“মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ে সমস্যা হবে না”, কনফিডেন্ট রাহুল গান্ধী

এসবিবি : বাইরের যুদ্ধে জয় এসেছে। এবার ঘরের মান-অভিমান সামলাতে হবে রাহুল গান্ধীকে। তবে দৃশ্যত সুশৃঙ্খল এখনকার জাতীয় কংগ্রেসকে এই ইস্যুতে বেশি কাঠখড় পোড়াতে হব না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নির্বাচনের আগে কুশলী রাহুলের মুখ থেকে কোনও রাজ্যেরই প্রজেক্টেড মুখ্যমন্ত্রীর নাম বের হয়নি। কিন্তু ক্ষমতা করায়ত্ত করার পর প্রথম কাজ এটাই। এই ইস্যুতে কংগ্রেসের অন্দরে নবীন বনাম প্রবীণ লড়াই শুরু হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই। কতখানি দক্ষতার সঙ্গে এবং বিবাদ এড়িয়ে কংগ্রেস সভাপতি মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ের কাজটি করতে পারেন, সেটাই এখন দেখার। দেখা যাক কোন রাজ্যে কে হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।

ছত্তিশগড় 

আলোচনা চলছে টি এস সিংদেও, তমরধ্বজ সাহু, ভূপেশ বাঘেলের নাম নিয়ে। এদের মধ্যেই এক জন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। এবারের ভোটপ্রচারে দলের মুখ ছিলেন রাহুল গান্ধী নিজেই। রাজ্যের কাউকেই সেভাবে সামনে আনেননি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা টি এস সিংদেও, অনগ্রসর সম্প্রদায়ের নেতা তমরধ্বজ সাহু বা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভূপেশ বাঘেলের মধ্যে অনেকটাই এগিয়ে আছেন তমরধ্বজ সাহু। রাহুলেরও পছন্দ এই নামটিই।

তমরধ্বজ সাহু● ছত্তিশগড়

■ মধ্যপ্রদেশ

কমল নাথ অথবা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। পাল্লা ভারী কমল নাথের। তবে সিন্ধিয়াও যোগ্য দাবিদার। দাবিদার ছিলেন দিগ্বিজয় সিং-ও। তবে এবারের ভোট প্রচারে রাহুল গান্ধী দিগ্বিজয় সিং-কে ঘরে বসিয়ে রেখেছিলেন। যুক্তি ছিল এই সিদ্ধান্তের। দিগ্বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রীত্বের সময়ের কোনও খারাপ অভিজ্ঞতা মানুষের আলোচনার বিষয়বস্তু করতে চাননি কংগ্রেস সভাপতি। তাই দিগ্বিজয় একটু পিছিয়ে।
নিজে মুখ্যমন্ত্রী হতে না পারলে, দিগ্বিজয় সিং কমল নাথকে সমর্থন করতে পারেন।

সিন্ধিয়া ও কমল নাথ ● মধ্য প্রদেশ

রাজস্থান

অশোক গেহলোট বা সচিন পাইলট। এগিয়ে গেহলোট। তবে রাহুল গান্ধী মঙ্গলবারই ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছেন, “সচিন পাইলট তাঁর যোগ্য মর্যাদা পাবেন না, এটা মনে করার কারন নেই”। আজ, বুধবার বৈঠক ডাকা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করতে।

দূর থেকে তিন মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ের কাজটি খুব শক্ত বলে আর সবার কাছে মনে হলেও মঙ্গলবারই রাহুল গান্ধী বলে দিয়েছেন, “কোনও সমস্যাই হবে না। মসৃণ ভাবেই কাজ হবে।”

গেহলোট ও সচিন পাইলট ● রাজস্থান