্রাউণ্ডে ডিভোর্সের জন্যে অ্যাপ্লাই করতে পারবেন।

সুতরাং গেল গেল রব তোলার দরকার এখনই নেই। তবে আইনটা আরও ফ্লেক্সিবল হওয়া উচিৎ ছিল। বিবাহ আইন ও ডিভোর্স আইনকে এর সঙ্গে সংযুক্ত করা উচিৎ ছিল।

আদালত 306 ধারাকে সংযুক্ত করেছেন পরকীয়ার সঙ্গে। পরকীয়া প্রেমের কারণে যদি আত্মহত্যা করে কেউ,  তবে এই ধারায় অপরাধীর শাস্তি হবে। এটা কিন্তু বেশ কঠিন সিদ্ধান্ত। আমি এর সমালোচনা না করে পারছি না।

সাইকলোজিস্টরা বলেন, যারা সুইসাইড করে তাদের মানসিক স্থিতি আলাদা হয়। সত্যিই কি তাদের কোন কারণ দরকার হয় সুইসাইডের জন্যে? এটা মানসিক দূর্বলতা। যেমন চাইলেই কেউ খুন করতে পারে না, তেমনিই চাইলেই যে কেউ আত্মহনন করতে পারে না। আমাদের দেশে  নারী, পুরুষ নির্বিশেষে সকলেরই সন্দেহ প্রবনতা কাজ করে। সোসাল মিডিয়ার যুগে তো আরো বেশি বেশি করে বাড়ছে। সন্দেহ বাতিক  একটা অসুখ। তেমনি যারা আত্মহত্যা করে তারা মানসিক ভাবে অসুস্থ। তার সঙ্গে পরকীয়া প্রেমকে জড়িয়ে দেওয়া একেবারে উচিত কাজ হয়নি। উল্টোদিকে বধু নির্যাতনের মতই খুনকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া খুব একটা অসম্ভব হবে না।

এবার আসি, আইনত পরকীয়া বৈধ নাকি অবৈধ সেই প্রসঙ্গে। আইনত ঘুষ দেওয়া নেওয়াও তো অপরাধ! কজন মানছে আর কজন শাস্তি পাচ্ছে। আবার ধর্ষনের জন্যে বেশ শক্তপোক্ত আইন হয়েছে। তবুও তো ধর্ষন থামছে না! তাই পরকীয়া বৈধ নাকি অবৈধ তা তো আমাদেরই স্থির করতে হবে।

পরিশেষে বলবো, আমাদের বিবেক কি মৃত? আইন যাই থাক না কেন? আমরা তো মানুষ থেকে বনমানুষ হয়ে যাই নি। আমি একজন বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতেই পারি, কিন্তু মানসিক বা শারীরিক ভালবাসা কিভাবে করতে পারি? যখন জানি যে আমার কারণে সেই পুরুষটির স্ত্রী ও সন্তান কষ্ট পাচ্ছে? অন্যের চোখের জলের বিনিময়ে আমরা কি নিজের সুখভাগ্য লিখতে পারি?

আর অন্যদিকে একজন পুরুষ যদি মনে করেন যে তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে সুখী নন, তাহলে সাহস থাকে তো বেরিয়ে আসুন। বিবাহ বিচ্ছেদ খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা। মেনে নিন সত্যকে। একদিকে স্ত্রী, অন্যদিকে প্রেমিকা দুজনকেই তো বলি চড়াচ্ছেন নিজের সুখের জন্যে। কিছু পেতে গেলে তো কিছু ত্যাগ স্বীকার করতেই হয়। আপনার যদি সৎ সাহস থাকে তবে আইন, রাষ্ট্র নিশ্চয় আপনার পাশে থাকবে। বিচ্ছেদের কথা মাথায় রেখেই বলছি, বিয়ে খুব সুন্দর একটি প্রতিষ্ঠান। একাকীত্ব কখনোই কাম্য নয়। কারণ একা একা কোন মানুষ ভাল থাকতে পারে না। তাই ভালবাসলে কিংবা প্রেম করলে কমিটেড হতে শিখুন। অন্যথা সকল মেয়েদের বোন আর মা ভাবুন। মানসিক নপুংসকদের কাছ থেকে সেটাই একমাত্র প্রত্যাশা।

