সেপ্টেম্বর সেটব্যাকের জেরে উইকএন্ডেও বেহাল লগ্নিকারীরা, ঘেঁটে গিয়েছে বিনিয়োগ

পার্থসারথি গুহ

অত্যন্ত খারাপ একটা সপ্তাহ শেষে উইকএন্ডে গিয়েছে শেয়ার বাজার।প্রত্যাশিতভাবেই লগ্নিকারীদের সেই ফুরফুরে মেজাজও নেই যে অর্থবাজার নিয়ে কপচানি চালায়। শুধু মাঝেমধ্যে নিজেদের শেয়ারের দাম 2-3 সপ্তাহ আগে কি ছিল, আর এখন কি হল তা দেখে নেওয়ার পালা চলছে। বলাবাহুল্য, অনেকটাই কমে যাওয়া দাম দেখে থেকে থেকে দীর্ঘশ্বাস পড়ছে ট্রেডারদের। দুটো দিন ছুটি যে ঠিকমতো উপভোগ করবে তার বালাই নেই। তবে এর মধ্যেও কিছু শেয়ার বিশেষজ্ঞ তথা বাজার নিয়ে মাথা ঘামানো ব্যক্তি ছকে নিচ্ছেন আগামী কিছুদিনের স্ট্র‍্যাটেজি।

নেতিবাচক পরিস্থিতিতে লেনদেন কিভাবে চালিত হবে। তার সঙ্গে এখনও যেসব সেক্টর বা নির্দিষ্ট শেয়ার ভালো অবস্থায় আছে তার হালচাল বুঝে নেওয়া হচ্ছে জোরকদমে। আসলে টানা ব্যাটিং করার পর ফিল্ডিং করতে নামলে যে অবস্থা হয় ভারতীয় শেয়ার বাজারে এখন ঠিক সেই পরিস্থিতি চলছে। এখনও মনের মধ্যে বুলদের মতো ইতিবাচক কুহু কুহু ডাক চলছে। অন্যদিকে হাতেগরমে বেয়ারদের ছ্যাঁকায় হাত পুড়ছে, থুড়ি শেয়ারের দাম পড়ছে। এমনিতে 11 হাজার ভেঙে নিফটি যেমন আতঙ্ক ছড়িয়েছে 36 হাজার ভেঙে গেলে আরও বড় কাঁপুনি দেখা যাবে সেনসেক্সে।

এমতাবস্থায় পরিবর্ত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এখনও অর্জন করতে পারেনি সূচকজোর।  আগামী বেশ কিছুদিন এই অবস্থা জারি থাকলে নিশ্চিতভাবে সেই সমস্যা সমাধানের রাস্তাও বাতলে দেবেন লগ্নিকারীরা। নিজের আঙ্গিকে সেই অবস্থার মোকাবিলা করার উপায়ও বেরোবে তখন। তবে ফার্মা, তথ্যপ্রযুক্তি আর ধাতুর শেয়ার কারেকশন পরবর্তী অধ্যায় কিনলে লাভবান হওয়ার যোগ তৈরি হবে এটা বোঝার জন্য জ্যোতিষ চর্চা না করলেও চলবে।