নীরব মোদির 9 দিনের পুলিশ হেফাজত

এসবিবি : হীরে ব্যবসায়ী নীরব মোদি অবশেষে লন্ডনে গ্রেফতার হয়েছেন।
এদিনই তাঁকে লন্ডনের আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁকে আগামী 29 মার্চ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছ। তাঁর আইনজীবীরা জামিনের আর্জি করলেও তা নাকোচ করে দেয় আদালত। বিচারপতি মনে করেছেন, জামিন দেওয়া হলে আত্মসমর্পণ নাও করতে পারেন ভারতের এই ঋণখেলাপি ব্যবসায়ী। তথ্য প্রমাণ দেখে এমনটাই মনে হয়েছে আদালতের।
উল্লেখ্য, ভারত থেকে ফেরার হওয়ার 17 মাস পরে গ্রেফতার হলেন নীরব মোদি। ভারতীয় সময় বিকেল সাড়ে তিনটেয় তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়েছে বলে খবর। নীরবের বিরুদ্ধে লন্ডনের মিনস্টার কোর্টে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল ইডির আর্জিতে। জানা গিয়েছে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছে নীরব মোদির বিরুদ্ধে। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের 14 হাজার 700 কোটি টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগ ছিল হীরে ব্যবসায়ী নীরব মোদির বিরুদ্ধে। ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী, গ্রেফতার করা হয় নীরব মোদিকে। ভারতের আর্জিতেই লন্ডনে তাঁর বিরুদ্ধে রেড কর্নার জারি করা হয়েছিল। এদিন নীরব মোদির গ্রেফতারি ভারতের কূটনৈতিক জয় বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার ব্রিটেনের সঙ্গে প্রত্যর্পণ আইনে ভারতে নীরব মোদিকে আনা যায় কিনা। এরই সঙ্গে নীরবের 11 টি গাড়ি নিলামের নির্দেশ দিয়েছে মুম্বই আদালত।

আরও পড়ুন –বব ডিলানের গানেও বিতর্ক হয়, শো-কজ প্রসঙ্গে বললেন বাবুল

শুধু ঋণ খেলাপি নয়। পাসপোর্ট আইনেও মামলা রুজু করা হয়েছে নীরব মোদির বিরুদ্ধে। ভারতের পাশাপাশি অষ্ট্রেলিয়ারও নাগরিকত্ত্ব নিয়েছেন তিনি। এবং সেটা ভারতে না জানিয়েই। সম্প্রতি, নীরব মোদির আমেরিকা থেকে লন্ডনে আসার খবর পাওয়া গিয়েছিল। সপ্তাহখানেক আগে লন্ডনের রাস্তায় নতুন লুকে ঘুরতে দেখা গিয়েছিল নীরব মোদিকে। সেখানে তিনি বেনামে হীরের ব্যবসা শুরু করেছেন বলেও জানা গিয়েছিল। লন্ডনে তাঁর ঘুরে বেড়ানোর ভিডিও ফুটেজও পেয়েছিল ভারত সরকার। এরপরই নড়েচড়ে বসে বিদেশমন্ত্রক। তাঁকে গ্রেফতারের আর্জি নিয়ে ব্রিটেন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল ভারত সরকার। অবশেষে বুধবার দুপুরে লন্ডনে গ্রেফতার হলেন ঋণখেলাপির দায়ে অভিযুক্ত হীরে ব্যবসায়ী নীরব মোদি।

আরও পড়ুন –ভাই অনিলের জেলযাত্রা বাঁচালেন দাদা মুকেশ! অপরাধ কী ছিল জানেন?