লক্ষ্য এখন শান্তিপূর্ণ ভোট, লালবাজারে ডিসিদের সঙ্গে বেঠক শুরু মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

এসবিবি : লোকসভা ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। জেলায় জেলায় ভোটের প্রচারকার্যও শুরু করে দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থীরা। লক্ষ্য এখন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ। লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে তাই লালবাজারে ডিসিদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। শুক্রবার সকাল 11 টা 45 মিনিটে শুরু হয়েছে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। সূত্রের খবর, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লালবাজারে ডিসিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।
এই বৈঠকে যে যে বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা,
• রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগমন,
• কোন কোন এলাকায় এই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা হবে,
• কোথায় কত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে,
• পশ্চিমবঙ্গের স্পর্শকাতর এলাকাগুলির চিহ্নিতকরণ,
• সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কার্যকলাপ,
• রাজ্য সরকার তার নিজস্ব বাহিনীকে কীভাবে কাজে লাগাবে ইত্যাদি।

আরও পড়ুন –বিরোধীদের ভিভিপ্যাট মামলায় নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের! বিপাকে নির্বাচন কমিশন

উল্লেখ্য, বাংলাকে ‘স্পর্শকাতর’ আখ্যা দিয়ে বুধবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপির প্রতিনিধিদের একটি দল। এঁদের মধ্যে ছিলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমন, কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়। এদিন পঞ্চায়েত ভোটে ইভিএম ভাঙচুর, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কথা তুলে ধরে রাজ্যে অবাধ ভোটের দাবি জানায় গেরুয়া শিবির। সেইসঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার কথাও কমিশনকে জানান তাঁরা। যেমন কথা তেমন কাজ। কমিশনের নির্দেশ মতোই শুক্রবার রাজ্যে এসে পৌঁছিয়েছে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। পাশাপাশি, এদিন আরও নয় কোম্পানি আধা সেনা আসতে চলেছে বলে খবর ।
ইতিমধ্যেই বীরভূমের মহম্মদ বাজারে শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ। যার নেতৃত্বে রয়েছেন রামুরহাটের এসডিপিও। এছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরেও টহলদারি চালাচ্ছে আধা সেনারা।

আরও পড়ুন –আজ সুপ্রিম কোর্টে ইভিএম সুরক্ষার শুনানি