মোদি-রাহুল তুলনা হলে এখনও অ্যাডভান্টেজ বিজেপি

এসবিবি: মধ্যপ্রদেশ,ছত্তিশগড় এবং রাজস্থানের ফলের দৌলতে বহুদিন পর কংগ্রেস পায়ের তলায় শক্ত জমি পেয়েছে সন্দেহ নেই।বিজেপি বিরোধী মহাজোটের মুখ হিসেবেও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে পেরেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।কিন্তু লোকসভা ভোটে যখন বিজেপির সঙ্গে মূল প্রতিপক্ষ কংগ্রেসের সম্মুখসমর হবে এবং স্বাভাবিকভাবেই কংগ্রেস সভাপতি রাহুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরাসরি তুলনা হবে? তখন কার লাভ? ঘটনা হল, সেমিফাইনালের ফল যাই হোক, মোদি-রাহুল তুলনা হলে নিশ্চিতভাবেই অ্যাডভান্টেজ বিজেপি।

আরও পড়ুন-ফের তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী পদে চন্দ্রশেখর রাও শপথ নেবেন, বৃহস্পতিবার

মোদিকে নিয়ে সরকারপক্ষে অসন্তোষ যাই থাক,এখনও বিজেপি তথা এনডিএ-র প্রধান ভোট-ক্যাচার মোদি।মোদি-ম্যাজিক ফিকে হয়েছে বলে যাই প্রচার হোক,জাতীয় স্তরে তাঁর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার ধারেকাছে নেই কেউ।আমাদের মতো ব্যক্তিপূজার দেশে অনেকসময়ই সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ চাপা পড়ে যায় নেতার জনপ্রিয়তার আড়ালে।লোকসভা ভোটে বিজেপি বিরোধী দলগুলো যত ব্যক্তি নরেন্দ্র মোদির বিরোধিতা করবে তত তিনিই আমজনতার সহানুভূতি পাবেন।তিন বিজেপি শাসিত রাজ্যে মোদি ম্যাজিক কাজ করেনি,একথা সর্বাংশে সত্যি নয়।কারণ যেসব এলাকায় মোদি সভা করেছেন তার অধিকাংশেই জিতেছে বিজেপি।মোদির সামাজিক-পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ডও জনতার চোখে তাঁকে রাহুলের চেয়ে অনেক এগিয়ে রাখবে।

আরও পড়ুন-তাহলে বিজেপি’র ব্যাটন কি এবার শ্রীরামচন্দ্রের হাতে ?

চাওয়ালা ইমেজটা পরিকল্পিতভাবে সেল করবে বিজেপি।কারণ রাহুলের পারিবারিক কৌলীন্য বা বংশপরিচয়ের গর্বকে ভোঁতা করে দিতে এটাই বিজেপির শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার।সর্বোপরি রাহুল গান্ধী কোনওদিন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেননি।প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা শূন্য।তাঁর সঙ্গে দেশ চালানোর যোগ্যতা নিয়ে মোদির তুলনা হলে তার ফল যে একপেশে হবে তাতো বলাই বাহুল্য।

আরও পড়ুন-মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসকেই সমর্থন মায়াবতীর