বিধাননগর সেন্ট্রাল পার্কে এখনই প্রায় 25 হাজার সমর্থক, বেড়ে দাঁড়াবে 50 হাজারে

এসবিবি : সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে শুক্রবার সকালেই উপচে পড়া ভিড় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। বৃহস্পতিবার থেকেই শিয়ালদহ, কলকাতা, উল্টোডাঙা স্টেশন হয়ে সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কের শিবিরগুলিতে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। বুধবার বিকেলের পর থেকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মী-সমর্থকরা কলকাতার দিকে যাত্রা শুরু করে দিয়েছেন। একে একে ঢুকছে ট্রেন। সল্ট লেকের শিবিরে বাড়ছে ভিড়।

আরও পড়ুন- আনন্দ থেকে “রানিসাহেবা”, জেলজীবনের পঞ্চম বই কুণালের

● উত্তরবঙ্গ থেকে আসা কর্মী-সমর্থকদের জন্য সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে।

● সেন্ট্রাল পার্কের শিবিরগুলির দায়িত্বে স্থানীয় বিধায়ক তথা দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।

● 40 হাজার কর্মী- সমর্থকদের সেন্ট্রাল পার্কে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দলীয় সূত্রের দাবি, 50 হাজারও টপকে যাবে।

● মালদহ বাদে উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলার কর্মী-সমর্থকদের সেন্ট্রাল পার্কে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

● মালদার কর্মী-সমর্থকরা থাকছেন কসবা গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে।

আরও পড়ুন-শহর সচল রাখতে শনিবার একাধিক ব্যবস্থা, রাস্তায় থাকবে 10 হাজার পুলিশ

● শিয়ালদহ, কলকাতা, হাওড়া স্টেশনে কোনও কর্মী-সমর্থক এলেই সেখানে থাকা ভলান্টিয়াররা তাঁদের বাসে করে সেন্ট্রাল পার্কে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

● বুধবার বিকেল থেকেই কর্মী-সমর্থকরা সল্ট লেকে আসা শুরু করেছেন।

● বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত প্রায় 10 হাজার কর্মী-সমর্থক সেন্ট্রাল পার্কের মাঠে চলে এসেছেন।

● রাতে এই সংখ্যা দ্বিগুন হয়েছে।

● শুক্রবার রাতে এই সংখ্যা পৌঁছে যাবে 40 হাজারে।

আরও পড়ুন- পুলিশ তৎপর থাকলেও মহাব্রিগেডের জেরে যানজট হতে পারে শহরে

● শুক্রবার, আপাতত 40 হাজার মানুষের খাবারের আয়োজন থাকছে সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে। প্রয়োজন হলেই তা বাড়ানো হবে।

● দলীয় কর্মীদের জন্য দিনে চারবেলা ভাত-ডাল, সব্জি-তরকারি এবং ডিমের ঝোলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

● সল্টলেকের ওই মাঠে প্রবল ঠান্ডা। রাতে সেখানে যাতে কারও থাকতে কষ্ট না হয়, তাই তাঁদের জন্য ঢালাও কম্বলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

● একাধিক স্বাস্থ্য শিবির খোলা হয়েছে।

● তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা এখানে আসার পরই প্রথমে তাঁদের নাম নথিভুক্ত করানো হচ্ছে। তারপরে জেলাভিত্তিক তাঁবুতে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন- একদিনের পিকনিকের একান্ত ঠিকানা

● মাঠের এক কোণে স্নান-বাথরুম-খাওয়ারও আলাদা আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে।

● বৃহস্পতিবার রাতেই প্রায় 40 হাজার প্লেট রান্না করা হয়েছে।

● শুক্রবার আরও বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক এসব শিবিরে পৌঁছে যাবেন।

● সারাদিনে চারবেলা করে রান্নার হিসেব ধরলে দেড় লক্ষ প্লেট রান্নার আয়োজন করা হবে।

● যাঁরা ব্রিগেড শেষে জেলায় ফিরতে পারবেন না, তাঁদের জন্য শনিবার রাতে এবং রবিবার সকালেও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে সেন্ট্রাল পার্ক মাঠে।

● এই বিশাল সংখ্যক মানুষ সল্টলেকের মতো অভিজাত এলাকায় থাকছেন, কোনও খারাপ কাজে জড়িয়ে না পড়তে তাঁদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে মাঠ থেকে।

আরও পড়ুন- অমিত শাহর বদলে রাজ্যে আসছেন যোগী আদিত্যনাথ

● যেখান সেখান দিয়ে রাস্তা পারাপার করবেন না, পুলিসি নির্দেশ মেনে চলুন, যত্রতত্র জঞ্জাল ফেলবেন না, ট্রাফিক পুলিসের কাজে সহযোগিতা করুন— সেন্ট্রাল পার্কে আসা কর্মী-সমর্থকদের প্রতি মুহূর্তেই এই ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে ঘোষণার মাধ্যমে।

● ওদিকে, কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে মালদহ ও মুর্শিদাবাদ থেকে আসা প্রায় 30 হাজার কর্মী-সমর্থকের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’