মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে বিশ্বমানের স্কাইওয়াক ভোল বদলে দিয়েছে দক্ষিণেশ্বরের

চন্দন বন্দ্যোপাধ্যায়

 

চন্দন বন্দ্যোপাধ্যায়

কালীপুজোর ঠিক আগের দিন উদ্বোধন হয়েছে দক্ষিণেশ্বরের স্কাইওয়াকের। 24 ঘন্টা কাটরে না কাটতেই অভিযোগ উঠেছিল, রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ মাঠে মারা যাচ্ছে জনগণের অসহযোগিতায়। কারণ, সেদিনই সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল স্কাইওয়াকে গুটখা ও পানের পিক ফেলার দৃশ্য।

যদিও আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ বিশ্ব বাংলার ক্যামেরায় ধরা পড়ল তার বিপরীত চিত্র। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্য সরকার দক্ষিণেশ্বরে যে স্কাইওয়াক রূপায়ন করেছে তা যে বিশ্বমানের তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একটি মাত্র স্কাইওয়াক, যা পুরো ভোল বদলে দিয়েছে ডানলপ-দক্ষিণেশ্বরের চিত্রটা। এতদিন ডানলপ থেকে দক্ষিণেশ্বর মুখী যানবাহন প্রতিনিয়ত সম্মুখীন হতো যানজটের। স্কাইওয়াক চালু হওয়ার পর সেই যানজট কোথায় যেন উধাও।

এমনকি যে সংকীর্ণ রাস্তা ধরে বালি ব্রিজ ও দক্ষিণেশ্বর সংযোগস্থলের মুখ থেকে মায়ের মন্দিরে দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতেন, সেখানে তিলধারণের জায়গা থাকত না এতদিন।তবু মায়ের টানে ওই সংকীর্ণ রাস্তাতেই রীতিমতো ঠেলাঠেলি করে মায়ের মন্দিরে পৌঁছাতেন ভক্তরা। আর এখন স্কাইওয়াকের দৌলতে দর্শনার্থীরা খুব সহজেই পৌঁছে যেতে পারছেন মায়ের মন্দিরের মূল গেটে।

আমরা কথা বলেছি এমন অনেক দর্শনার্থীর সঙ্গে। কথা বলেছি তাদের সঙ্গে, যারা স্কাইওয়াকের এই পথটিকে আড্ডা এবং সময় কাটানোর জায়গা হিসেবেও বেছে নিয়েছেন। অনেকেই আবার আসছেন বিশ্বমানের এই সৃষ্টি চাক্ষুষ করতে। কয়েকদিনের মধ্যেই এখানে চালু হয়ে যাবে বেশ কিছু বুক স্টল, খাবারের দোকান, বিশ্রামাগার। সেই ছবিও ধরা পড়েছে সংবাদ বিশ্ব বাংলার ক্যামেরায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আট থেকে আশি সবাই। আসুন দেখে নি সেই ভিডিও।