আজকের রবীন্দ্রচর্চার জরুরি ফর্মুলা বোধিভবনের অনুষ্ঠানে

এসবিবি : বাঙালির মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি রক্ষা করতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘দাওয়াই’ দেওয়ার আওয়াজ উঠল রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত বোধিভবন স্কুল আয়োজিত অনুষ্ঠানে। শুক্রবার দক্ষিণ কলকাতার বিড়লা অ্যাকাডেমি প্রেক্ষাগৃহে এক বর্ণময় সমাবেশে প্রস্তাব শোনা গেল, নতুন প্রজন্ম জন্মদিন বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পারস্পরিক উপহারের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের বই, গানগুলিকে প্রাধান্য দিক।

আরও পড়ুন-রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পালিত হবে 7দিনের বিদ্যাসাগর- দ্বিশত জন্মবার্ষিকী

আরও পড়ুন-কুইক রেসপন্স টিম নিয়ে সিদ্ধান্ত বদল কমিশনের

আরও পড়ুন-জেরার প্রয়োজনে রাজীব কুমারকে হেফাজতে নিতে পারবে সিবিআই

প্রতি পরিবারে অভিভাবকরা এমনভাবে রবীন্দ্রসঙ্গীত ও রবীন্দ্রসাহিত্যের প্রসার ও চর্চা ঘটান যাতে বাড়িতেই তাতে আকৃষ্ট হয় ছোটরা। যাঁরা অন্য ভাষার, তাঁদের সামনে তুলে ধরতে হবে অনুবাদ হওয়া রবীন্দ্রসঙ্গীত। প্রচারে রাখতে হবে নতুন নতুন শিল্পীদের নতুন ঘরানায় গাওয়া চিরনতুন গানগুলি। শুধু মুখে বলা নয়, জীবনে প্রয়োগ করে এই সংস্কৃতিকে ধরে রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট শিল্পী হৈমন্তী শুক্লা, মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার, দেবসাহিত্য কুটিরের কর্ণধার ও সম্পাদক রূপা মজুমদার, সাংবাদিক কুণাল ঘোষ, স্কুলের কর্ণধার শঙ্কর দত্ত-সহ বিশিষ্ট অতিথিরা।

আরও পড়ুন-আমার চোখে আইন, কুণাল ঘোষের কলমে কীসের ইঙ্গিত?

আরও পড়ুন-দমদমে মুকুল, শমীকের ওপর ‘হামলা’, অভিযুক্ত তৃণমূল

আরও পড়ুন-বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার তদন্তে সিট গঠন করল লালবাজার

হৈমন্তী শুক্লা বলেন, “রবীন্দ্রসঙ্গীতে প্রাণ সঞ্চারের মধ্যে দিয়েই তাকে জনপ্রিয় রাখতে হবে। পুরনো ঘরানায় দাঁতে দাঁত চেপে ধীর সুরে কপিবুক গান যদি আজকের দিনে মানুষের কাছে একঘেয়ে লাগে, তাহলে আজকের সময়ের মত করেই তাকে পরিবেশন করতে হবে।” কিছুটা গান গেয়েও শোনান তিনি। এছাড়া সঙ্গীত পরিবেশন করেন ডাঃ অশোক রায়, অভিজিত ঘোষ, দীপা দাস। বিভিন্ন নাচ, গান, কবিতা পরিবেশন করে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরাও। কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানও ছিল নজরকাড়া।

আরও পড়ুন-বিদ্যাসাগরের 50 ফুটের মূর্তি তৈরি করবে তৃণমূল, মোদিকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ছবি : বিকাশ মণ্ডল