এবার কলকাতার শেরিফ হলেন সাহিত্যিক শংকর

এসবিবি : বৃটিশ লিগ্যাসি বহন করেই কলকাতার নতুন শেরিফ হতে চলেছেন সাহিত্যিক শংকর ওরফে মণিশংকর মুখোপাধ্যায়।
আগামী সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে এই পদের দায়িত্ব নেবেন তিনি। এতদিন চিকিত্‍সক সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় কলকাতার শেরিফ ছিলেন।  শংকর ছোটবেলা থাকতেন হাওড়ায়। কখনও শিক্ষকতা, কখনও হাইকোর্ট পাড়ায় কাজ করেছেন। তা সত্ত্বেও লেখালেখির আগ্রহ কখনই হারাননি তিনি। চৌরঙ্গী, কত অজানারে, জনঅরণ্য, অচেনা অজানা বিবেকানন্দ, সীমাবদ্ধ সমেত অসংখ্য জনপ্রিয় বই লিখেছেন তিনি। শংকরের একাধিক উপন্যাস নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরি করেছেন সত্যজিৎ রায়-সহ একাধিক বিশিষ্ট পরিচালক। 1933 সালের 7 ডিসেম্বর বাংলাদেশের যশোহরের বনগ্রামে জন্ম শংকরের। বাবা হরিপদ মুখোপাধ্যায় পেশায় ছিলেন আইনজীবী। সেইসূত্রেই যাতায়াত করতেন হাইকোর্টে। কলকাতা হাইকোর্টের শেষ ইংরেজ ব্যারিস্টার নোয়েল ফ্রেডরিক বারওয়েলের অধীনে কাজ করেছেন শংকর। 1953 সালে বারওয়েলের মৃত্যুর পরেই লেখালিখিতে পাকাপাকি ভাবে চলে আসেন তিনি। তাঁর একাধিক উপন্যাসে বারওয়েল সাহেবের উল্লেখ আছে।

আরও পড়ুন-কৈলাসের ছেলেকে বিজেপির নোটিশ

আজও কলকাতায় রাখা হয়েছে ‘শেরিফ’ পদটি। সমাজের বহু বিশিষ্ট মানুষ এই পদে থেকেছেন। কাউকে ‘সম্মান’ জানাতে এই পদে আনা হয়। অতীতে অবশ্য একাধিকবার শেরিফ পদের মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগও উঠেছিলো। কার্যত কোনও কাজই নেই কলকাতার শেরিফের। হাইকোর্টের একতলার একটি ঘরে শেরিফের অফিস। রয়েছেন একজন ডেপুটি শেরিফ-সহ একাধিক কর্মী। ডেপুটি শেরিফ পদটি সরকারি কর্মচারির। শেরিফ দফতরের জন্য বছরে আর্থিক বরাদ্দ যৎসামান্য। শেরিফের কোনও ইচ্ছাই ওই টাকায় পূরণ করা সম্ভব নয়। তবুও শহরে একজন শেরিফ ছিলেন এবং আছেন।

আরও পড়ুন-মমতাকে দেখে ‘জয় শ্রীরাম ধ্বনি’ মাহেশের রথে, তারপর?