তিন রাজ্যে হারের পরই সংরক্ষণে তাড়াহুড়ো বিজেপির

এসবিবি: মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও রাজস্থানই বদলে দিল প্রেক্ষাপট। প্রতিষ্ঠান-বিরোধিতা যতই থাক, বিধানসভা ভোটে একেবারে তিনটি রাজ্যই যে হাতছাড়া হবে দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি মোদি-অমিত শাহরা।লোকসভা ভোটের মাত্র কয়েক মাস আগে হিন্দি হার্টল্যান্ডে মেগা হারের এই বিজ্ঞাপন যে মোটেই স্বস্তিদায়ক নয় তা বুঝেই সংরক্ষণের তাস খেলল বিজেপি।এর আগে 2014তে এনডিএ ক্ষমতায় আসার পরেই উচ্চবর্ণের সংরক্ষণ বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে নাড়াচাড়া শুরু হয়।কিন্তু তখন সেই উদ্যোগ এগোয়নি, কারণ তখনও পর্যন্ত উচ্চবর্ণের ভোটব্যাঙ্ক অটুট ছিল।দাবি ওঠার আগেই দাবিপূরণ করে প্রচারের ফায়দা হারাতে চায়নি কেন্দ্র।কিন্তু মেয়াদ শেষের মুখে উচ্চবর্ণের ভোটব্যাঙ্ক হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় সংসদ অধিবেশনের শেষবেলায় অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জন্য 10 শতাংশ সংরক্ষণের মাস্টারস্ট্রোক দিলেন মোদি।আর এটা এমন একটা ইস্যু যে মুখে বিরোধিতা করেও সংসদে ভোটাভুটিতে বিরোধিতার ঝুঁকি নিতে পারেনি অধিকাংশ বিরোধী দল।এই বিষয়টিও অবশ্যই মোদি সরকারের সাফল্য।কেন্দ্রের গরিবমুখী পদক্ষেপ হিসাবে একতরফা প্রচার করতে বিল আনার আগে যাতে কাকপক্ষী টের না পায় সেজন্য নিশ্ছিদ্র গোপনীয়তা রাখা হয়েছিল।এমনকী ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকের আগে ফাঁস হওয়ার আশঙ্কায় নির্দিষ্টভাবে সংরক্ষণের নাম না করেই বিষয়টি অ্যাজেন্ডাভুক্ত ছিল।সরকারের এই পদক্ষেপই বুঝিয়ে দিচ্ছে অর্থনৈতিক মানদণ্ডে উচ্চবর্ণের সংরক্ষণের সিদ্ধান্তের কারণটি পুরোদস্তুর রাজনৈতিক।

আরও পড়ুন –বনধে সরকারি কর্মীদের অনুপস্থিতি খতিয়ে দেখার নির্দেশ নবান্নের তরফে