**************************

 

।। শৈশবের পুজো ।।

পার্থসারথি গুহ

7-8 বছর বয়সী কয়েকটা ছেলে মেয়ে পাড়ার দুর্গা পুজোর সময় ঠাকুর আনতে যাওয়ার জন্য বেজায় জেদ করত। যথারীতি বড়রা গোঁ ধরে থাকত এই বলে, পড়াশুনার নামগন্ধ নেই। আবার ঠাকুর আনতে যাবে। অনেকটা একই ব্যাপার ঘটত কলাবউ স্নান করতে যাওয়ার সময়, আর ঠাকুর ভাসান পর্ব চলাকালীন। খানিকটা এমন ঘটত যারা কিছুতেই ঠাকুর আনতে যেতে পারে নি, তারা পরের কোটা অর্থাৎ কলাবউ স্নান বা ভাসানে চান্স পাবে। ওদের নিউবালিগঞ্জ এলাকায় এটাই হয়ে উঠেছিল দস্তুর। টুকলু, পিকলু, রিক, বাবাই, স্নেহা আর পূজারা কিন্তু বড়দের এই অনুশাসন মেনে নিয়েছিল। তবে মনে মনে ওদের জিদ চেপেছিল, দাঁড়াও আমরা একবার বড় হই, ঠাকুর আনা থেকে বিসর্জন সবেতেই মাতব্বরি করব আমরা। আজ বাবা বা জেঠু-কাকু যারা আমাদের যাওয়া নিয়ে এত ফতোয়া দিচ্ছে তখন ওদের কাঁচকলা দেখিয়ে বড় শোভাযাত্রা নিয়ে বেরব আমরা। নিজেদের মধ্যে পুচকিগুলো এসব ভাব বিনিময় করত, আর খিলখিল করে হাসত। যেই বড়রা সামনে আসত তখন যথারীতি প্রসঙ্গ পালটে ফেলত।

‌পুজোর কিছুদিন আগে, বলা ভালো প্যান্ডেল তৈরির সময় থেকেই নিউবালিগঞ্জ ব্যায়াম সমিতি ক্লাবের এই পুচকে  ব্রিগেড রীতিমতো দখল নিয়ে নিত মাঠ চত্ত্বর। বাঁশের প্যান্ডেলে ওঠা নিয়ে সেকি লম্ফঝম্প। স্কুল থেকে ফিরেই টুকলু, পিকলুরা ছুটে আসত ক্লাব প্রাঙ্গনে। আসলে স্কুল আর পড়াশুনার মাঝে কিছুটা সময় দয়াবশত হয়ে ওদের ব্রেক দিতে বাধ্য হতেন গার্জিয়ানরা। যদিও কানের পাশে সারাক্ষণ ফাটা রেকর্ডের মতো বাজত মা-কাকিমাদের শাসনবানী। বেরোচ্ছিস বেরো। 6 টার মধ্যে ঘরে ঢুকতে হবে কিন্তু। পড়তে বসতে হবে। মনে রাখিস হাফ-ইয়ার্লিতে মোটেই ভালো ফল হয়নি। ফাইনাল পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট করলে বোর্ডিংয়ে পাঠিয়ে দেব কিন্তু। বাবাই-পূজারা এক কান দিয়ে এসব কথা শুনত। আরেক কান দিয়ে তা উগড়ে দিত। তারপর যথারীতি প্যান্ডেলের বাঁশে ঝোলাঝুলি শুরু হত। সেকি লাফালাফি আর হইচই। এভাবে কোথা দিয়ে যে মতো  দু ঘন্টা কেটে যেত তা বুঝতেই পারা যেত না। যখন সম্বিৎ ফিরত তখন কানমলা খেয়েই কার্যত রণভঙ্গ দিতে হত। বাবা বা তার বন্ধুরা অফিস থেকে তখন না ফিরলেও বাবাদের পরের ব্যাচ ছিল ভীষণ কড়া। তাদের মধ্যে বেচুদা ছিল ছোটদের কাছে রীতিমতো যম। কানমলা বা গাট্টা তো দিতই, কানের সামনে ঝালাপালা দিয়ে বলে উঠত, ঘড়িতে কটা বাজে খেয়াল আছে রাজপুত্র-রাজকন্যাদের। এবার তো পরীক্ষায় ফেল কেউ আটকাতে পারবে না।

