42 কেন্দ্রে 84টি সভা, যাবেন রাজ্যের বাইরেও, ঠাসা কর্মসূচি তৃণমূল নেত্রীর

এসবিবি : লোকসভা ভোটে এ রাজ্যের 42 আসনই এবার তৃণমূলের দখলে আসবে। বেশ কিছুদিন আগেই এই দাবি করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 42-এ 42 করতে তৃণমূলের একমাত্র ভরসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নেতারাই বলেন, “প্রার্থী হই আমরা, মানুষ ভোট দেন মমতাকে”। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানেন সে কথা। তাই লোকসভা ভোটে রাজ্যের সব ক’টি কেন্দ্রে গিয়ে দফায় দফায় প্রচার চালাতে চান মমতা। সূত্রের খবর, এপ্রিলের প্রথমেই উত্তরবঙ্গের দুটি আসন, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে জনসভা করতে যাবেন তিনি। এই দুই আসনে ভোট 11 এপ্রিল। এখান থেকেই শুরু হবে মমতার প্রচারাভিযান।

আরও পড়ুন –কোনও সমস্যা হলে তার দায় পুলিশ ও প্রশাসনের, কড়া বার্তা উপ নির্বাচন কমিশনারের

আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর যে নির্বাচনী কর্মসূচি তৈরি হয়েছে, তাতে রাজ্যের 42টি কেন্দ্রেই দু’টি করে জনসভা করবেন তিনি। করবেন মোট 84টি বড়মাপের জনসভা। তবে এবার শুধুই বাংলায় নয়, বিজেপি বিরোধী মহাজোটের প্রধান ভূমিকায় থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের প্রচারে পেতে একাধিক রাজ্যের বিজেপি-বিরোধী দল বা জোট আমন্ত্রণ জানিয়েছে। অসম-সহ উত্তর পূর্ব ভারতের কয়েটি রাজ্য, ঝাড়খন্ড, বিহার, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, এমনকী দক্ষিণ ভারত থেকেও প্রচারে আসার অনুরোধ জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরে চিঠি জমা পড়েছে। এতেই স্পষ্ট হচ্ছে, জাতীয় রাজনীতিতে মমতার গুরত্ব এবার এক লাফে অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার বাংলায় সাত দফায় নির্বাচন হবে। বিভিন্ন রাজ্য থেকে যে ভাবে প্রচারের ডাক পেয়েছেন এবং এ রাজ্যে 84 সভা করতে, ওই ভোট-নির্ঘন্টই যেন সহায়ক হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রচার করার জন্য অনেকটাই সময় পাওয়া যাবে বলে নেত্রী মনে করছেন। এ বিষয়ে তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য, “সাত দফায় ভোট ঘোষণা হওয়ায় যে বা যারা ভেবেছিল আমাকে আটকে রাখা যাবে, তারা ভুল ভাবছে। বরঞ্চ হেসে খেলে গোটা নির্বাচন করতে পারব। ধাপে ধাপে নির্বাচন হওয়ায় রাজ্যের সব কটা কেন্দ্রেই যেতে পারবো। পাশাপাশি ভিন রাজ্যেও প্রচারে যেতে পারব।” ওদিকে, এই নির্বাচনে তৃণমূলের সাইবার সেল জোর দিয়েছে,সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে রাজ্যের সব কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থীদের প্রচারের দিকে ।

আরও পড়ুন –নবাগতদের বরণ করার ঠেলায় বঙ্গ-বিজেপির পুরোনো নেতারা কোনঠাসা, ক্ষোভ বাড়ছে