অ-মুসলিম মহিলারাও পরলেন হিজাব! কেন এবং কোথায় দেখে নিন…

এসবিবি : ক্রাইস্টচার্চের ভয়াবহ জঙ্গিহামলার পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন আগেই। প্রতিশ্রুতিতেই থেমে থাকেন নি নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডের্ন। নিহত মুসলিম পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তিনি তাঁদেরই একজন হয়ে গিয়েছিলেন। শোকপ্রকাশে মাথায় হিজাবের মতো করে পরেন কালো স্কার্ফ, কালো পোশাক। যাতে তাঁরা কেউ নিজেদের বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। প্রধানমন্ত্রীর দেখানো সেই পথেই এগিয়ে এলেন নিউজিল্যান্ডের অন্যান্য সরকারি মহিলা কর্মীরা।

আরও পড়ুন –মোদির আমলে কাজ হারিয়েছেন 2 কোটি মানুষ!

শুক্রবার দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈঠকেও হিজাব পরিহিত হয়ে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। একই পোশাকে দেখা গেল দেশের সমস্ত মহিলা পুলিশকর্মীদের। বেশিরভাগের মাথাতেই ছিল কালো স্কার্ফ। অকল্যান্ডের মহিলা চিকিত্সহকদের একটি দলও প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে কালো স্কার্ফ পরে রাস্তায় বেরিয়েছেন। এর অবশ্য আরও একটা কারণ আছে। এদিন ক্রাইস্টচার্চের মুসলিম প্রতিনিধিদের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানোর পর দু-একজন মহিলা সেখানে যোগ দিতে আতঙ্কিত বোধ করছিলেন। এক মহিলার কথায়, ‘ঘরে বাইরে বেরোতে ভয় পাচ্ছি। আমার মাথায় হিজাব দেখে মুসলিম বলে যদি ফের সন্ত্রাসবাদীরা টার্গেট করে!’ একথা শোনার পরই অকল্যান্ডের মহিলা চিকিত্সিক টায়না অ্যাশম্যান সব মহিলাদের কাছে আবেদন জানান, তাঁরা সবাই যেন হিজাবে মাথা ঢেকে বেরোন। যাতে আলাদা করে কাউকে মুসলিম বলে চিহ্নিত করে টার্গেট না করা যায়। নিঃসন্দেহে মানবিক উদ্যোগ। অ্যাশম্যান বলেন, ‘আমরা আপনাদের সঙ্গেই আছি। আমরা আপনাদের ভালবাসি, শ্রদ্ধা করি।’
অ্যাশম্যানের আবেদনে সাড়া দিয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মহিলারা। ক্রাইস্টচার্চ তো বটেই, অকল্যান্ড, ওয়েলিংটনজুড়ে মহিলারা হেডস্কার্ফ পরিহিত। ‘পাশে আছি’, বার্তা দিতে নিজেদের স্কার্ফ পরিহিত ছবি তুলে তাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন।

আরও পড়ুন –সংবাদ বিশ্ব বাংলার অনলাইন ওপিনিয়ন পোলে দীনেশ VS অর্জুন হাড্ডাহাড্ডির ইঙ্গিত