পুজোর কটাদিন অবশ্য টুকলু, পিকলু, রিক, বাবাই স্নেহা, পূজাদের সঙ্গে ওদের মামাতো ভাই, পিসতুতো দাদা, মাসতুতো বোনেরা এসে যোগ দিত এই পুচকে শিবিরে। ওরা ৬ জন, আর তুতো ভাই বোন 5 জন মিলে একেবারে একটা ক্রিকেট বা ফুটবল টিমের মতো 11 জনের টিম হয়ে উঠত। এই ক্ষুদে একাদশের সেকি দস্যিপনা। তখন অবশ্য এসব মোবাইল টোবাইলের বালাই ছিল না, কার্টুন দেখা নিয়েও তোড়জোর  চলত। পুজোর 4-5 টা দিন এই পুচকি বাহিনির সেরা রসদ ছিল ক্যাপ বন্দুক। দুটো দলে ভাগ হয়ে প্যান্ডেল ঘিরে নিজেদের মধ্যে চলত চোর-পুলিশ খেলা। ক্যাপের ফটফট আওয়াজে তখন চাপা পড়ে যেত ঢাকের আওয়াজও।

এভাবেই হইচই করে কেটে যেত দুর্গাপুজোর সোনাঝরানো কটা দিন-রাত। অষ্টমীর অঞ্জলির দিন নতুন পাজামা-পাঞ্জাবি পরে বড়দের সঙ্গে সারি দিয়ে দাঁড়াতে বেশ লাগত। পূজা-স্নেহারা আবার লাল পেড়ে শাড়ি পরত। কয়েকটা মুহূর্তের জন্য  হঠাৎ করেই বড় হয়ে ওঠা। এর মধ্যে যে যার পরিবারের সঙ্গে ঠাকুর দেখার ফাঁকে একদিন অবশ্য এই হল্লা ব্রিগেড একসঙ্গে বেরনোর ছাড়পত্র পেত। অবশ্য পাড়ার সবজান্তা রামু কাকু, হারু কাকু আর নিতাই জেঠু ওদের বডিগার্ড হত বড়দের আদেশে। সন্ধ্যেবেলা বাড়ি থেকে বেরিয়ে ঘন্টা দুয়েক ওদের এই ঝটিকা সফরের জন্য ব্যয় হলেও কখনও কখনও ভিড়ের ঠেলায় আরও সময় বাড়ত। ঠাকুর হয়তো সাকুল্যে 8-10 টা দেখা হত। তার থেকেও বেশি মজা হত আলুকাবলি, ভেলপুরি, রোল, কোল্ড ড্রিংক খাওয়া নিয়ে। সারা বছরের এই কয়েকটা ঘন্টা যেন ওদের ছোটদের কাছে হাতের চাঁদ পাওয়ার মতো হত।

‌আজ সেই শৈশব থেকে যৌবন হয়ে প্রায় মধ্যবয়সে বাইপাস করেছে টুকলু -পিকলুরা। পাড়ার পুজো এখনও চলছে ঠিকই। তবে কাজের চাপ আর পেশার বিড়ম্বনায় ওদের দলটাই গিয়েছে ভেঙে। পূজা আর স্নেহা দুজনেই রীতিমতো গিন্নি হয়ে স্বামী-সন্তানের বৃত্তে আটকা পড়েছে। ওরা থাকেও অনেক অনেক দূরে। পূজা ক্যালিফোর্নিয়ায় আর স্নেহা রোমে। বাকি চার মূর্তির মধ্যে টুকলু থাকে মুম্বইতে আর পিকলু আমস্টারডামে। রিক কলকাতাতে থাকলেও চলে গিয়েছে শহরের পুরো অন্য প্রান্তে। আর বাবাই সবার উর্দ্ধে চলে গিয়েছে এক মারণ রোগে আক্রান্ত হয়ে তাও বছর  দশেক। আজ দুনিয়ার নানা প্রান্তে থেকে ওরা পুজোর দিনগুলোতে কেমন যেন হাতড়ে বেড়ায় ওদের সেই শৈশবকে, ক্যাপের সেই ফটাফট আওয়াজকে। বড়দের দেখিয়ে দেখিয়ে  পুজোর শোভাযাত্রা করার সুযোগ ওদের মেলেনি, কারণ বাবা-মায়েরা তো ততদিনে অন্য কোনও গ্রহের টিকিট কেটে বসে আছেন। যে দুনিয়ায় হয়তো এখনও সবাই মেতে উঠতে পারে পুজোর আনন্দে।

