ধোনির ব্যাটে ভর করে অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস ভারতের

এসবিবি স্পোর্টস: এখনও যে দম ফুরিয়ে যায়নি সেটা আরও একবার প্রমাণ করলেন এমএসডি। নিজের চেনা স্টাইলে ম্যাচ ফিনিশ করে আরও একবার নিজের জাত চেনালেন ধোনি। মাহির ব্যাটে ভর করে অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস লিখল কোহলিরা। তিন ম্যাচেই হাফ-সেঞ্চুরি এল ধোনির ব্যাট থেকে। অ্যাডিলেড, ওভালের পর মেলবোর্নেও ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেললেন মাহি। দুরন্ত অর্ধশতরান কেদারেরও।

আরও  পড়ুন- শবরীমালায় এ পর্যন্ত 51 নিষিদ্ধ বয়সের মহিলা ঢুকেছেন, সুপ্রিম কোর্টে পিনারাই সরকার

শুক্রবার টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ক্যাপ্টেন কোহলি। প্রথম দুটো ওয়ানডে-তে টস হেরে রান তাড়া করতে হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার তীব্র গরমে যা অত্যন্ত কঠিন চ্যালেঞ্জ। তাই মেলবোর্নে বিরাট টসে জিতলে যে ব্যাটিং নেবেন, তেমনটাই ধারণা ছিল ক্রিকেট মহলের একাংশের। কিন্তু সবকিছু পাল্টে দিয়ে মেলবোর্নে ব্যাটিং ছেড়ে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন মেন ইন ব্লু।

আরও  পড়ুন- বিয়ের আসরে গুলি, আহত কনে

প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত যে একেবারে ভুল সিদ্ধান্ত ছিল না তা হাতে না হাতে প্রমাণ করে ছাড়লেন চাহাল। একাই তুলে নেন ছ’টা উইকেট। দুটি করে উইকেট পান ভুবনেশ্বর কুমার এবং মহম্মদ শামি। ভারতীয় বোলিং অ্যাটাকের সামনে একের পর এক অজি ক্রিকেটার মাঠ ছাড়েন। হ্যান্ডসকোম্ব ছাড়া কেওই অর্ধশতরান টপকাতে পারেনি। অবশেষে নির্ধারিত 50 ওভারের আগেই গুটিয়ে যায় অজি ব্রিগেড। 48.4 ওভারে 230 রান করে মাঠ ছাড়ে অজিরা।

আরও  পড়ুন- পান মশলার বিজ্ঞাপনে যুক্ত হওয়ায় ট্রোলড অনুষ্কা শর্মা

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মাত্র 9 রানে মাঠ ছাড়েন হিটম্যান। এরপর ব্যাট হাতে মাঠে নামেন ক্যাপ্টেন কোহলি। তবে পার্টনারশিপ হওয়ার আগেই ফিরে যান ধাওয়ান। করেন 23 রান। এরপর কোহলির ব্যক্তিগত 46 রানের ইনিংসের পর মেলবোর্নে শুরু হয় ধোনি-যাদব শো। অজি বোলারদের রীতিমত শাসন করেন ধোনি-যাদব জুটি। এরপর আর কাওকে ক্রিজে আসতে হয়নি। নিজের চেনা ফর্মে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ধোনি। 87 রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন তিনি। সঙ্গে যোগ্য সঙ্গ কেদারের। তিনি করেন 61 রান।

আরও  পড়ুন- কাশীপুরের নর্থ সুবারবান হাসপাতালে হবে আরজিকর-এর সুপার স্পেশালিটি সেন্টার

পরপর দুই ওয়ান ডে ম্যাচ জিতে সিরিজ দখল করল ভারত। অজিদের ডেরায় গিয়ে টেস্টের পর ওয়ান ডে তে কোহলিদের সাফল্য যে বিশ্বকাপের আগে কোহলিদের এক বড় প্রাপ্তি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সঙ্গে ফিনিশার ধোনি। বিশ্বকাপে তাঁকে চাই ই চাই তা একপ্রকার স্পষ্ট করলেন মাহি।