প্রচারে কোন পথে প্রিয়াঙ্কা!

এসবিবি :  লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের চোখে একটাই স্বপ্ন, সাংসদ হতে হবে। জয়ের লক্ষ্যে চলছে জাতীয় ও রাজ্যস্তরে অভিনব সব প্রচার। প্রচারের সময় প্রার্থীদের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খায়, এমন কী করা যেতে পারে যা ভোটারদের পছন্দ হবে। পছন্দ হলেই মিলবে ভোট। বাড়বে জয়ের সম্ভাবনা। তাই একইসঙ্গে চলে প্রচারের অভিনব পথের খোঁজও। ইতিমধ্যেই রাজ্য ও জেলাগুলিতে দেওয়াল লিখন দিয়ে ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। শুরু হয়েছে ডিজিটাল প্রচার, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার।
এদিকে জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই গঙ্গাবক্ষে নজিরবিহীন প্রচার শুরু করতে চলেছেন এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। রবিবার লখনউতে গিয়েছেন তিনি। সন্ধ্যায় পৌঁছবেন প্রয়াগরাজে। সোমবার এখান থেকেই শুরু হবে প্রিয়াঙ্কার বেনজির প্রচারাভিযান।

আরও পড়ুন –গোয়ায় সরকার গঠনের দাবি জানাল কংগ্রেস

স্থির হয়েছে, প্রয়াগরাজ ও মির্জাপুরের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলা গঙ্গায় নৌকোবিহারের মধ্য দিয়েই কংগ্রেসের প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার করবেন প্রিয়াঙ্কা। শনিবারই নৌকো বিহারের অনুমতি নেওয়া হয়ে গিয়েছে।
জলপথে গঙ্গার দুধারে থাকা জনবসতির কাছাকাছি আসার পরই হাত-চিহ্নে ভোট চাইবেন পূর্ব উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেসের ভারপ্রাপ্ত এই নেত্রী। গঙ্গার পাড়ে থাকেন তপশিলী সম্প্রদায়ের মানুষ। তাদের ভোট কংগ্রেসের জয়ের সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে দেবে বলেই বিশ্বাস করেন প্রিয়াঙ্কা। আর সেই কারণেই জলপথে প্রচারের অভিনব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, গঙ্গার দূষণরোধের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি সরকার, সেটাকেই হাতিয়ার করে জিততে চাইছে কংগ্রেস। গঙ্গায় প্রচার সেরে মন্দির-দরগাতে যাওয়ার কথা প্রিয়াঙ্কার। সেখানেই ভোটে জয়ী হওয়ার জন্য প্রার্থনাও করবেন তিনি। লখনউতে চারদিনের সফর করবেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। প্রয়াগরাজে জলপথে প্রচারকার্য চালানোর পর তা শেষ হতে চলেছে মোদির কেন্দ্র বারাণসীতে। এরপর পরশুদিন, মঙ্গলবার তিনি যোগ দেবেন হোলি মিলন উত্সবে। হোলির আগেই তাই জলপথের অভিনব প্রচার শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।

আরও পড়ুন –“সমঝোতা হোক বা না হোক রায়গঞ্জে দীপা’ই কংগ্রেস প্রার্থী”