এই মুহূর্তে দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এসবিবি : সুষমা স্বরাজ, জয়ললিতা, মায়াবতী, শীলা দীক্ষিত, বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মেহবুবা মুফতি। সাম্প্রতিক অতীতে এরা সবাই বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পদে। এক এক করে সবাই সরেছেন। পাঁচ রাজ্যের ভোটের পর বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়াও নেই। এই মুহূর্তে দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী এ রাজ্যের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সর্বভারতীয় রাজনীতিতে সম্ভবত আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিষয়টি আরও উসকে দিয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত। 1998 সাল থেকে দিল্লিতে টানা 15 বছর মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শীলা। ঠিক এই প্রসঙ্গেই PTI-কে শীলা দীক্ষিত বলেছেন, “আমি-সহ প্রতিটি মহিলা মুখ্যমন্ত্রীই প্রথমে ভোটে জিতেছিলেন, পরে হেরে সবাই ক্ষমতা হারিয়েছেন। হারলে তো ক্ষমতা থেকে চলে যেতেই হবে। সেটাই স্বাভাবিক। আমি খুশি যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সগৌরবে মুখ্যমন্ত্রীর পদে রয়েছেন। বিরোধী রাজনীতিতে আগামী ভোটে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।”
ঠিকই বলেছেন শীলা দীক্ষিত। 2018 সালের গোড়াতেও দেশে তিন6 জন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। জম্মু কাশ্মীরে মেহবুবা, রাজস্থানে বসুন্ধরা ও বাংলায় মমতা।কিন্তু কয়েক মাস আগে জম্ম ও কাশ্মীরের সরকার থেকে সমর্থন তুলে নেয় বিজেপি। ফলে মেহবুবার সরকারের পতন ঘটে। বসুন্ধরাও ক্ষমতাচ্যূত হয়েছেন। বাংলায় সংখ্যার প্রবল দাপটের সঙ্গে ক্ষমতায় টিকে রয়েছেন মমতা।


রাজস্থানে বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যূত হয়েছেন বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া। ফলে এখন দেশের এক মাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মমতাই।

জাতীয় স্তরের রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, 2019-এর লোকসভা ভোটে বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই যে অন্যতম মুখ হয়ে উঠবেন তাতে কোনও সন্দেহই নেই। আগামী 19 জানুয়ারির ব্রিগেডে সেই কথা ধ্বনিত হবে গোটা দেশেই।

আরও পড়ুন- অভিবাসী দিবসে ট্যুইট মমতার, ‘শরণার্থীদের জন্য মানবিক বাংলা’