******************

।। জীবন মরু পথের যাত্রী ।।

আক্রাম সেখ

না জানি, সেই দিন আসবে কবে…

মাথার উপর জমে থাকা

শীতল পুঞ্জীভূত মেঘ,

বৃষ্টি হয়ে ঘনিয়ে নামবে।

গ্রীস্মের দাবদাহে, সবকিছু পুড়ে

হয়েছে ছারখার,

ক্ষত-বিক্ষত জরাজীর্ণ আমি,

তবুও করছি দূর রাস্তা পারাপার।

ক্লান্ত বিদীর্ণ চোখ, খোজে শুধু শান্তির নীড়..

যেখানেই যাই না কেন,

সেখানেই রয়েছে একাকীত্বের ভীড়।

এ জীবনের পথ শুস্কময়

ঠিক যেন সুবিশাল মরুভূমি,

উষ্ণতায় নয়, যন্ত্রণায় উত্তপ্ত আজ

সেই মরুভূমির বালুরাশি।

মরুদ্যানের উদ্দেশ্যে আমি

হয়েছি যেন, ক্লান্ত পথের যাত্রী..

কেটে তো যাচ্ছে সময়,

তবুও পেরোচ্ছে না সুবিশাল রাত্রি।

হেঁটে চলেছি মরীচিকায়

আশেপাশে রয়েছে বালিয়াড়ি,

আমার জীবনের পথ শুস্ক..

তাই স্বজন-প্রিয়জনরাও নিয়েছে আড়ি।

জানি না,জীবনের এই দুর্গম পথ

কবে হবে শেষ?

পাড়ি দিয়ে অন্য পথ,

হব নিরুদ্দেশ।

******************

।। শিবকথা ।।

 অমিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

 

দুগ্গি, দুগ্গি তুমি কি বাপ্পের বাড়ি যাওয়ার লেগে এত্তো গুম্মে লিচ্চো লাকি।

দুগগি ঘুম্মে গেলো, ইবারে

সঞ্জে বেলা বাতি জাইলে

ছন্দে দেবে কে?

এইতো ইবার গইরে এলো সঞ্জে,পাকিরা বাছায় ফিরে এল,

তারা পুটলো চাঁদ উটবে এবারে।

আত্তি বিলা ওয়ে এল উর গুম বাঙাবে কে।

 ছেই দুটো ডাঙর মিয়া উরা হাটে গেছে,

ছোমত্ত দুতো মিয়া ছেনা লিয়ে ছেনমা দেক্তে গেল,

চ্ছাছাতী আর  নক্কির ছঙে গেচে ফেলার লাম লেই।

দুতো দাম্মা দাম্মা বুলো জামাই, বেম্বো আর লারু  তাদের হুঁচ নেই যে।

আমাকে নোব দেক্কে গেল

চটি থেকেন দামী ছিদ্দি কিনে এনে কাওয়াবে চ্ছেই নেগেই যেতে দিনুম

ই বাপুরে দ্যাকেন ইমাগিতাও গুম্মে গেলো গো।

ও দুগগি উটে পর, আমার ইবার গ্যাজা তানার ছোময় ওয়েছে।

কাল থেকেন তো লন্দি বিঙ্গী ছব দিবে আইকের দীনতা তুই দিবিক যকন উতে পড়।

*************************

।। নখ দেখুন, সতর্ক থাকুন ।।

সুন্দর নখ যেমন দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভাঙা নখ তেমন ডেকে আনে বিপদ। নখের রং দেখে সতর্ক হন। হতে পারে লুকিয়ে রয়েছে বিপদ।

