তৃণমূলের ব্রিগেড নিয়ে সমান উৎসাহ বাংলাদেশেও

এসবিবি: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে বিজেপি বিরোধী জোট গড়তে সর্বভারতীয় বিভিন্ন দলের হেভিওয়েট নেতারা শনিবার ব্রিগেডের মঞ্চে উপস্থিত। আর এই ঐতিহাসিক ঘটনায় রীতিমতো মেতে উঠেছে প্রতিবেশী বাংলাদেশ। প্রতিবেশী দেশের প্রথম শ্রেণির দৈনিকে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে তা লক্ষ্য করলে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, শনিবারের ব্রিগেড সভা কোন বার্তা দিচ্ছে ভারতকে সেদিকে কিন্তু নজর রাখছেন বাংলাদেশের মানুষ।

আরও পড়ুন- ব্রিগেড পূর্ণ, শহরেও সভামুখী স্রোত

নিশ্চয়ই ভাবছেন কী ছিল সেই প্রতিবেদনে?“বিজেপির সাইকেলযাত্রা, মমতা বাজাবেন ‘মৃত্যুঘণ্টা”-গত বুধবার সুপ্রিম কোর্টে বঙ্গ-বিজেপির রথযাত্রার আবেদন বাতিল এবং আজ শনিবারের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে প্রকাশিত খবরের শিরোনামে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের দৃষ্টিভঙ্গি বেশ স্পষ্ট।

আরও পড়ুন- ব্রিগেডে পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

কেউ কেউ মনে করছেন , এতটা উন্মুক্ত-রাজনৈতিক শব্দচয়নে মনে হতেই পারে, এটা নিশ্চয় শাসক দলের মুখপত্রের সংবাদ শিরোনাম। কিন্তু আদতে তা নয়। প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির বাংলা সংবাদ মাধ্যম ‘ প্রথম আলো‘য় প্রকাশিত একটি সংবাদ প্রতিবেদনের শিরোনাম এটি।
ভারত-বাংলাদেশ প্রতিবেশী দুই দেশের সাংস্কৃতিক বা অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক অথবা আদানপ্রদান নতুন কোনও বিষয় নয়। সেই সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে দুই দেশই সর্বদা তৎপর। একই ভাবে রাজনৈতিক মতের বিনিময়ও হয়ে থাকে প্রতিনিয়ত। দুই দেশের রাষ্ট্রনেতাদের প্রায়শই এক মঞ্চে দেখতে অভ্যস্ত আমরা।

আরও পড়ুন- ব্রিগেডে পৌঁছে গিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি

সম্প্রতি বাংলাদেশর সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাঁটাতারের এপারে চাপা উত্তেজনা খুব একটা কম ছিল না। একই ভাবে আজ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ নিয়েও ওপারে আগ্রহ থাকবে না, তা কী হয়।

Set featured image