রাজনীতির হানাহানির মাঝে বাম-ডান শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান দেখতে এই ঠিকানায় আসুন

বিকাশ মণ্ডল

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। আর এই ভোট উত্সবকে সামনে রেখে রাজনীতির রং এ রঙিন হয়ে উঠেছে গোটা দেশ। ব্যাতিক্রমী নয় এই বাংলাও। ভোট বাংলায় ভোট উত্সব আরও বেশি রঙিন।  বারো মাসের তেরো পার্বনের মতোই  ভোট পার্বনটাও বঙ্গ জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেজে উঠছে গোটা রাজ্য। আর সেই সাজ-সজ্জা মিলবে  বড়বাজারের এই ঠিকানায়। যেখানে নেই কোনও ভেদাভেদ। সব রাজনীতির রং মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে এখানে। ডান হোক কিংবা বাম, সবাই একই সঙ্গে এক ছাতার তলায় সহাবস্থান করছে। একেবারে পাশাপাশি হাসি মুখে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে  যুযুধান দুই নেতা-নেত্রী মমতা-মোদিকে।

আরও পড়ুন –রাত পোহালেই শহরে আসছেন স্পেশাল অবজারভার বিবেক দুবে

 

হ্যাঁ, গল্প মনে হলেও এটাই বাস্তব। বড়বাজারের ‘গোপাল স্টোর’ হোক কিংবা ‘পতাকা মহল’ , সব দোকানেই পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচারের সরঞ্জাম। কী নেই সেখানে! উত্তরীয়,ব্যাচ,পতাকা,টি-শার্ট, শাড়ি, ছাতা থেকে শুরু করে আরও অনেককিছু । কোনও শাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী হাসছেন, তো কোনও টি-শার্টে প্রধানমন্ত্রীর মুখ। কাস্তে-হাতুড়ি থেকে ঘাসফুল কিংবা পদ্মফুলে কোনও ছুতমার্গ নেই দোকানির। আর ভোটের মরশুমে বিভিন্ন দলের চাহিদা মতো তা দেদার বিকোচ্ছেন দোকানিরা। প্রচারের বিভিন্ন সরঞ্জাম বিক্রি 3 তারিখে নরেন্দ্র মোদির বিগ্রেডের সময় আরও বিক্রি বাড়বে বলেই জানালেন পরেশ সিং নামে এক দোকানি। তবে, এখনও পর্যন্ত শাসকদলের ক্রেতার সংখ্যাই বেশি।

আরও পড়ুন –ব্রিগেড পরিদর্শনে কৈলাস-মুকুল, শিলিগুড়িতে জট কাটলো মোদির সভার

 

এ এক অন্য ছবি। যখন ফেসবুকে শাসক-বিরোধী একে অপরকে ট্রোল করে চলছে, প্রতিপক্ষ প্রার্থীর প্রতি কুৎসিত আক্রমণ চলছে,  চলছে নকুলদানা, মিহিদানার রেষারেষি। ঠিক তারই মাঝে এমন  ‘সৌজন্য’ বড়বাজার ছাড়া আর কোথাও পাওয়া যাবে না।

আরও পড়ুন –সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে নিশ্চয়তা দিল না নির্বাচন কমিশন