অবশেষে পুলিশি নিরাপত্তা পেলেন কুণাল

এসবিবি: শেষপর্যন্ত পুলিশি নিরাপত্তা ও দেহরক্ষী পেলেন প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ। স্পেশাল ব্রাঞ্চ এই দায়িত্ব পেয়েছে। আদালতে কুণাল বলেছিলেন এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশের প্রতি তাঁর কোনো অনাস্থা নেই। বারাসাতের বিশেষ আদালত আগেই নিরাপত্তার নির্দেশ দিয়েছিল। আদালত নির্দেশে বলেছে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে কুণালকে নিরাপত্তা দিতে বলা হচ্ছে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। এদিকে আদালতে নির্দেশ জারির পরেও সরকারি উকিলদের একাংশ এনিয়ে আপত্তি তুলে পিটিশন দেন। এনিয়ে বৃহস্পতিবারই আদালতে তাঁদের সঙ্গে কুণালের আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তীর একপ্রস্থ বিতন্ডা হয়। অয়ন বলেন, এর মধ্যে রাজ্য সরকার আসছে কোথা থেকে? আদালতের নির্দেশের পর এই পিটিশন যুক্তিহীন। সরকারি উকিলদের পিটিশন নিয়ে শুনানি হবে বলে ঠিক হয়। তবে নিরাপত্তাদানের নির্দেশ আগেই কেস রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সূত্রের খবর, ক্ষুব্ধ কুণাল আদালত থেকেই শীর্ষতম মহলে ফোন করে সরকারি উকিলদের আচরণে তীব্র উষ্মা প্রকাশ করেন। বোঝা যায় এবিষয়ে উপরমহল অন্ধকারে, তাঁরা কোনো বাধা দেন নি। মাঝখানের কোনো অতিসক্রিয়তায় এই গোল বেধেছে। সেদিনই বিকেলে নবান্ন থেকে স্পেশাল ব্রাঞ্চে নির্দেশ যায় অবিলম্বে নিরাপত্তা শুরু করার। সেদিনই রাত থেকে দেহরক্ষী কাজে যোগ দেন। সূত্রের আরও খবর, সেদিন বারাসতে সরকারি উকিলদের মধ্যে এমন একজনকে দেখা গেছিল বিধাননগর আদালতে একবার তাঁর বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করে আদালত, থানা থেকে শুরু করে সর্বত্র চিঠি দিয়েছিলেন কুণাল। নবান্ন থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জবাবি চিঠিও তিনি পান। এখন বারাসাতে কুণালের নিরাপত্তায় বাধা দেওয়ার চেষ্টার পিছনে এই পুরোন রেষারেষি কাজ করেছে কিনা, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে এর কোনো নির্দিষ্ট ভিত্তি নেই। কুণালের আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী বলেছেন,”আমি আমার মক্কেলের নিরাপত্তা চেয়েছিলাম। পুলিশি নিরাপত্তা শুরু হয়েছে। “