36 ঘন্টার ধরনায় রাজ্যের 120 জন প্রাক্তন আইপিএস! যোগ দিচ্ছেন ভারতী ঘোষ

এসবিবি : শুক্রবার থেকে 36 ঘন্টার ধরনায় বসেছেন রাজ্যের 120 জন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার। মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে এই ধরনা শুরু হয়েছে দুপুর 12 টা থেকে। মূলত, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতেই এই ধরনা করছেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তারা। যেখানে অন্যতম প্রধান মুখ ভারতী ঘোষ। যিনি বর্তমানে বিজেপির সদস্য। ফলে এই ধরনার মূল আকর্ষণই হতে চলেছেন বিতর্কিত এই আইপিএস অফিসার।
তবে, আইপিএস কর্তাদের ব্যানারে এই ধরনা হলেও রাজনৈতিক মহল এটাকে বিজেপির ধরনা হিসেবেই দেখছে। কারণ, এই ধরনায় অংশগ্রহণকারী প্রাক্তন আইপিএসদের বেশির ভাগই এখন গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে যুক্ত। ধরনায় হাজির থাকার কথা আছে দিলীপ ঘোষ সহ রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। ধরনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোটা পশ্চিমবঙ্গ অতিস্পর্শকাতর হয়েছে, একটা বাচ্চা ছেলেও সেটা জানে। পঞ্চায়েত ভোটে এখানে মনোনয়ন দিতে পারেনি বিরোধীরা। মারধর করা হয়েছে। 100 জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত হয়েছেন। সব তথ্য প্রমাণ আমরা নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছি।”

আরও পড়ুন –ফের একবার সন্ত্রাসের ছোবল কাশ্মীরে

প্রসঙ্গত, শুক্রবার থেকেই রানীরাসমণি রোডে ধরনায় বসেছে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস। যার নেতৃত্বে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তৃণমূলের দাবি, রাজ্যের প্রতিটা বুথকে অতি স্পর্শকাতর ঘোষণা করার জন্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। এরপরেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, বাংলা শান্তিপূর্ণ রাজ্য। গোটা দেশের কাছে বাংলার সম্মান নষ্ট করার জন্য বিজেপি চক্রান্ত করছে। আর তারই প্রতিবাদে শুক্রবার থেকে ধরনায় বসেছে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস।
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, নির্বাচনের আগে তৃণমূলের ধরনার পাল্টা হিসেবেই একই দিনে মেয়ো রোডে ধরনায় বসতে চলেছে বিজেপির আইপিএস সেলের সদস্যরা। যেখানে 120 জন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা অংশ নিয়েছন।

আরও পড়ুন –শিক্ষক বদলির বিজ্ঞপ্তি দিয়েও প্রত্যাহার কমিশনের, জানেন কেন?