রিভিউ, স্ক্রুটিনির পর মাধ্যমিকের মেধা তালিকা থেকে বাদ 10 জন পরীক্ষার্থী !

এ কোন ধরনের ছেলেখেলা ! মাধ্যমিকের ফল বেরোনোর পর রাজ্য সরকারের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে সংবর্ধনা নেওয়ার পর, যখন কেউ জানতে পারে মেধা তালিকায় তার স্থান বদল হয়েছে তখন কি হতে পারে মনের পরিস্থিতি? যে 10 জন বাদ পড়েছে সেই পড়ুয়াদের সম্মাননা কি ফিরিয়ে নেওয়া হবে রাজ্য সরকারের তরফে ? তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে , মাধ্যমিকের পড়ুয়াদের নিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এই ছেলেখেলা কবে বন্ধ হবে?

আরও পড়ুন-সুষমাজি ছিলেন সংস্কৃত ভাষার নব জাগরণেরও পথিকৃৎ, কণাদ দাশগুপ্তের কলম

এবছর মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় প্রথম দশে নাম ছিল 51 জনের ৷ কিন্তু রিভিউ, স্ক্রুটিনির পর মাধ্যমিকের প্রথম দশের মেধা তালিকায় কমে গেল 10 জন পরীক্ষার্থী ৷ এখন মেধা তালিকায় রয়েছে 41 জনের নাম ৷ 41 জনের মধ্যে যেমন আগের মেধা তালিকায় থাকা পরীক্ষার্থীরা রয়েছে, তেমনই নতুন তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে নতুন কয়েকজন পরীক্ষার্থী । প্রকাশিত হয়েছে 2019 সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার স্ক্রুটিনি ও রিভিউয়ের ফলাফল । ফল প্রকাশের পর বড়সড় রদবদল দেখা যাচ্ছে মেধা তালিকায় । মধ্যশিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানান, এবছর মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় প্রথম দশে স্থান পেয়েছিল মোট 51 জন পরীক্ষার্থী । কিন্তু রিভিউ ও স্ক্রুটিনির ফলাফল প্রকাশের পর এই ছবিটা বদলে গিয়েছে ৷ প্রথম দশে থাকা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে 10 জন বাদ পড়েছে । প্রথম দশের মেধা তালিকায় আর 51 জন নয়, 41 জন পরীক্ষার্থী রয়েছে । এই 41 জনের মধ্যে যেমন আগের মেধা তালিকায় থাকা পরীক্ষার্থীরা রয়েছে, তেমনই মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছে নতুন কয়েকজন পরীক্ষার্থী ।
এবিষয়ে কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “এবছর প্রথম দশের যে প্রভিশনাল মেরিট লিস্ট আমরা বের করেছিলাম তাতে 51 জনের নাম ছিল । এখন দশম স্থান পর্যন্ত 41 জন রয়েছে । 10 জন কমে গেছে । আগের মেধাতালিকায় যে প্রথম স্থান পেয়েছিল তার প্রাপ্ত নম্বর ছিল 694 ৷ দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান পাওয়া পরীক্ষার্থীরা পেয়েছিল যথাক্রমে 691 ও 689 নম্বর । তৃতীয় যারা হয়েছিল তাদের ভিতরে একজন রায়গঞ্জ গার্লস হাই স্কুলের ক্যামেলিয়া রায় তার এক নম্বর বেড়েছে । তবে সে তৃতীয় স্থানেই রয়েছে । কিন্তু, বাকিদের তো কোনও নম্বর বাড়েনি । তাই তাদের স্থান কমে ফোর্থ ব়্যাঙ্কে চলে গেছে । প্রথম দিকে আর কোনও পরিবর্তন হয়নি ।”

আরও পড়ুন-আমি মৃত্যুর চেয়ে বড়, এই কথা বলে যাবো আমি চলে,,,,,,

তিনি আরও বলেন, “আমাদের 2019 সালে মোট 10 লাখ 50 হাজার 397 জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছিল । পোস্ট পাবলিকেশন স্ক্রুটিনি ও পোস্ট পাবলিকেশন রিভিউয়ের জন্য আবেদন করেছিল মোট 36 হাজার 874 জন । যেটা মোট পরীক্ষার্থীর 3.51 শতাংশ । তার মানে পরীক্ষার্থীদের 96.5 শতাংশ তাদের রেজ়াল্ট নিয়ে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট । এই যে 3.51 শতাংশ আবেদন করেছিল তার মধ্যে রিভিউ করেছিল 2 হাজার 703 জন । যার মধ্যে পরিবর্তন হয়েছে 683 জনের অর্থাৎ 25.27 শতাংশের । যেটা গত বছরের তুলনায় কম ।
যেটা গতবছর 26.05 শতাংশ ছিল, এবছর সেটা 25.27 শতাংশ । স্ক্রুটিনির জন্য এবারে আবেদন করেছিল 34 হাজার 171 জন । তাদের মধ্যে 9 হাজার 212 জনের পরিবর্তন হয়েছে । 26.96 শতাংশ পরিবর্তন হয়েছে । যা গতবারের তুলনায় একটু বেশি ।”

আরও পড়ুন-আমি মৃত্যুর চেয়ে বড়, এই কথা বলে যাবো আমি চলে,,,,,,