আজই সম্ভবত বিধায়ক পদে ইস্তফা দেবেন চার তৃণমূল প্রার্থী

এসবিবি : অন্য দল থেকে আসা একাধিক বিধায়ক লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। বৃহস্পতিবারই তাঁদের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে বলা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। ইস্তফা না দিলে জনপ্রতিনিত্ব বিধি এবং দলত্যাগ বিরোধী বিধিতে শাস্তির আশঙ্কা রয়েছে। এই সব বিধিতে শাস্তি হিসাবে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হতে পারে। তাই কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় দল। এই ধরনের ‘দলবদলু’ বিধায়কদের মধ্যেই আছেন কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যাওয়া বিধায়ক অপূর্ব সরকার, আবু তাহের, কানাইয়ালাল আগরওয়াল এবং গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিধায়ক অমর সিংহ রাই। খাতায়-কলমে এই চারজনের সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্কই নেই। অথচ কংগ্রেসের বিধায়ক কানাইয়ালাল আগরওয়াল রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে, অপূর্ব সরকার বহরমপুর কেন্দ্রে এবং আবু তাহেরকে মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্র্রার্থী করেছে। তৃণমূলের হয়ে মনোনয়ন জমা দিতে গেলে বিধায়ক-পদে ইস্তফা দিতে হবে। একই কাজ করতে হবে দার্জিলিঙের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিধায়ক অমর সিংহ রাইকেও। সুতরাং এই চারজনকে এখনই ইস্তফা দিতে হবে বিধায়ক পদ থেকে। এই চার বিধায়ক এবং তৃণমূল একইসঙ্গে আশাবাদী, প্রত্যেকেই জয়ী হয়ে সাংসদ হবেন।
তেমন না হলে এনাদের পরবর্তী কোনও নির্বাচনের অপেক্ষায় থাকতে হবে জনপ্রতিনিধি হতে হলে। একইভাবে ইস্তফা দিতে হতে পারে তৃণমূলের অর্জুন সিং-কে। অবশ্য তিনি যদি দলবদল করে অন্য দলের প্রতীকে ভোটে নামেন, তাহলেই ইস্তফার প্রশ্ন। তুলনায় ‘নিরাপদ’ বিধায়ক দুলাল বর। 2016-র বিধানসভা ভোটে তিনি খাতায় কলমে নির্দল প্রার্থী হিসাবে বিধায়ক হন।