রবিবারের বাবুইবাসা : 27.01.19

।। সতীন যখন ফেসবুক ।।

পার্থসারথি গুহ

 

কমনে ফেসবুক করে যাচ্ছে মেয়েটা

ওদিকে চাতক পানে ছেলেটি চেয়ে আছে

    তার ভুবনভোলানো মুখের দিকে

   যদি একবার দয়া হয় মামনির

মুখবইয়ের জাল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসে

বেশি নয়, কয়েকটা মুহূর্তের জন্য হলেও হবে

তার মধ্যেই যা বোঝানোর বুঝিয়ে দেওয়া যাবে

কিন্তু, কোথায় কি? সেই ফোনের মায়া কাটছেই না

সাবেকি প্রেমের টোটকা তাহলে কি আর ফলবে না

ফোন-প্রেম নিবেদনে মোটেই বিশ্বাসী নয় ছেলেটি

তাই তো এফবিতে লিখতে পারছে না দুকথা

এখনও সেই পুরনো আমলের মতো চোখে চোখের

‌আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যান্ত্রিকতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, রোমান্টিজমকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে অনবরত।

*************************************************

।। জীবন ।।

দীপমালা দাস

তিময় জীবন

       বড়ই ছন্দময়;

শুরু হতে হয় শেষ

       আমাদের জীবন,

এ জীবন বড়ই মধুময়।

আশালতায় আঁকড়ে ধরে

       কেটে যায় জীবন।

বেজে ওঠে বারে বারে

        মনের ক্রন্দন;

কখনও বা বেজে ওঠে

        প্রাণেরও বন্ধন।

চিরকালই জেগে থাকে

        পৃথক পৃথক নেশা।

মনের মধ্যে পেয়ে ওঠে

         হৃদয়ের হ্রেষা;

শিশুমনের কৌতুহলে

    যৌবনের অনুভূতিতে

যদিও বা যায় বোঝা

       স্বপ্ন বাধে বাসা,

পরিণতের কর্মে

      বাসনারত ধর্মে,

আরো কিছু পরে……..

অবশেষে,

      বার্ধক্যের স্মৃতিতে

ধরা পড়ে আকাঙ্খা

      অতীত দিনের কথা;

একসময় তা থেমে যায়,

মনের বাসনা ফেলে রেখে যায় ………. হায়!

সে জীবনে আর ফেরে না

কিন্তু বেঁচে থাকে তার আত্মা,

         যারই নাম

    মিলনাত্মার গ্রন্থসত্ত্বা।

*************************************************

।। জ্বালাস যদি এমনি ভারি ।।

চিন্ময়ী দত্ত

 

