রবিবারের বাবুইবাসা : 16.12.18

।। এটাই নাকি শাসন ! ।।

দেবকান্ত কর

   রে ওই মুর্খেরা সব

              এই নাকি তোদের শাসন

              চাকরির নালায় নালায়

               হারিয়ে যায় থালাবাসন |

              যাদের আছে তাদেরকে দিস

             তাই নাকি তোদের সুনাম

              অনাহারে মরছে যারা

              তাদের নাকি সব বদনাম |

             কথার ভাঁজে ভুলিয়ে দিস

             দেওয়া সব ভন্ড কথা

             অল্পেই শান্ত তারা

             বাড়িয়ে যায় নিজের ব্যথা |

            এই নাকি তোদের শাসন

            বোবা হয় সকল কথা    ||

           এভাবে  চলবে না আর

          বাঁচা এবার সবার জীবন

          নইলে মরবি তোরা

          বাঁচা আজ সকল মরণ |

         করবি তো কী করবি কর

         বাবা-মায়ের উড়ন্ত জর

         সর্বনাশি খেলার জ্বালায়

       ভুলে যায় পাড়ার খবর |

      এই নাকি তোদের শাসন

      শুয়ে থাকে সত্য খবর ||

    ******************

।। আমি আছি ।।

অভিষেক দত্ত রায়

মার জাহাজ পাইনি বন্দর

ভেসেই চলে তাই

ফুরিয়ে গেছে রসদ সবই

তোর বিহনে ভাই।

চিঠির ভাজে ঝাঁপসা লেখায়

আছিস আজও তুই

স্তুপের উপর স্তুপ জমেছে

আমার স্বপ্ন কই।

হাতটা ধরে আলত করে

এসেছিলি কাছে

সেদিন থেকেই জীবাশ্ম ছাপ

হৃদয় জুড়ে আছে।

মৃত্যু এলেও থমকে যাবে

আমার পরিণয়ে

নিয়ে যেতেও সময় নেবে

তোর স্মৃতি ঘুচায়ে।

সচল ইন্দ্রিয়েও অন্ধ আমি

অচল আনাগোনা

তুই অন্য আরও ধরেই নিয়ে

বাকি সব রচনা।।

******************

।। “বিধংসী মনের সাধ” ।।

আক্রাম শেখ

মস্ত কিছু তো ঠিকই ছিল

কিন্তু হঠাৎ তুমি!

মেতে উঠলে মনের খেলায়..

ভেঙ্গে নিরাপদ জাহাজ

দূর্যোগময় দিনেও, চড়লে ভেলায়।

অনুভূতিদের পণ্য হিসবে ব্যবহার করলে তুমি,

আর আবেগের করলে কারবার..

যতবার বোঝাতে চেয়েছি

এড়িয়ে গেছ ততবার।

আঘাতে  করেছ  আঘাত

যন্ত্রণায় হয়েছি কূপোকাত,

তবুও করিনি বিন্দুমাত্র চিৎকার।

শুধুমাত্র নিজের প্রয়োজনে

ব্যস্ত হয়েছিলে তুমি, অদ্ভুত আয়োজনে.

মেটাতে নিজের মনের সাধ

ভেঙ্গেছিলে স্বপ্নের সেই সাজানো বাঁধ।

জলোচ্ছ্বাসের ভয়াবহতা অনুধাবন করতে দিই নি কখনোই,

বারবার নিরাপদে সরিয়েছি তোমায়..

পুরোনো ক্ষতে সয়েছি পাথরের আঘাত

তবুও স্বার্থপর বলো আমায় !

হ্যাঁ! আজ আমি বদলে গেছি,

তুমি হাত ছেড়ে ছিলে

আমি সাথ ছেড়েছি..

হয়ত এড়িয়ে যাচ্ছিলে ,

আমি নিজেকে দূর করেছি।

বিদায়লগ্নে শুধু এটুকুই প্রার্থনা,

যা আছে তোমার মনস্কামনা

সমস্তটাই পূর্ণ হোক..

মরলে আমি, মানাতে ভুলো না কিন্তু

একদিনের ‘লোক দেখানো শোক’।।

******************

।। মুখোরোচক রেসিপি : চিকেন শাশলিক ।।

তিথি আপ্যায়নের জন্য একটি সহজ রেসিপি হল চিকেন সসলিক। কীভাবে বানাবেন জেনে নিন প্রণালী।

উপকরণ: চিকেনের ব্রেস্ট পিস কিউব করে কাটা- এক বাটি, আদা বাটা-1 চা চামচ, রসূন বাটা-হাফ চা চামচ, জিরা বাটা-হাফ চা চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো-1 চা চামচ, কাবাব মশলা- 1 চা চামচ, সয়া সস-1 টেবিল চামচ, টমেটো সস-1 টেবিল চামচ, লেবুর রস-1 টেবিল চামচ,
সাদা গোলমরিচ গুঁড়া-হাফ চা চামচ, নুন স্বাদমত, সবুজ ক্যাপসিকাম-কিউব করে কাটা 1টি, লাল ক্যাপসিকাম- কিউব করে কাটা 1 টি, পেঁয়াজ মিডিয়াম সাইজ কিউব করে কাটা-1 টি, সর্ষের তেল-2 টেবিল চামচ।

প্রণালী : একটি পাত্রে টুকরো করে কেটে রাখা চিকেন, সমস্ত মশলা, নুন ও সর্ষের তেল দিয়ে একঘন্টা ম্যারিনেট করে রাখুন। এবার এতে ক্যাপসিকাম ও পেঁয়াজ দিন। এবার শাশলিকের কয়েকটি কাঠি নিয়ে জলে ভিজিয়ে রাখুন। এর ফলে শাশলিক ভাঁজার সময় কাঠি পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। এবার কাঠিতে এক এক করে চিকেন, পেঁয়াজ, ক্যাপসিকাম গেঁথে নিন।

পরবর্তী পর্যায়ে, একটি ননস্টিক প্যানে 2 টেবিল চামচ তেল দিয়ে গরম করে নিন। এবার গ্যাস ওভেনের আঁচ হাই হিট-এ রেখে এতে একটি একটি করে শাশলিক দিয়ে দিন। উল্টেপাল্টে শাশলিক ভেঁজে নিন। ভাঁজার সময় আঁচ কমিয়ে নিতে ভুলবেন না। 12-14 মিনিট এভাবে ভাঁজার পর চারপাশ ঠিকমতো ভাঁজা হয়ে গেলে নামিয়ে নিন। যেকোনও সস দিয়ে পরিবেশন করুন চিকেন শাশলিক।

******************