আপনি কি জানেন 15 অগস্ট ও 26 জানুয়ারি পতাকা উত্তোলনের পার্থক্য রয়েছে?

রাত পোহালেই 15 অগাস্ট। দেশের 73 তম স্বাধীনতা দিবস। গৌরবের সঙ্গে স্বাধীনতার স্বাদ নিচ্ছে দেশবাসী। আর আমাদের দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় মর্যাদার প্রতীক দেশের জাতীয় পতাকা। তাই বিশেষ দিনে স্বাধীনতার ইতিহাস উদযাপনের পাশাপাশি তেরঙাকেও জানা জরুরি।

প্রতি বছর 15 অগস্ট স্বাধীনতা দিবস ও 26 জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস তেরঙা হাতে তুলে নিলেও দুই সময়ে পতাকা উত্তোলনের পার্থক্যই হয়তো জানা নেই অনেকেরই। পাঠকদের সেই পার্থক্য দেখে নিন।

দেশের ‘ফ্ল্যাগ কোড অব ইন্ডিয়া’ আইনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়ের সুনিদির্ষ্ট তথ্য দেওয়া রয়েছে। যে যে নির্দেশিকার মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে, তা সুস্পষ্ট করা হয়েছে ওই আইনে।

যেমন, তেরঙা পতাকা তিনটে সমান আয়তক্ষেত্রে বিভক্ত থাকবে। উপরের অংশে গেরুয়া, মাঝের অংশে সাদা এবং নীচের অংশ সবুজ হবে। সাদা অংশে থাকবে গাড় নীল রঙের অশোকচক্র। যাতে 24টি স্পোক থাকবে। পতাকার আয়তন অনুপাত 3:2 হবে। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পতাকা উত্তোলিত থাকবে। পতাকা মাটিতে স্পর্শ করা যাবে না। পোড়ানোও আইনত নিষিদ্ধ। এছাড়াও কোনও ধরনের বাণিজ্যিক ব্যবহার করা যাবে না। এই নির্দেশিকা না মানলে ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী তিন বছরের জেল হতে পারে।

জাতীয় পতাকা সম্পর্কে এই বিষয়গুলি কমবেশি অনেকেরই জানা। কিন্তু, স্বাধীনতা দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উত্তোলনের নিয়ম অনেকেরই অজানা। এই কারণেই প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন স্বাধীনতা দিবসের মতোই পতাকা উত্তোলনের বহু উদাহরণ দেখতে পাওয়া যায়। পতাকা সংক্রান্ত সব নির্দেশিকা এক হলেও একটি পার্থক্য রয়েছে দুই দিনের পতাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে।

স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় পতাকাকে নীচ (মাটি স্পর্শ নয়) থেকে উপরে উত্তোলিত করতে হয়। কিন্তু, প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পতাকাটি উপরেই থাকে। নীচে নামানো হয় না। তা উন্মুক্ত করার পর উত্তোলন ও অভিবাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে দুটি ক্ষেত্রেই পতাকা উত্তোলনের পর জাতীয় সংগীত বাধ্যতামূলক।

যদিও এই সংক্রান্ত সরকারি কোনও নির্দেশিকা বা আইনের বিষয়ে জানা যায়নি। তবে এর বহু উদাহরণ দেখা গিয়েছে।

আরও পড়ুন-রাখি বন্ধন নিয়ে অজানা তথ্য, যা আপনাকে জানতেই হবে