1. জ্বালাও যদি এমনি ভারি

     থাকব নাকো শ্বশুরবাড়ি |

    তখন তোমার সঙ্গ ছাড়ি

                      দিয়ে আড়ি__

    তরতরিয়ে,ফরফরিয়ে

   যাব চলে বাপের বাড়ি |

2.  জ্বালাও যদি এমনি ভারি

     মুখটি করে থাকব হাঁড়ি |

     উকুন এনে ছেড়ে দেব

     কুটকুটিয়ে মরবে দাড়ি ||

3. জ্বালাও যদি এমনি ভারি

    কামড়ে দেব যেথায় পারি |

     উঃ উঃ করে মরবে তখন

      বুঝবে আমি কেমন নারী |

4.   জ্বালাস্ যদি এমনি ভারি

       ঘুচবে খাওয়া মাটন কারি |

      এমন কষে, লঙ্কা ঠেসে

       দেব আমি হেসে হেসে

       ঝালের চোটে, পেছন ফেটে

        মরবি তখন মাথা কুটে |

5.  জ্বালাও যদি এমনি ভারি

     বুঝবি বউ বদের ধাড়ি |

      ঝোলো দেব নুনের কাড়ি ,

      পুড়ে যাবে দাঁতের মাড়ি |

6.   জ্বালাস্ যদি এমনি ভারি

       ঠেসে দেব নস্যি ___

      বিশ কোটি হাঁচি হাঁচি

      ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি

                               বুঝবি___

            বউ কত দস্যি |

7.   জ্বালাও যদি এমনি ভারি

                  ধরব নাকো হাল |

        বুঝবে ঠ্যালা , সগ্গে গেলা

         কত ধানে কত চাল |

8.   জ্বালাও যদি এমনি ভারি

              করব অভিমান |

       ভাঙবে না মান মোটেই আমার,

           শুনলে তোমার গান |

9.    জ্বালাও যদি  এমনি ভারি

                               বলবে তুমি___

        এস ফিরে তোমার বাড়ি |

          দেব কিনে লালচে গাড়ি

           ঘুচবে তবে আড়িআড়ি

          যদি পাই সাতটি শাড়ি |

10.   জ্বালাস্ যদি এমনি ভারি

          কেঁদে কেঁদে শুধুই মরি |

         ভালোবেসে থাকব তবু ___

          জীবনভোর সঙ্গে তোর-ই-ই-ই  |

*************************************************

।।সানডে স্পেশাল রেসিপি – পালং পনির।।

 

অনুশীলা দে সরকার

শীতকাল মানেই মরশুমি সবজি। শাক-সব্জি খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। সানডে স্পেশাল মেনুতে রইলো পালং শাক ও দুগ্ধজাত প্রোটিনের যুগলবন্দি রেসিপি, পালং পনির। জেনে নিন রেসিপি।

উপকরণ – পনির 300 গ্রাম চৌকো করে কাটা, পালং শাক 1 আঁটি, আদা ও রসুন কুঁচি হাফ চা চামচ, সাদা তেল, অল্প জল, কয়েকটি কাঁচা লঙ্কা, একটি পেঁয়াজ, গরমমশলা 1 চামচ, ফ্রেস ক্রিম কয়েক চামচ।

প্রণালী – প্রথমে পালং পাতাগুলিকে ভালো করে ধুয়ে একটু ভাপিয়ে নিতে হবে। এরপর ভালো করে জল ঝড়িয়ে নিয়ে পালংপাতার পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে মিক্সিতে। সেই সঙ্গে যোগ করতে হবে আদা ও কাঁচা লঙ্কা ।

পরবর্তী পর্যায়ে সাদা তেলে ভেজে নিতে হবে কুচনো পেয়াজ ও রসুন। এবার পালং পাতার পেস্ট দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করার পর পরিমাণ মত নুন ও মিষ্টি দিয়ে অল্প জল দিন। ফুটে গেলে গরমমশলা ও ফ্রেস ক্রিম ছড়িয়ে পরিবেশন করুন পালং পনির।

*************************************************

।।আপনার জন্ম দাগই বলে দেবে আপনি কেমন মানুষ।।

জন্মের সময় আমরা শরীরে নির্দিষ্ট একটি দাগ নিয়ে জন্মাই। যা  মৃত্যু পর্যন্ত আমাদের শরীরে থেকে যায়। এই জন্মদাগই বলে দেবে কেমন মানুষ। 1960 সালে চিকিত্সক ইয়ান স্টিভনসন জন্মদাগ সংক্রান্ত নানা বিষয় তুলে ধরেছিলেন। যেমন –

  • কাঁধে জন্মদাগের অর্থ হল অর্থাভাব। আর যদি ডান কাঁধে থাকে এই চিন্হ তাহলে বুঝতে হবে চিরকাল ভাগ্য আপনার সহায় থাকবে।
  • বুকের বাঁদিকে জন্ম দাগ থাকলে যেকোনও কাজে সাফল্য নিশ্চিত। এছাড়া আপনার মধ্যে যে রসবোধ রয়েছে তা বুঝতে কারও অসুবিধে হবে না।
  • বুকের ডানদিকের নিচে জন্মদাগ থাকা মানে আপনি সৌভাগ্যবান / সৌভাগ্যবতী। ধন-সম্পদে পরিপূর্ণ আপনার ভাগ্য।
  • যাদের ঘাড়ের ডানদিকে জন্মদাগ রয়েছে তারা ঘরকুনো হন। পরিবারের সাথে সময় কাটাতে বেশি সময় বাড়িতে থাকতে পছন্দ করেন।
  • হাতে জন্মদাগ থাকলে ব্যক্তি নিজের কাজ নিজেই করে থাকেন। অন্যের সাহায্য নিতে এরা পছন্দ করেন না।
  • পেটে জন্ম দাগ থাকার অর্থ হল লোভ আর স্বার্থপরতা। আপনাকে সকলে সমঝে চলবেন।
  • নাকে জন্মদাগ থাকলে বুঝতে হবে ওই ব্যক্তি প্রতিভাবান।
  • পায়ের নিচে জন্মদাগ থাকা মানে ভ্রমণ বিলাসী।

*************************************************

*************************