মুরগিতেও বিষ! নিয়ন্ত্রণ করুন খাওয়া

ভারতের পোল্ট্রি ফার্মগুলিতে যে মুরগী পালন করা হয় সেই মুরগীর উপর প্রচুর পরিমানে রাসায়নিক পদার্থ ব্যাবহার করা হয়। খুব তাড়াতাড়ি যাতে মুরগি বেড়ে ওঠে ও ওজনে বৃদ্ধি পায় তার জন্য ব্যাপক হারে আন্টিবায়োটিক ব্যাবহৃত হয়। বাচ্চা অবস্থাতেই মুরগীদের দেহে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় আন্টি বায়োটিক। অক্সি টেট্রাসাইকিলিন, ক্লোরো টেট্রাসাইকিলিন, সিপ্রো ফলকসিন, নিউরোমাইসিন, আমিনো গ্লাইকোসাইড ইত্যাদি নানা আন্টিবায়োটিক ব্যাবহৃত হয় মুরগীর ওজন বজায় রাখার জন্য।
অন্যদেশে এই পোল্ট্রিফার্মে এই সব আন্টি বায়োটিক ব্যাবহার নিষিদ্ধ হলেও ভারতে ব্যাপক হারে এই পদার্থগুলির ব্যাবহার করা হয়। WHO এর মতে এই আন্টিবায়োটিকগুলি মানুষের জন্য খুবই ক্ষতিকারক।
সরাসরি চিকেন খাওয়া ব্যাক্তিদের উপরে আন্টিবায়োটিকের প্রভাব দেখা যায় একই সাথে যারা মাছ বা নিরামিষ খাবার খান তাদের দেহতেও বিষাক্ত আন্টিবায়োটিক প্রবেশ হয়। কারণ পোল্ট্রিফার্ম থেকে মুরগির মল নিয়ে এসে তা পুকুরে মাছের খাদ্য ও সবজির সার হিসেবেও ব্যাবহৃত হয়। এই আন্টিবায়োটিকগুলির কারণেই বিশ্বের মধ্যে সবথেকে বেশি টিউবারক্লসিসের ঘটনা ভারতে দেখা যাচ্ছে। শুধু এই নয়, সবথেকে বেশি মাল্টিটিউবারক্লসিসের ঘটনাও ভারতে হচ্ছে। এমনকি ক্যানসারের মতো ভয়ংকর রোগও ছড়িয়ে পড়েছে পুরো ভারতবর্ষ জুড়ে।
পোল্ট্রিফার্মে ব্যাবহৃত এমনি এক আন্টিবায়োটিকের নাম হলো কলিস্টিন। জানা গিয়েছে , ভারত সরকার এই কলিস্টিন ব্যাবহারের উপর ব্যান লাগিয়েছে। সেকশন 26A এর ব্যাবহার করে সরকার ক্ষতিকারক কলিস্টিনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এনিম্যাল ও ফুড ইন্ডাস্ট্রিতে কলিস্টিনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়।