শেষযাত্রায় চিন্ময় রায়কে উপেক্ষাই করলো টলিউড

এসবিবি: ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, জহর রায়, রবি ঘোষ, অনুপ কুমারদের যোগ্য উত্তরসূরী তিনি। বাংলার চলচ্চিত্র জগতকে বারংবার উপহার দিয়েছেন অসাধারন সব মুহূর্ত। অথচ টলিউডের চরম উপেক্ষা নিয়েই চিরবিদায় নিলেন চিন্ময় রায়।

কিংবদন্তী হয়ে ওঠা এই কৌতুক অভিনেতার শেষযাত্রায় সোমবার দেখা গেল না টালিগঞ্জের বিশেষ কোনও তারকাকেই। শেষযাত্রার একপ্রকার উপেক্ষিতই থেকে গেলেন এই শিল্পী।

আরও পড়ুন-বিতর্কিত “থিম সং” গেয়ে বিপাকে বাবুল! থানায় অভিযোগ দায়ের
সোমবার দুপুর সাড়ে 12টা নাগাদ টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে নিয়ে যাওয়া হয় চিন্ময় রায়ের মরদেহ। সেখান থেকে 1টা নাগাদ নন্দনে, তারপর কেওড়াতলায় শেষকৃত্য সম্মন্ন হয় চিন্ময় রায়ের। এদিন তাঁর শেষ যাত্রায় টালিগঞ্জের কোনও তারকাকেই দেখা গেল না। সেখানে ছিলেন পরিচালক রাজীব বিশ্বাস, অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত হাতে গোনা জনাকয়েক শিল্পী। রাজ্য সরকারের তরফে ছিলেন ইন্দ্রনীল সেন। সল্টলেকের শ্রাবণী আবাসন থেকে টেকনিশিয়ান, নন্দন হয়ে কেওড়াতলা পর্যন্ত পুরো যাত্রাপথেই ছিলেন চিন্ময় রায়ের ছেলে, মেয়ে ও পরিবারের সদস্যরা। জীবনের শেষদিকে চরম আর্থিক সমস্যার মধ্যেই দিয়ে কাটাচ্ছিলেন চিন্ময় রায়। ভুগছিলেন একাকীত্বেও। থিয়েটারের মঞ্চ থেকে অভিনেতার জীবন শুরু করে এক সময় সিনেমাতে দাপিয়ে অভিনয় করেছেন চিন্ময় রায়। তপন সিংহের ‘গল্প হলেও সত্যি’-তে সবার নজর কাড়েন তিনি। এরপর মৌচাক, হাটেবাজারে, ওগো বধূ সুন্দরী, বসন্ত বিলাপ, গুপী গাইন বাঘা বাইন-এর মতো ছবিতে তাঁর অসামান্য অভিনয় দর্শকদের মন কেড়েছে। 2013 সালে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ চলচ্চিত্র সম্মান প্রদান করা হয় তাঁকে।

আরও পড়ুন-গোয়ার নতুন মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত

গতবছরের জুন মাসে নিজের বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে যাওয়ার পর থেকেই অসুস্থ ছিলেন। তাছাড়া বার্ধক্যজনিত কারণেও বহুদিন ভুগছিলেন তিনি। রবিবার রাতে নিজের সল্টলেকের বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

আরও পড়ুন-ভোট বাজারে রং-তুলির বাজার জমে উঠেছে