ঝলমলে আকাশে মহাষষ্ঠী, দেবীর ঘুম ভাঙালেন রামচন্দ্র

এসবিবি : তিতলি এখন অতীত। ঝকঝকে আকাশ। রোদ ঝলমলে সকাল। মহাষষ্ঠী রাজ্য জুড়ে। কৈলাশ ছেড়ে বাপের বাড়ি পা রাখলেন ঊমা। আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল দুর্গোৎসব। পুরাণে বর্ণিত আছে, এই দিনেই মাকে জাগিয়েছিলেন রামচন্দ্র। এই সময় দেবী ঘুমিয়ে থাকেন। সূর্যদেবও দক্ষিণায়নে। কিন্তু কেন জাগাতে হল দেবীকে? রাবণবধের জন্য দেবীকে দরকার। তাই শুরু করলেন অকাল বোধন। এই ষষ্ঠীতেই তিনি অকাল বোধনে জাগিয়ে তোলেন দেবীকে। এদিন কল্পারম্ভের মাধ্যমে পুজোর সূচনা হয়। বোধন, আমন্ত্রণ আর অধিবাসের মাধ্যমেই দেবীকে বরণ করে নেওয়া হয়। উন্মোচিত হয় মায়ের মুখ।

বাঙালির কাছে দুর্গা আসলে ঊমা। গণেশ, কার্তিক, লক্ষ্মী, সরস্বতীকে নিয়ে তাঁর বাপের বাড়ি আসার দিন। মহিলারাই তাঁকে বরণ করেন। তাই আজ সকাল থেকে মণ্ডপে মণ্ডপে মহিলাদের ভিড়। এদিনে নবরাত্রি পালনেরও দিন। দেবী কাত্যায়নীর পুজোও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হয়।

আজ মেয়ের ঘরে ফেরার দিন। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। চারদিন পৃথিবী উথাল-পাথাল হলেও বাঙালি ভাসবে পুজোর আনন্দে। পুরাণে বর্ণিত কাহিনির এমন সার্বিক ও বাস্তবিক প্রতিফলন পৃথিবীর অন্য কোনও উৎসবে দেখা যায় না। তাই অনেকেই বলেন, পৃথিবী শ্রেষ্ঠ উৎসব বাঙালির দুর্গোৎসব।