কৃষ্ণনগরে বিজেপি প্রার্থী হতে পারেন তৃণমূলের এই তরুন বিধায়ক

এসবিবি : আস্তিনে বেশ কয়েকটি তাস লুকিয়ে রেখেই তৃণমূল ভাঙানোর খেলায় নেমেছে বঙ্গ-বিজেপি।

তৃণমূল থেকে এ পর্যন্ত যে সব সাংসদ-বিধায়কদের বিজেপি দলে নিয়েছে, তার মধ্যে সৌমিত্র খান আর অনুপম হাজরার দলবদলে কোনও চমক ছিলনা। প্রত্যাশিতই ছিলো। অর্জুন সিং নিজেই তৃণমূল ত্যাগের জল্পনা তৈরি করেছিলেন। ধারনা হয়তো ছিলো, দল ছাড়বো বললে, দলনেত্রী বারাকপুর আসনের প্রার্থী নিয়ে দু’বার ভাববেন। নেত্রী তেমন ভাবেননি। ফলে অর্জুনের দলত্যাগ করা ছাড়া আর কোনও বিকল্প ছিলো না। তিনি চলে গেলেন পদ্ম হাতে নিয়ে।

আরও পড়ুন –তৃণমূলের বর্ধিত সভা মঞ্চে উপস্থিত সরকারি আইনজীবী,বিতর্ক তুঙ্গে

তবে, বিজেপি’র আস্তিনে এখন একটি বিশেষ তাস লুকিয়ে আছে। এই নাম এখনও জল্পনায় আসেনি।
উল্টে এই বিধায়ককে ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে দেওয়াল লিখছেন। এই বিধায়ককে বিজেপি এবার কৃষ্ণনগরের মতো ‘সম্ভাবনাপূর্ণ’ আসনে প্রার্থী করতে পারে। বিজেপি মনে করছে এটাই হবে এবারের বাম্পার-চমক।

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা কৃষ্ণনগরের প্রার্থী হিসাবে তৃণমূলের এই বিধায়কের নামে সিলমোহর লাগানোর পরেই পদ্ম হাতে নিয়ে কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়ে যাবেন তিনি। অবশ্য এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে বিবেচনায় আছে এই কেন্দ্রেরই ভূতপূর্ব বিজেপি সাংসদ সত্যব্রত মুখোপাধ্যায় বা জুলুবাবুর পুত্রের নাম। কৃষ্ণনগর আর জুলুবাবুকে সমার্থক বলেই মনে করে বিজেপি। এই যুক্তিতেই জুলুবাবুর ছেলে প্রার্থী হয়ে যেতে পারেন। যদি কোনও কারনে এই নাম আটকে যায়, তখন আস্তিন থেকে বার করে সামনে আনা হবে ওই তৃণমূল বিধায়কের নাম। এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পারিবারিকভাবে বিজেপি-যোগ থাকা এই তরুন বিধায়কই কৃষ্ণনগর আসনে বিজেপির প্রার্থী। এবং তেমন ঘটলে সেই ঘটনাই হবে এবারের ভোটের সেরা চমক।

আরও পড়ু ন –42 কেন্দ্রে 84টি সভা, যাবেন রাজ্যের বাইরেও, ঠাসা কর্মসূচি তৃণমূল নেত্রীর