হলুদ নখ :  অনেকের নখ হলদেটে হয়ে থাকে। এর কারণ হতে পারে অ্যাক্রিলিক। অতিরিক্ত অ্যাক্রিলিক-এর ব্যবহারে নখের রং হলুদ হয়ে যায়। এছাড়া শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলেও নখের রং পরিবর্তন হয়।

নখে সাদা ছোপ: নখের ভেতরে ছোট সাদা ছোপ হতে পারে ক্ষুদ্র কণিকার আঘাতের ফলাফল। তবে কিছু ছোপ হয় ছত্রাকজনিত কারণে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

নখে ভাঁজ : টিস্যুজনিত কারণে নখে ভাঁজ পড়ে। এছাড়া লিভারের রোগ সিরোসিসের কারণেও ভাঁজ পড়তে পারে নখে।

 নখ থেকে ছাল ওঠা : নখে আঘাত পাওয়ার কারণেই এই ঘটনা বেশি ঘটে। নখ দিয়ে কোনও কিছু খোলার চেষ্টা করলে বা নেইল পলিশ ওঠানোর সময় অতিরিক্ত রিমুভার ব্যবহার করলে নখ থেকে ছাল উঠতে পারে। তবে, এমনটা হলে বুঝতে হবে শরীরে আয়রনের অভাব ঘটেছে।

গোল ছোপ: নখের উপর বৃত্ত তৈরি হওয়া এবং ওই অংশের রং পরিবর্তন হলে বুঝতে হবে বৃক্কজনিত সমস্যা রয়েছে। এই উপসর্গের সঙ্গে থাকতে পারে অস্বস্তি, অবসাদ, ওজন কমে যাওয়া, ডায়বেটিস ইত্যাদি।

নখ ভেঙে যাওয়া: অনেকক্ষণ ধরে জলের কাজ করলে বা  হাত ভেজা থাকলে নখ দুর্বল হয়ে পড়ে। আর সেই কারণেই ভেঙে যায় নখ। আবার শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাবেও ভঙ্গুর হতে পারে নখ।

কালো ক্ষত: নখে কালো ক্ষত হওয়া মারাত্বক। আর তার উপর যদি যদি নখের পাশ দিয়ে রক্তপাত হয় এবং প্রদাহ তৈরি হয় তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

*************************

।। রেসিপি : স্টিমড চিকেন ।।

চিকেনের একটি ভিন্ন ধারার রেসিপি হল স্টিমড চিকেন। কীভাবে বানাবেন দেখে নিন রেসিপি।

উপকরণ :  বোনলেস চিকেন – 300 গ্রাম (পাতলা স্লাইস করে কাটা), আদা কুচি 1 টেবিল চামচ, রসুন বাটা 2 টেবিল চামচ, নুন  স্বাদমত, চিনি  স্বাদমত, চিলি সস 2 চা চামচ, টম্যাটো সস 2 চা চামচ, উস্টারশায়ার সস  2 চা চামচ, গোলমরিচ গুড়ো  হাফ চা চামচ, গাজর লম্বা করে কাটা  হাফ কাপ, মটরশুটি  হাফ কাপ, ক্যাপসিকাম হাফ কাপ (লম্বা করে কাটা), অলিভ ওয়েল 1 টেবিল চামচ
প্রণালীসব উপকরণ দিয়ে চিকেন আধ ঘন্টা ম্যারিনেট করে রাখুন। এইবার ম্যারিনেড করা চিকেন একটা স্টিলের টিফিন কৌটোতে রেখে প্রেশার কুকারে স্টিম করে নিন। 2 টো সিটি  দিলেই হবে।  এবার টিফিন কৌটো খুলে দেখে নিন বেশ মাখা মাখা হয়েছে কিনা। গরম গরম সার্ভ করুন কড়া টোস্টের সঙ্গে। এটা একটা হেলদি মিল হতে পারে |

*************************