ফের কাছাকাছি আসছে কংগ্রেস ও তৃণমূল ? জল্পনা রাজধানীতে

ফের কাছাকাছি আসছে তৃণমূল এবং কংগ্রেস ? রাজধানীর রাজনৈতিক অলিন্দে এখন এই প্রশ্নেই সরগরম।

এই জল্পনার উৎস দু’টি ঘটনা। লোকসভায় দিনকয়েক আগে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে লোকসভায় তৃণমূলের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, তখনই নাকি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে রাহুল গান্ধী জানতে চান পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রধান শত্রু কারা ছিলো? কংগ্রেস, বাম না বিজেপি ? জানা গিয়েছে, কল্যান এর উত্তরে বলেছেন, কংগ্রেসের মতো তৃণমূলেরও প্রধান ‘শত্রু’ বিজেপি। শোনার পরেই রাহুল গান্ধী বলেন, তাহলে এখনই কংগ্রেস ও তৃণমূলের সমন্বয় বাড়ানো দরকার।দু’দল জোটবদ্ধ না হওয়ার কারনেই জমি পাচ্ছে বিজেপি।

আরও পড়ুন-Breaking: পুজোয় আয়কর নোটিস নয়, জানাল অর্থমন্ত্রক

দ্বিতীয় বৈঠকটি হয় লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের। এই বৈঠকেও দু’দলের আরও কাছাকাছি আসার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
জানা গিয়েছে, দু’টি বৈঠকেই কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সহমত হন দু’দলের চার নেতা-ই। রাহুল গান্ধী নিজে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছাপ্রকাশও করেন। একইসঙ্গে বলেন, দু’দলের কাছাকাছি আসার জন্য তৃণমূল সুপ্রিমো ও কংগ্রেস চেয়ারপার্সনের মধ্যে বৈঠকের প্রয়োজন।

রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, বাংলায় একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করতে দু’দলের পাশাপাশি থাকা জরুরি। দু’দলের জোটের ইতিহাসও উজ্জ্বল। 2009 সালের লোকসভা নির্বাচনে জোট গড়ে লড়াই করেছিল এই দু’দল। সেই জোটই দিল্লিতে দ্বিতীয় UPA সরকার গঠন করেছিলো। এরপর 2011 সালে রাজ্য বিধানসভা ভোটে জোটবদ্ধ লড়াইয়ের জোরেই 34 বছর ক্ষমতায় থাকা বামফ্রন্ট পরাজিত হয়েছিলো।
দু’দলের শীর্ষস্তরের তাই এখন আলোচনা চলছে একুশের ভোটকে পাখির চোখ করে দু’দলের একসঙ্গে পথ চলার।

আরও পড়ুন-পুজোয় আয়কর নোটিসের প্রতিবাদে তৃণমূলের ধরণা জমজমাট