‌অ্যামাজনকে ঠকিয়ে 30 লক্ষ টাকার প্রতারণা

এসবিবি: একেই বলে স্যাকরার ঠুকঠাক আর কামারের এক ঘা। এতদিন অ্যামাজনে অর্ডার দিয়ে মিলত ইট-পাটকেল। এবার অ্যামাজনকেই বোকা বানিয়ে 30 লক্ষ টাকার প্রতারণা করল একটি চক্র। বিভিন্ন সংস্থার থেকে এই নোটিশ পাওয়ার পরই নড়েচড়ে বসেছে অ্যামাজন। অভিযোগ জানানো হয় মধ্যপ্রদেশ পুলিশের সাইবার সেলে। অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ গ্রেপ্তার করে 27 বছরের এক যুবককে।

আরও পড়ুন- আর মজুমদার নয়, মিসেস পাল এখন পরিচয় অঙ্কিতার

সাইবার সেলের এসপি জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, ধৃত ব্যক্তির নাম মহম্মদ মহুওয়ালা। তাকে বুধবারই পুলিশ গ্রেপ্তার করে। জানা গিয়েছে, ভুয়ো ই-মেল আইডি ও ফোন নম্বর দিয়ে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে অর্ডার করা হত। এই চক্রের সঙ্গেই জড়িত ছিল মহুওয়ালা। সে এই নকল অ্যাকাউন্টগুলি তৈরি করত। ওই ভুয়ো অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই অ্যামাজন থেকে ব্র্যাণ্ডেড এবং দামি দামি জিনিসের অর্ডার দেওয়া হত। এরপর অ্যামাজন থেকে অর্ডার আসার পরেই সেই পার্সেল থেকে ফোন বা গ্যাজেট বের করে তা স্থানীয় বাজারে কম দামে বিক্রি করা হত। অ্যামাজনকে জানানো হত যে সংস্থার পক্ষ থেকে ফাঁকা পার্সেল পাঠানো হয়েছে। তাই অ্যামাজন যেন টাকা ফেরত দিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন- রাজস্থানের উপনির্বাচনে 12 হাজারেরও বেশি ভোটে বিজেপিকে হারালো কংগ্রেস

সবকিছুই প্ল্যানমাফিক চলছিল। বুঝতে পারেনি অ্যামাজনও। কিন্তু বিভিন্ন সংস্থার তরফে অ্যামাজনকে নোটিশ পাঠানো হয় যে তাদের কোনও ত্রুটি নেই। এরপর অ্যামাজন বিষয়টি নিয়ে তত্পজর হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে উঠে এসেছে ওই প্রতারণা চক্রটি দামি মোবাইল সহ পঞ্চাশটিরও বেশি গ্যাজেট অর্ডার করেছিল। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় 30 লক্ষ টাকা। প্রতারণা চক্রটি ওই টাকাই অ্যামাজনের কাছ থেকে প্রতারণা করে ফেরত পেয়েছে। ধৃতের কাছ থেকে 2টি ব্র্যাণ্ডেড মোবাইল ফোন, ওয়্যারলেস রিউটার, হেডফোন, 2টি স্মার্ট ঘড়ি এবং ক্রেডিট কার্ডও উদ্ধার হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। ‌

আরও পড়ুন- বাগরি কাণ্ডে চার্জশিট পেশ