ভ্যালেন্টাইন শব্দেই আতঙ্ক রিঙ্কুর

এসবিবি :কেটে গিয়েছে 8টা বছর। তবুও আতঙ্ক কাটেনি। একটি ঘটনা বদলে দিয়েছে পরিবারটিকে। সঙ্গে গোটা জেলা সদরের পরিবেশ। অন্ধকার রাস্তায় জ্বলে উঠেছে আলো। কিন্তু তবুও আজও এই ভ্যালেন্টাইন শব্দটা শুনলেই ভয়ে কেঁপে ওঠেন রিঙ্কু দাস।

আরও পড়ুন – 100 বছর পর আবার দেখা গেল কালো বাঘ

2011 সালের 14 ফেব্রুয়ারি কলকাতা থেকে ট্রেনে বারাসাত স্টেশনে নেমে ছিলেন রিঙ্কু দাস। দিদিকে সাইকেলে বসিয়ে অন্ধকার পথ ধরে বাড়ি ফিরছিলেন রাজীব। দুষ্কৃতীরা ভাই বোনকে ভেবেছিল প্রেমিক প্রেমিকা। এর পরেই শুরু হয় অসভ্যতা। দিদিকে বাঁচাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে সেই রাতেই খুন হয় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী রাজীব দাস। 2015 সালে আর এক ভালেন্টাইন্স ডে-র আগের দিন রাজীব খুনের ঘটনায় 3 অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় বারাসত আদালত।

বুধবার বারাসাতের বাড়িতে বসে ভ্যালেন্টাইন শব্দটা শুনেই দুই কান হাত দিয়ে চেপে ধরেন রিঙ্কু। কাঁদতে কাঁদতে বললেন, “ও যে আমার ভাই, সেদিন হাতে পায়ে ধরেও তা সেদিন প্রমাণ করতে পারিনি”। ঘটনার পর পাঁচ বছর বাড়ি থেকে বিশেষ ভাবে বের হতেন না রিঙ্কু। মেয়েকে পড়াতে নিয়ে যাবার জন্য বেরোতে হয়। এখন মেয়ে নবম শ্রেণীতে পরে। রাত ন’টা নাগাদ মেয়েকে নিয়ে ফেরেন। বললেন, “এখন আর রাস্তাঘাট রাস্তাঘাটে সেসব সমস্যা নেই। আলো জ্বলছে। সেদিনও এমন থাকলে আজ ভাইটা কততো বড় হয়ে যেত”।

আরও পড়ুন – শহরের প্রতিটি শপিং মলে ‘মাদার-কেয়ার রুম’ বাধ্যতামূলক, নির্দেশ মেয়রের