‘দূষণ’মুক্ত সমাজ গড়তে মিউনাসের অভিনব প্রয়াস, সাক্ষী থাকুন আপনিও

এসবিবি : দুই বাংলার দর্শকদের মন জিতে নেওয়ার পর মিউনাসের প্রযোজনায় আরও একবার নাটক ‘দূষণ’। আগামী 16 মে তপন থিয়েটারে। ঠিক সন্ধ্যা সাড়ে 6 টায়। নাট্যকারদের সৃষ্টি যখন দর্শকদের ভাবাবেগকে নাড়া দেয়, তখন প্রেক্ষাগৃহের একটি আসনও খালি পড়ে থাকে না। ‘দূষণ’ মিউনাসের এমনই একটি প্রযোজনা। এখনও পর্যন্ত যে’কবার মঞ্চস্থ হয়েছে ‘দূষণ’ ব্যাপক সাড়া পেয়েছে দর্শকদের কাছ থেকে।


অপরাধ -অপরাধী – সমাজ – প্রশাসন – রাজনীতি – ক্ষমতা আর ভুক্তভোগী কিছু মানুষকে কেন্দ্র করে ‘দূষণ’ গড়ে উঠেছে নাট্যকার উৎসব দাসের হাত ধরে। সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের আবহে যখন নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে বেশ কিছু সিনেমার উপর, ‘দূষণ’ তখন রাজ করছে সদর্পে । এটাও একজন নাট্যকারের কাছে কম পাওনা নয় বলে মনে করেন উৎসব বাবু।
এই নাটকে নিহিত রয়েছে একটি বিশেষ বার্তা, “অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে/ তব ঘৃণা তারে যেন তৃণ সম দহে। ” অর্থাৎ অন্যায় যে করছে তার সমান অপরাধী যে অন্যায়টা মুখ বুজে সহ্য করছে। ‘দূষণ’-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি খুবই প্রাসঙ্গিক।
গল্পটা এই রকম, অপরাধের সাক্ষী একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। যার সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যত। সে যদি মুখ খোলে তবে তার ভবলীলা সাঙ্গ হতে বেশি সময় লাগবে না। একথা নিশ্চিতভাবে জানে তার পরিবার। এই পরিস্থিতিতে তৈরি হয় সমান্তরাল রেখা। যার একদিকে থাকে সমাজ – সংস্কার – লজ্জা – ভয়। আর অন্যদিকে ক্ষমতা – রক্তচক্ষু – অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ না খোলার হুমকি। এই দুইয়ের টানাপোড়েনে ওই মেয়েটির পরিবারের কী অবস্থান হবে তা জানতে হলে দেখতে হবে ‘দূষণ’ ।

‘দূষণ’-এর পাশাপাশি, বৃহস্পতিবার তপন থিয়েটারে আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে আরও একটা চমক। ভাবছেন, কী? ‘দূষণ’ ছাড়াও এদিন মঞ্চস্থ হতে চলেছে সম্পূর্ণ আলাদা ঘরানার একটি নাটক। অর্থাৎ এক সন্ধ্যায় দুটি আকর্ষণীয় নাটক অপেক্ষা করছে আপনাদের জন্য।

আরও পড়ুন –শুধুমাত্র ডোনেশনের টাকাতেই গড়ে উঠেছে এই অতিথি শালা, পড়ুন অজানা কাহিনী